Wednesday, December 21, 2022

Importance of Christmas in Bengali

www.rajyogpathshala.com

 



বন্ধুগন আসন্ন বড় দিন বা খ্রিষ্টমাস উপলক্ষে আপনাদেরকে  জানাই আন্তরীক প্রীতি ও শুভেচ্ছা, বন্ধুগন খ্রিষ্টমাস দিনটিতে শুধুমাত্র যারা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা আছেন, তারাই শুধু খ্রিষ্টমাস পালন করেন তা নয়, অন্যান্ন  ধর্মাবলম্বীরাও এই দিনটিকে, খুবই আনন্দ ও উৎসাহের সাথে পালন করেন, কারন এই দিনটির সাথে অনেক আধ্যাত্বিক তাৎপর্য জড়িয়ে রয়েছে!

আবার এই দিনটিকে সবাই বড় দিন বলেও পালন করেন, এবং দীর্ঘদিন ধরেই এই ২৫ শে ডিসেম্বর দিনটিকে বড় দিন হিসাবে পালন করে আসচ্ছেন। আপনারা যারা আধ্যাত্বিক অন্বেষণ কারী ব্যক্তিত্বরা আছেন,এই ভিডিও আপনাদেরই জন্য!ভিডিওটি শেষ পর্য্যন্ত দেখবেন,আশা করি আপনাদের জীবনে এক আধ্যাত্বিক জাগরণ হবে! আমি চন্দন কুমার সাহা মোটিভেশানাল স্পিকার,লাইফকোচ, মাইন্ডট্রেইনার, হেলথ এরয়ারনেস ট্রেইনার এবং রাজযোগ শিক্ষক! 

এই ভিডিও জীবন জিজ্ঞাসার এক নতুন দিক উন্মোচন করবে! আচ্ছা বন্ধুগন, শ্রীকৃষ্ণ যেই দিন জন্মে ছিলেন, সেই দিনটিকে আমরা জন্মাষ্টমী হিসাবে জানি! এমন কি প্রতি বৎসর ঐ দিনটিতে জন্মাষ্টমী হিসাবে পালনও করে আসচ্ছি,কৃষ্ণ ও ক্রাইষ্ট রাশী কিন্তু এক! কিন্তু ২৫ ডিসেম্বরটিতে খ্রিষ্টমাস ডের পাশা পাশি বড় দিন হিসাবে পালন করা হয় কন? শুধু তাই নয়, এই দিনটিতে সান্তা ক্লোজের নাম আসবে না তা হতেই পারে না, তা না হলে  খ্রিষ্টমাস পালনই হবে না! 

অনেকের ধারনা, যীশুই অর্থান যীশু খ্রিষ্টই হল সান্তা ক্লুজ, যিনি প্রতি বৎসর ২৫ শে ডিসেম্বর আমাদের পৃথিবীতে আসেন, আর প্রত্যেক কে বিভিন্ন গিফট দিয়ে যান, আনন্দ দিয়ে যান, এই ধরনের মান্যতা রয়েছে, আজ এই যে মান্যতা রয়েছে,তার প্রেক্ষাপটে ,আমার কিছু অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছি মাত্র..... আচ্ছা বন্ধুগন, প্রথমে আমার এক প্রশ্ন- যদি এই দিনটি থেকেই দিন বড় হতে শুরু করে, তাহলে তো দিন বড় হতে হতে এমন এক দিন আসবে, যেই দিন অনেক বড় হবে, 

তাহলে ঐ দিনটিকে কেন বড় দিন বলা হয় না, বাস্তবে তার কোন বৈজ্ঞানিক তথ্য বা যুক্তি আমাদের কাছে নেই,আসলে পরমপিতা পরমাত্মা যাকে গড, আল্লাহ্, জীহোবা, শিব, সন্তাই, ইত্যাদি নামে ডাকা হয়, যিনি সম্পূর্ন নিরাকার, তিনি কলিযুগের রাতকে সত্য যুগের দিন বানানোর জন্য, অর্থাৎ সম্পূর্ন নরক দুনিয়াকে সম্পূর্ন স্বর্গ বানানোর জন্য বা তমোপ্রধান দুনিয়াকে সতোপ্রধান বানানোর জন্য এই ধরা ধামে অবতির্ন হন, আর এই দিনটিকেই তো বড় দিন মনে করা উচিত,বিবেক কি বলে? এতদিন যা শুনে এসেছি তা সত্য? না এখন যা পরমাত্মা বলছেন তা সত্য? 

সেই মহান দিনটিতেই ব্রহ্মার রাত, ব্রহ্মার দিনে পরিনত হয়! বন্ধুগন, তিনি নিরাকার হওয়ার কারনে দাদা লেখরাজ জীর দেহে প্রবেশ করেন, মানব শরীরে প্রবেশ করাকে বাস্তবে, অর্থাৎ গীতাতে পরকায়া প্রবেশ বলা হয়েছে, যদা যদা হী ধর্মস্য গ্লানির ভবতি ভারত এই শ্লোকে আমরা সবাই জানি সবাই পরিচিত সবাইর অনেক ভাবাবেগ রয়েছে..... আমরা যদি আরেকটু ভেবে দেখি তাহলে শান্তা ক্লোজের সঙ্গে আধ্যাত্মিক রহস্যের অনেক সামঞ্জস্য খুজে পাব, প্রথমত লাল টুপি দেখানো হয়েছে,যা আসলে ঈশ্বরের প্রতিক, ঈশ্বর পরমধাম নিবাসি, সেখান থেকে লাল শক্তির শ্রোত শুধু আমাদের প্রদান  করে চলেছেন,মনকে শান্ত করলেই এই শক্তি আমরা অনুভব করতে পারি! 

টুপির শেষ প্রান্তে যে স্টার দেখানো হয়েছে, তা বাস্তবে ব্রহ্মার আত্মার প্রতিক,যে শরীরে পরমাত্মা প্রবেশ করেছেন! সাদা দাড়ি দেখানো হয়েছে, আসলে তা বৃদ্ধ ব্রহ্মার প্রতিক, পরনে যে লাল বস্ত্র রয়েছে তা শিব বাবার প্রতিক, যিনি ব্রহ্মার দেহ রুপী বস্ত্রকে ধারন করেন! অর্থাৎ উনার শরির লোন নিয়েছেন! কোমরে বেলটকে আত্মা পরমাত্মার সাথে কম্বাইন থাকা অবস্থাকে বলা হয়েছে, এই সময়ে আমাদের যে দু:খ,  দুর্দশা, এই সময়ে সারা দুনিয়াতে যে, রাবন রাজত্ব, এই রাবন রাজত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য, আত্মাকে স্মরনের দ্বারা পরমাত্মার সঙ্গে কম্বাইন থাকা একান্ত প্রয়োজন! অর্থাৎ মন্মনাভব  হওয়ার একান্ত প্রয়োজন! আর শান্তা ক্লোজের যে লংবুট দেখানো হয়েছে,অর্থাৎ বুট বা জুতো দেখানো হয়েছে, তা আসলে ব্রহ্মার শরীরের প্রতিক, যেহেতু ব্রহ্মার আত্মা অনেকবার এই পৃথিবীতে জন্মেছেন!

 বন্ধুগন, ভগবানের দেহরুপী বস্ত্র যা চামরায় ঢাকা থাকে, তাকেই তো লংবুট বলা হয়! আর লং বুট তৈরি করতে চামড়ারই তো প্রয়োজন হয় তাইনা? তা আসলে সেই দেহেরই প্রতিক! আর শান্তা ক্লোজের কাঁধে যে লাল ঝুড়ি দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে মিষ্টি, খাবার, চকলেট, ইত্যাদি দেখানো হয়েছে, যা খুশিতে বিতরন করা হয়, এর অর্থ বর্তমানে পরমপিতা পরমাত্মা শিব, ব্রহ্মার মুখের দ্বারা, মধুর জ্ঞান রতœ  উনার সন্তানের উদ্দেশ্যে দান করেন! 

যে খ্রিষ্টমাস গাছটি দেখানো হয়েছে, তার মধ্যে অনেক নক্ষত্র বা স্টার থাকে তা সৃষ্টি রুপী কল্প বৃক্ষকে দেখানো হয়েছে! যাকে চার যুগ বা এক সাথে কল্প বৃক্ষ বলা হয়, সত্য ত্রেতা দ্রাপর কলি, এটিই তার আধ্যাত্মিক রহস্য! সৃষ্টির অন্তিম সময়ে, পরমপিতা পরমাত্মা সমস্ত আত্মাদের কল্যানার্থে এবং তাদেরকে তমোগুনি, প্রভাব থেকে সতগুনি প্রভাবে নিয়ে যাওয়ার জন্য বা আলোকময় বানানোর জন্য, এই সুন্দর মূহুর্তে এই ধরা ধামে তিনি অবতির্ন হন! নক্ষত্রগুলি বাস্তবে লাইটের প্রতিক বা আলোর প্রতিক, যা আত্ম জাগৃতির প্রতিক!

প্রচন্ড দু:খ,কষ্ট আর যন্ত্রনা থেকে মানব সমাজকে মুক্তি দেওয়ার জন্য পরম কুরুনাময় ঈশ্বর, এই মুক্তির বার্তা নিয়ে, এই ধরা ধামে অবতির্ন হন! বন্ধুগন আমরা ধিরে ধিরে অনেক আধ্যাত্মিক রহস্যকে জেনেছি, এই রহস্যকে জেনে আমাদের জীবনকে অনেক অনেক সুন্দর করার সুযোগ আমাদের কাছে এসেছে, এক মেসেজ আমাদের কাছে এসেছে, যদি এই ভিডিওটিকে আপনাদের ভাল লেগে থাকে, তাহলে তাকে আপনারা লাইক করবেন, শেয়ার করবেন, কমেন্ট করবেন, তাকে সাবস্ক্রাইভ করবেন,আর ধিরে ধিরে এই ধরনের ভিডিও আপনারা পেতে থাকবেন! আগামী ভিডিও পযর্ন্ত আপনারা ভাল থাকবেন, আজকের ভিডিও এই পর্যন্ত । 

ধন্যবাদ!


Sunday, September 25, 2022

PATIENCE IS A FRIEND | ক্রোধ শত্রু ধৈর্য মিত্র



একবার এক রাজকুমারের অনেক সখ হল একটি তুতা পাখি পালাবার, তখন রাজাকে অনুরােধ করল যেন তাকে একটি তুতা পাখি এনে দেয়, রাজকুমারের অনুরােধ শুনে রাজা আনন্দের সহিত মন্ত্রিকে আদেশ করেন, খুব শিঘ্রই এক তুতা পাখি নিয়ে আসতে, তখন মন্ত্রি মশায় দেরি না করে, বনে বেড় হলেন, আর সুন্দর এক তুতা পাখির বাচ্চা নিয়ে আসলেন, আর এনে রাজকুমারের হাতে দিলেন, রাজকুমার এতটা খুশি হল যা বলে বুঝানাে সম্ভব হবে না,

রাজকুমার এটিকে খুব যত্নসহকারে বড় করলেন, আর নিজের বস মানিয়ে নিলেন, রাজকুমারও বড় হলেন, তুতা পাখিও বড় হল, একদিন রাজকুমারের বনে শিকার করার জন্য ইচ্ছা হল, তখন তার প্রিয় তুতা পাখিটিকে নিয়ে বেড় হয়ে গেলেন, শিকার খুজে পাচ্ছেন না, খােজ করতে করতে খুবই টায়ার্ড হয়ে গেলেন, আর জল তৃষ্ণা ও প্রচন্ড পেয়েছে, তখন একটি বট গাছের নিচে বসলেন বিশ্রাম করতে, সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পায়, উপর থেকে এক ফুটা এক ফুটা করে জল পরছে, তখন সঙ্গে সঙ্গে রাজকুমার পাত্র বেড় করে সেই জল গুলি সংগ্রহ করলেন, পাত্রটি তৃষা মেটানাের মত জলে পূর্ন হয়েছে, রাজকুমার উৎসাহের সহিত সেই পাত্রটি হাতে নেবে, ঠিক সেই মুহূর্তে, জলে ভর্তি হওয়া পাত্রটি তুতা পাখিটি ফেলে দেয়,

রাজকুমার তখন অনেক ক্রদ্ধ হয়ে গেলেন, আর ক্রোধকে সহ্য করতে না পেরে নিজের হাতে থাকা ধারালাে অস্ত্রটি দিয়ে তুতা পাখিটিকে জোড়ে আঘাত করেন, আর তুতা পাখিটিকে মেরে ফেললেন, আর হয়েছে এমন জলের ফুটাও শেষ হয়ে গেছে, তখন তিনি নিজেই সেই বট গাছটিতে উঠে, যে জায়গা থেকে জলের ফুটা পরছে, সেই জলের উৎস থেকে সরাসরি জল নিতে গেলেন,তখন তিনি দেখতে পান, এক বিশাল আকারের কাল নাগ, তার বিষ ত্যাগ করছে, আর তা জলের ফুটা হিসাবে বট গাছের নিচে পরছে, রাজ কুমার ভয়ে নিচে নেমে যায়, আর তার চোখ পরে সেই আদরের তুতা পাখিটির উপর! তখন সেই তুটা পাখিটি হাতে নিয়ে জোরে জোরে চিৎকার করে বলছে, এ আমি কি করলাম!

বন্ধুগন আপনার কি মনে হয়? এটি কি শুধু একটি গল্প মাত্র?? বন্ধুগন! এর পেছনে অনেক বড় এক মেসেজ লুকিয়ে। আছে, ক্রোধ যে এক বড় শত্রু! আর ধৈৰ্য্য যে এক সত্যিকারের মিত্র! তার উদাহরনই এই গল্পটি থেকে আমরা পেয়ে থাকি, আজ দেখতে পাবেন, যারা ক্রোধের বসে এমন অনেক কাজ করে বসে, পরবর্তিতে সংসার বা পরিবার তাে ছাড় খার হয়ে যাবেই! এমন কি কর্ম দোষে জেলে ও যেতেহয়!যখন ব্যক্তি ক্রোধের বসে কোন এক অন্যায় কাজ করতে যায়, ঠিক সেই মুহূর্তে অন্যায়কারি ব্যক্তির মনে হয়, সামনের ব্যক্তি আমাকে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে, এই মুহূর্তে যা আমার প্রয়ােজন তা দিচ্ছে না,

কিন্তু একবারও তার মনে আসে না, এই দুনিয়াতে আমার বলতে কিছু নেই, যা কিছু আমার ভাবচ্ছি তা বাস্তবে আমার না, যদি এই বিষয়টি বুঝতে পারত তাহলে ব্যক্তি নিজের ক্রোধকে নিজের বসে রাখতে পারত, আরেকটি হল ধৈৰ্য্য! তার তাে তুলনাই চলে না! আজকাল এই দুনিয়াতে যদি কিছু কম থাকে, তাহলে আমার মনে হয় তা হলাে ধৈৰ্য্য, বর্তমান আধুনিকতার যুগে, কম্পিটিশানের যুগে, মানুষ কোন কিছুতেই মন স্থির করতে পারে না,

আপনি যদি শুরুতেই ছাত্রদের কথা ভাবেন, তাহলে দেখা যায় তারা পড়া শুনাতে মন স্থির করতে পারছে না, কোন একটি সাবজেক্ট নিয়ে যখন বসে, কিছুক্ষন পরেই ধৈর্য হারিয়ে, অন্য সাবজেক্টে মন দিতে যায়, কিছুক্ষন পড়লেই মন চঞ্চল হয়ে যায়, পড়া থেকে দ্রুত উঠে যায়! শুধু ছাত্ৰই না, পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই আজ, এক অস্থিরতা বয়ে চলছে, কোন কাজেই মন বসচ্ছে না, একটি কাজ যদি শুরু করে তা সম্পূর্ন না করেই অন্য কাজ শুরু করে, এর ফলে কোন কাজই সম্পূন হয় না, এর ফলে কাজের অস্থিরতা আর বেড়ে যায়,

কিন্তু প্রশ্ন হল কিভাবে নিজেকে সার্বিক ভাবে কন্ট্রোল করা যাবে? বন্ধুগন নিজেকে কন্ট্রোল করতে হলে প্রথমে নিজের মনকে কন্ট্রোল করা জানতে হবে! আর তা হবে একমাত্র নিজের পরিচয়কে জানার মাধ্যমে! নিজের সঠিক পরিচয় পাওয়ার মাধ্যমে, আমি যা বুঝাতে চাইছি অনেকে হয়তাে বুঝে গেছেন আসলে আমি আপনার বাহ্যিক পরিচয়টিকে বুঝাতে চাইছি না, আপনার অভ্যন্তরে বসে থাকা সেই শক্তিকে বুঝাতে চাইছি, যাকে আমরা আত্মা বলে জানি,আর সেই আত্মার পরিচয়কে জানার সহজ উপায় হল আত্ম জ্ঞান বা আত্ম অনুভুতির দ্বারা, যা মেডিটেশানের মাধ্যমেই সম্ভব!


11 Benefits of Apple | আপেল এর ১১টি স্বাস্থকর গুনাগুন |




আপেল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি? আমরা অনেকে জানি, অনেকে জানিনা! একজন বিখ্যাত ডায়েটিশিয়ান আপেলের ১১টি গুনাগুন বা সুবিধা বলেছেন! আজকে এই বিষয়টি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবাে! বাস্তবে আপেল স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।

আসুন বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পাওয়া, তথ্য থেকে জেনে নেই, আপেল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি, এবং এর উপকারিতা কি কি হতে পারে? আপেল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটি? ডায়েটিশিয়ান কামিনী কুমারী বলেন, আপেল যে কোন সময় খাওয়া যেতে পারে এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী তবে আপনি যদি সকালে খান, তবে এটি আপনাকে আরও উপকার দেবে আসলে, আপেলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার এবং পেকটিন থাকে এমন অবস্থায় রাতে এটি খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে এতএব, সকালে এটি খাওয়া আপনার জন্য প্রকৃত সময় হতে পারে আপনি যদি প্রতিদিন সকালে আপেল খান, তবে এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে।

চলুন জেনে নেই এই বিষয়ে সকালে আপেল খাওয়ার উপকারিতা:

১)কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রন করুন, আজকাল অনেকের অনিয়ন্ত্রিত কোলেস্টেরল রয়েছে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা, হৃদরােগের ঝুঁকি বাড়ায়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধির কারনে, মানুষ অল্প বয়সেই হৃদরােগে আক্রান্ত হয়, ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, প্রতিদিন সকালে আপেল খেলে, কোলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়, এছাড়াও, যদি আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বেড়ে যায়, তবে আপনি আপেল, সিদ্ধ করার পরেও এটি খেতে পারেন।

২. কোষ্ঠকাঠিন্যে উপশম:- কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের সমস্যায় ভােগা রােগীদের জন্য, আপেল খাওয়া উপকারী হতে পারে আসলে আপেলে রয়েছে ফাইবার, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্য হলে সকালের নাস্তায় আপেল খেতে পারেন এছাড়া আপেলের মােরব্বাও খেতে পারেন

৩. দাঁত সুস্থ রাখুন:আপেল দাঁত সুস্থ্য রাখতে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করতে পারে আসলে, আপেলে আছে ফাইবার, যা আপনাকে দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে একই সময়ে, এতে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাসের বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তাই এটি ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া দূর করতে পারে। সকালে আপেল খেলে মুখের লালার পরিমান বেড়ে যায়, যার ফলে আপনি পায়ােরিয়ার অভিযােগ এড়াতে পারেন।

৪.অ্যাজমা রােগীদের জন্য কার্যকর:অ্যাজমা রােগীদের জন্য আপেল খাওয়া উপকারী অনেক গবেষনায় জানা গেছে, যে আপেল খেলে হাঁপানির আক্রমন কমানাে যায়। ডায়েটিশিয়ানরা বলেছেন, আপেলে যথেষ্ঠ পরিমানে,ফ্ল্যাভােনয়েড রয়েছে, যা ফুসফুসকে শক্তিশালী রাখতে কার্যকর গবেষণায় এটাও প্রমানিত হয়েছে যে, যারা নিয়মিত আপালের জুস পান করেন, তাদের ফুসফুসের রােগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
৫. পাচনতন্ত্রকে শক্তিশালী:- আপেল হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী রাখতে উপকারী হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, আপেলের ক্ষারত্ব, লিভারকে শরীরের বিশুদ্ধকরনে ক্ষারত্ব লিভারকে শরীরের বিশুদ্ধকরণে সাহায্য করতে পারে, এছাড়া সকালে আপেল খেলে, শরীরের পি এইচ লেভেল, নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। এটি আপনার পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে। পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করে পেট সংক্রান্ত অনেক রােগ দূরে থাকে, এছাড়াও, এটি রােগের সাথে লড়াই করতে সহায়তা করে।

৬. পাথর প্রতিরােধ:কিডনিতে পাথরের সমস্যা এড়াতে, প্রতিদিন সকালে আপেল খেতে পারেন এটি আপনার জন্য খুবই উপকারী হতে পারে। প্রতিদিন একটি আপেল, আপনাকে পাথরের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারে। তাই বেশিরভাগ চিকিৎসক প্রতিদিন একটি আপেল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

৭)ওজন কমাতে সহায়ক:সকালে আপেল খাওয়া আপনার শরীরের ওজন কমাতে পারে আসলে আপেল ফাইবার সমৃদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে আপনি যখন সকালে এটি খান, তখন আপনার বার বার ক্ষিদা লাগবে না। এমন পরিস্থিতিতে আপনি যখন সকালে আপেল খান, তখন আপনার খাবারের প্রতি আগ্রহ কম থাকে। যার কারনে আপনি ওজন কমাতে পারেন।

৪.আলঝেইমার রােগ প্রতিরােধ করুন: (মস্তিষ্ক সংক্রান্ত রােগ অর্থাৎ ভুলে যাওয়া) প্রতিদিন সকালে আপেল খেলে অ্যালঝাইমারের মতাে গুরুতর সমস্যা প্রতিরােধ করা যায়। আসলে, আপেল খাওয়াতে, মস্তিষ্কের কোষগুলােকে সুরক্ষা করে। এতে আলঝেইমার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

৯. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় ও মুখের উজ্জলতা বৃদ্ধি:- প্রতিদিন সকালে আপেল খেতে পারেন প্রতিদিন সকালে আপেলের রস খেলে, মুখের সাদা দাগ কমে যায় এটি আপনার মুখের অতিরিক্ত মেদও কমানাে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন একটি করে আপেল খান।

১০. হাড় মজবুত:আপেলে ফাইবারের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও প্রচুর পরিমানে রয়েছে। আপনি যদি প্রতিদিন আপেল খান তাহলে আপনার হাড় মজবুত হতে পারে। এছাড়া এটি শারীরিক ক্লান্তিও কমায়।

১১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন করুন:- আপেল ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে উপকারী। আপেল আপনার শরীরের রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে আপেলে উপস্থিত পুষ্টি উপাদান, শরীরে গ্লুকোজের অভাব পূরন করতে সাহায্য করে। শরীরে গ্লুকোজ সরবরাহের কারনে, আপনার ইনসুলিন নেওয়ার দরকার নেই। তাই, আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে অবশ্যই প্রতিদিন সকালে ১টি করে আপেল খান আপেল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে আপনি যে কোনাে সময় এটি গ্রহন করতে পারেন,তবে সর্বাধিক উপকারের।

জন্য এটি সকালে খাওয়া যেতে পারে একই সময়ে, রাতে অল্প পরিমানে আপেল খাওয়ার চেষ্টা করুন এই তথ্যের যথার্থতা, সময়ােপযােগীতা এবং সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক

প্রচেষ্ট করা হয়েছে, যদিও ‘চন্দন নিউ ওয়ার্ল্ড এর নৈতিক দায়িত্ব নেই। আপনারা দয়া করে কোন প্রতিকার চেষ্টা করার আগে আপনারা ডাক্তারের সাথে । পরামর্শ করার জন্য অনুরােধ করছি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আপনাকে তথ্য প্রদান করা!



PRIDE IS THE CAUSE OF DOWNFALL | মাছি আর হাতির গল্প | CHANDAN NEW WORLD

  



মিথ্যা অভিমান, একটি হাতি আপন গতিতে খুব সুন্দর ভাবে চলছিল হঠাৎ একটি মাছি, হাতির উপর এসে বসলাে, হাতি বুঝতেই পারে নি, মাছি কখন বসেছে, মাছি অনেক ভন ভন শব্দ করছিল, আর বলছে ভাই! আমাকে নিয়ে চলতে তুমার যদি কোন, সমস্যা হয়, তাহলে আমাকে বলবে কিন্তু, কারন আমার ওজন নেহাত কম নয়, কিন্তু হাতি কিছু শুনতেই পায়নি, ঠিক ঐ সময় হাতিটি এক ব্রিজের উপর দিয়ে যাচ্ছিল, নীচে অনেক বড় পাহাড়ি নদী ছিল, ভয়ঙ্কর গর্ত ছিল, মাছি বলছিল দেখ ভাই,আমার কিন্তু ভয় হচ্ছে? আমরা দুইজন!

ব্রিজের উপর দিয়ে যাচ্ছি, ব্রিজ ভেঙ্গে যাবে না তাে? ভাই যদি এমন কিছু ভয় মনে হয়, তাহলে আমাকে আগে থেকেই কিন্তু বলে দিও, আমার কাছে পাখা আছে আমি উরে যেতে পারব, ওজনটা অনেক কমবে,তুমি সচ্ছন্দে ওপার যেতে পারবে! হাতির কানে হালকা হালাক ভন ভন শব্দ আসে, কিন্তু সে তাতে কোন ধ্যান দেয় নি, এখন মাছির যাওয়ার সময় এসে গেছে, সে বলেছে যাত্রা অনেক আনন্দ পূর্ন হয়েছে, তুমি আমার খুব কাছের বন্ধু হয়েছ, আমি এখন যাচ্ছি !

কিন্তু কোন কাজে যদি আমার দরকার পরে, তাহলে আমাকে বলবে আমি তােমাকে সাহায্য করবাে, তখন মাছির শব্দ হালকা হালকা হাতির কানে আসে, হাতি বলল তুমি কে? তাতাে আমি জানি না, কখন এসেছ? তাও আমি জানি না? কখন আমার শরীরে এসে বসেছ , কখন আর উরে গেছ তা আমি কিছু বুঝতেই পারিনি, মাছি, হাতির ঐ উক্তিতে লজ্জিত হয়ে উড়ে গেল! বড় বড় সাধু সন্তরাও নিরহংকারী হয়ে বলে, আমরা ও ঠিক মাছির মতই , এত বড় পৃথিবীর মধ্যে, থাকা আর না থাকার কোন পার্থক্যই পরে না, হাতি আর মাছির অনুপাতের থেকেও অনেক ছােট,বিজ্ঞানী এত জ্ঞানী হয়ে ও বলেছেন আমার জ্ঞান সমুদ্রের এক বালু কনার চেয়ে ও কম, সাধুরা আরও বলে ,আমরা আর ব্রহ্মান্ডের অনুপাত,আমরা না থাকলেই বা পৃথিবীর কি হবে !

কিন্তু আমরা অনেক বড় হইচই করতে থাকি,এই হইচই কিসের জন্য? গল্পটিতে মাছি হাতির সাথে নিজেকে সমান করতে চেয়েছে, নিজেকে হাতির সাথে তুলনা করতে থাকে, একবারও ভাবে নি হাতির তুলনায় নিজের স্থিতি কি? আমাদের অহংকার একা বাচতে পারে না, অন্যরা যদি তাকে বিশ্বাস করে, তবেই অহংকার বেচে থাকতে পারে !

সাধু সন্তরা বলেন আমরা বস্ত্র পরিধান করি অন্য ব্যক্তিকে দেখানাে জন্য, স্নান করি এবং নিজেকে সজ্জিত করি কারন অন্য ব্যক্তি যাতে আমাদের সুন্দর বলে, ধন সম্পদ জমা করি , ঘর তৈরি করি অন্য ব্যক্তিকে দেখানাের জন্য, অন্য ব্যক্তি যাতে দেখে আর স্বিকার করে যে তুমি এক বিশেষ ব্যক্তি না কোন সাধারন লােক,সাধুরা বলে তুমি মাটির দ্বারাই তৈরি হয়েছ !

আর মাটিতেই মিশে যাবে, তুমি অজ্ঞানতার কারনেই নিজেকেই বিশেষ দেখাতে চাইছ, তা নাহলে তাে, তুমি শুধু এক মাটির পুতুলই কেবল, তা ছাড়া আর কিছুই না, অহংকার সব সময় এটিই খােজ করতে থাকে, যাতে কোন ব্যক্তি এমন ভাবেই আমাকে আশ্রয় দেয়, বিদ্বানরা বলে, মনে রাখবে আত্মা চলে যাওয়ার পরই এই মাটির পুতুল মাটিই তৈরি হয়ে যাবে, এই জন্যই আপনাদের ভুল অহংকারকে ছেড়ে দিন,আর সকলের সম্মান করুন।


ধন্যবাদ..

Monday, September 12, 2022

How to manage your family, Best Knowledge to control family



স্বংসারই বলেন, আর পরিবারই বলেন, গড়তে তাে অনেক কষ্ট, তার জন্য যেমন প্রয়ােজন পরিশ্রম, তেমনি প্রয়ােজন সময়, তার পাশা পাশি প্রয়ােজন। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত, এর পাশা পাশি আমি আরও বলতে পারি সঠিক আচারন, কিন্তু স্বংসার ভাঙ্গতে কি কোন পরিশ্রমের প্রয়ােজন আছে? স্বংসার ভাঙ্গতে না প্রয়ােজন আছে পরিশ্রম, না প্রয়ােজন আছে সঠিক সময়ের, না সঠিক আচরনের। কিন্তু আজকে এই বিষয় গুলি আপনাদের সাথে আলােচনা করার উদ্দেশ্য কি? কি পাওয়া যাবে এই ভিডিওটি দেখে? দেখুন বন্ধুগন, যারা আজ স্বংসারে শান্তি পাচ্ছেন না, প্রতি মুহুর্তে বিভিন্ন অশান্তি স্বংসারে লেগেই আছে, তারা হয়তাে তার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা ও করেছেন, হতে পারে তা সামাজিক সালিশি সভার মাধ্যমে, নয় তাে কোন স্বংসারে শান্তির জন্য পূজা পাঠ করা, বা হতে পারে কোন এস্ট্রোলজির থেকে নিজের বর্তমান সময়ের পরিস্থিতির প্রতিকার করা,

যাই হউক দেখা গেছে এত সব কিছু করা সত্যেও স্বংসারে শান্তি আসচ্ছেনা, আসলে যারা এই ধরনের সমস্যার স্বিকার হচ্ছে, তারা হয়ত এই সমস্যাটির মূলে কি রয়েছে, কেন হচ্ছে, তা জানে না, বন্ধুগন আজকাল বিভিন্ন মিডিয়াতে এই ধরনের সমস্যা প্রচুর দেখা যাচ্ছে, আমি এমন অনেক ঘটনার তথ্যগুলিকে এক সঙ্গে করে এক সুত্র পেয়েছি, যেই সুত্রটি আপনারা জানতে পারলে, আমি নিশ্চিত, যদি আপনার স্বংসারে এই ধরনের সমস্যা চলে থাকে তার সমাধান পেয়ে যাবেন, এমন কি যদি আপনি ও চান আপনার স্বংসারকে দির্ঘদিনের জন্য এক স্থায়ি পিলার তৈরি করতে, তাহলে এই ভিডিও টি আপনার জন্য ১০০% পাফেক্ট হবে।

এর মধ্যে প্রথম কারন হতে পারে, নিজের অহংভাবকে না বুঝতে পারা,এমন অনেক পরিবারেই দেখা গেছে যারা নিজের চিন্তাভাবনাকে সঠিক, উত্তম আর অধিক গুরুত্ব বলে মনে করেন, নিজেকে অনেক বুদ্ধিমান বলে মনে করেন, ভাবেন আমি এখন যা ভাবছি তা আজকে দিনে সঠিক সিদ্ধান্ত, নিজেকে অনেক বুদ্ধিমান বলে মনে করে যে অহংকার করছে, তা কিন্তু তারা অনুভব করতে পারে না, এই সব লােক অন্য ব্যক্তির অহংকারকে সবাইর চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চায়, ঐ দেখ সে অহংকার করছে , কিন্তু তারা নিজেই যে অহংকারের স্বিকার হচ্ছে তা তারা উপলােব্দি করতে পারে না, এর ফলে পরিবারের অন্য সদস্যদের চিন্তাভাবনার কোন গুরুত্বই দেয় না, এমন কি পরিবারের অন্য ব্যক্তিদের ফিলিং ও বুঝতে চায়না, আর পরিবারের অন্য সদস্যদের চিন্তা ভাবনাকে গুরুত্ব না দেওয়াই, মতানৈক্যের শুরু হয়, ধিরে ধিরে সংসারে ফাটল দেখা দেয়,

দ্বিতীয় কারন হতে পারে, নিজের বয়সের সঙ্গে যা যা ভুমিকা নেওয়া, তা নিতে পারেনা, এমন অনেক পরিবারেই দেখা যায় পরিবারের যিনি কর্তা সে হতে পারে, কোন একজনের স্বামি, বা হতে পারে কেউর পিতা, বা বড় ভাই, আর সেই বয়জেষ্ঠ হওয়ার কারনে প্রথম থেকেই সে অন্যদের উপর সব সময়, নিতি আদর্শ, কর্তব্য অকর্তব্য ঐ সব বিষয়ে শাসন করতে থাকে, কিন্তু সে ভুলে যায় তার বয়স হয়ে গেছে, তার ও যে ছেলে রয়েছে, সেও কোন একজনের স্বামি বা কেউর পিতা হয়ে গেছে, তাই তার উপর এখন শাসন করার পরিবর্তে তার থেকে পরামর্শ নেওয়া প্রয়ােজন, কিন্তু তা না করে বয়সের সাথে সাথে নিজের ব্যবহারকে পরিবর্তন করতে পারে না,

তৃতিয় কারন হতে পারে আপনার নিজের কষ্টকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে শেয়ার করার সময় শুনতে বাধ্য করা, যেমন ধরেন, আপনি কত পরিশ্রম করে অর্থ উপর্জন করছেন, অনেক কষ্টকে সহ্য করে স্বংসারকে চালাচ্ছেন, সেই বিষয়ে প্রতিমূহুর্তে অন্য ব্যক্তিদেরকে স্মরন করিয়ে দেওয়া, এবং নিজেকে জাহির করা, এবং অন্য সদস্যদের ভুমিকাকে অস্বিকার করা, এই গুলির ফলে পরিবারের অন্য সদস্যদের আপনার প্রতি বিতৃষ্ণা ভাব তৈরি হয়ে যাবে, তা পুরুষ মহিলা যেই কোন ব্যক্তিই হতে পারে, আপনাদের নিজের কষ্টকে বার বার শুনাতে হবে না, একটি স্বংসার শুধুই একজনই সুন্দর করতে পারে না, তার জন্য প্রত্যেকের ভুমিকা রয়েছে, হয়তাে কোন একজনের ভুমিকা চোখে পরে, আরেক জনের ভুমিকাকে চোখে পরে না,

চতুর্থ কারন হতে পারে পরিবারের উত্তরাধীকারদের আসার পূর্বে পরিবারের সঠিক প্লেন না করা, এই বিষয়টির মানে একদম সহজ, আজকাল দেখা যায়, পরিবারের বেকগ্রাউন্ড, তা হতে পারে অর্থ, ধন সম্পদ,পরিবারের আই ব্যয়, চাহিদা সার্বিক পরিস্থিতির চিন্তা না করে পরিবারে নতুন সদস্যকে নিয়ে আসা, এর ফলে প্রতিদিনের চাহিদার সাথে ভারসাম্যকে রক্ষা করা সম্ভব হয় না, এমনও দেখা গেছে ১০০% পরিশ্রম করা সত্যেও ১০০% চাহিদা পূর্ন করা সম্ভব হয় না, এর ফলে চাহিদা দিন দিন বেড়ে যায় আর মানসিক চাপ বেড়ে যায়, আর তার প্রভাব স্বংসারের উপর পরে

৫মত পরিবারে সঠিক আদর্শ শিক্ষা, বন্ধুগন আজ কাল যে সব স্বংসারে অশান্তি দুঃখ যন্ত্রনার স্বিকার হচ্ছে তার প্রধান কারন আপনি বলতে পারেন সঠিক আদর্শ শিক্ষা, আসলে স্বংসারকে জোড়তে অনেকের সাহায্য প্রয়ােজন, কিন্তু ভাঙতে একজন ই যতেষ্ঠ, তাই স্বংসারের বাতা বরনকে এমন তৈরি রাখতে হবে, যাতে স্বংসারের প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে সঠিক নিতি আদর্শ বিরাজ করে, অনেকের মনে প্রশ্ন হতে পারে সঠিক আদর্শ বলতে কি বুঝায়? আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয় তাহলে আমি বলব, প্রথমত যান্ত্রিক জীব থেকে আধ্যাত্মিক জীব তৈরি করা, উদাহরন যদি দেখি জন্মের পর থেকে মানুষকে এমন ভাবে শিক্ষা দেওয়া শুরু হয়, যাতে কম্পিটিশানে সকলের আগে থাকে, সকলকে হাড়িয়ে নিজে ফাস্ট হয়ে যায়, তাদেরকে এমন শিক্ষা দেওয়া হয় না যদি কম্পিটিশান করতে হয়, তাহলে নিজের সাথে কম্পিটিশান করা উচিত, অন্য ব্যক্তির সাথে না, নিজে কতটা উন্নত হয়েছ, কতটা পরিবর্তন করতে পেরেছ তার উপর ফোকাস কর,

এটি যদি শিক্ষা না দেওয়া হয় তাহলে কি হয়, তাহলে অন্য ব্যক্তি থেকে নিজেকে অনেক বড় মনে করে, আর অন্যদের কোন সম্মানই দেবে না, যার প্রভাব ধিরে ধিরে নিজের পরিবারেও পরতে থাকে, ঐশ্বরীক চিন্তা ভাবনা এক বড় প্রভাব তৈরি করে ব্যক্তির মনে, সব সময় নিজের মনকে শান্তিতে রাখা, অন্য ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়া, অন্যের খুশির জন্য নিজের খুশিকে সেক্রিফাইস করা, যার প্রভাব সংসারের উপর পরে, যার ফলে স্বংসার সব সময়ে খুশি আর আনন্দে থাকে, অনেকে হয়ত বলবে আরে না, এ ছাড়াও আর কিছু ঘটনা রয়েছে, যেই গুলির কারনেই আজ স্বংসারে এই সব অশান্তি দেখা দিচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলব, যেই সংসারে আজ অশান্তি দেখা দিচ্ছে, তাদের স্বংসারে যদি এই পাঁচটি সিস্টেম ফলাে করে তাহলে বিকল্প আর কোন কারনই দেখা দেবে না, আর যদি ফলাে না করে তাহলেই অন্য কারন দেখা দেবে..


Friday, September 9, 2022

Service to man is Service to God | Easy way to find real God



একবার হয়েছে এমন, শহরে থাকা এক মা তার ছেলেকে বিয়ে করায় গ্রামের এক শিক্ষিত ভদ্র পরিবারের ভদ্র মেয়ের সাথে, যার নাম ছিল লক্ষ্মি। বিয়ের কিছুদিন পর শাশুড়ি মা তাকে বলল লক্ষ্মি কালকে আমরা এক মায়ের মন্দিরে যাব, তখন লক্ষ্মি চমকিয়ে উঠে বলল মা আমি তাে জানি আমাকে যে জন্ম দিয়েছেন জন্ম দায়ীনি মা তিনি একজন, আর আপনি আমার শাশুড়ি মা, আমার আপন মায়েরই মত, আর তৃতিয় মা কে? তা তাে আমি জানি না। তখন শাশুড়ি মা ভাবচ্ছেন আরে আমার ছেলেটার জন্য কি বউ নিয়ে আসলাম সে এই মন্দিরের মাকেই জানে না, তখন মনে মনে সে চিন্তিত হল এবং ভাবতে লাগল বউ বােকার মত কথা বলছে কেন! বউ জানি কেমন হয়। তখন বলল দেখ বউমা তােমার নামও লক্ষ্মি তােমার কর্ম ও চিন্তাভাবনা যদি লক্ষ্মির মত না হয় কে তােমাকে ভাল বলবে বল! দেখ গ্রামের সমস্ত লােকেরা কালকে কাল এই দুর্গা মায়ের মন্দিরে যাবে, সেই মন্দিরে মা স্বয়ং জাগ্রত তুমি যাই বল যাই প্রার্থনা কর সব মনস্কামনা পূর্ন করে,

লক্ষি চমকিয়ে গিয়ে শাশুড়ি মায়ের দিকে তাকাল, শাশুড়ি মা বলল হা তা সত্যি? তাই সত্য আমরা তাে দীর্ঘদিন ধরে মেনে এসেছি, পর দিন সকালে স্নান করে ভাল নতুন শাড়ি পড়ে শাশুড়ি এবং বউ রউনা দিল মন্দিরের দিকে মন্দির টা অনেক বড় জায়গা নিয়ে চতুর দিকে প্রাচীর আর প্রাচীরের গায়ে তাে বিভিন্ন চিত্র অঙ্কন করা আছে যখন শাশুড়ি আগে আগে যাচ্ছে বউ পিছে পিছে যাচ্ছে তখন শাশুড়ি মাকে বউ হতাৎ বলল মা দেখুন দেখুন এক গরুর বাছুর দুধ খেয়ে ফেলছে আরে আরে কার জানি এই গরু তার মালিকের কি সর্বনাস হবে তখন শাশুড়ি মাকে বলল একটু দাড়ান আমি তারা তারি ঘর থেকে একটি বালটি নিয়ে আসচ্ছি, বাছুরটাকে সরিয়ে আমি এই গাইটাকে দোয়াব তা না হলে তার মালিক মাথায় হাত দিবে, তখন শাশুড়ি মা বলল আরে বউমা পাগল হয়ে গেছ না কি আরে এটাতাে এক পাথরের তৈরি চিত্র, এটাতাে কোন রিয়েল না এই বাছুর তাে কোন দুধ খাচ্ছে না, আর তুমিও গিয়ে তাকে ধুইতে পারবে না, বলল তাই না কি, এই কথা বলে বউকে মানিয়ে আবার আবার সামনে চলতে শুরু করল তার পর যখন মন্দিরে ডুকার সময় হল তখন সেই লক্ষ্মি দেখল একটা বাঘের মুর্তি তখন লক্ষ্মি আর সামনে যাচ্ছে আর বলছে মা এই বাঘটা আমাকে খেয়ে ফেলবে আর আপনিও যাবেন না, তখন শাশুড়ি মা বলল আরে বউমা তােমার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে আমার ছেলের জীবনটা বিষিয়ে দেবে না কি, আরে কোথা থেকে তােমাকে ধরে নিয়ে আসলাম আমিতাে গ্রাম থেকে লক্ষ্মিকেই তােলে নিয়ে আসলাম আমি এনেছি এই স্বংসারে আমার ঘরে শান্তি হবে সুখ হবে,

আর তুমি একি বলছ তুমি তাে লেখা পড়া জান, আর এটাতাে আসল বাঘ বা সিংহ না, এটা তাে নকল বাঘ বা সিংহ তখন বউ বলল ঠিক আছে। তখন ধিরে ধিরে শাশুড়ি মা গেল মন্দিরের দিকে এবং বউ ও গেল মন্দিরে তার পর শাশুড়ি মা লক্ষ্মিকে বলল মাকে প্রনাম করে তুমি কামনা কর প্রার্থনা কর, তখন বলল মা এটা তাে পাথরের মুর্তি যেমন সেটা ছিল পাথরের গরু পাথরের বাছুর আমি গেলাম রিয়েল মনে করে দুধ দোওয়াতে তখন আপনি নিষেধ করলেন আবার ঐটা যেমন ছিল পাথরের বাঘ তাই আমাকে খেতে পারবে না তাহলে এটাও তাে পাথরের মূর্তি তা কি ভাবে আমার মনের আশা পূর্ন করবে? আর আপনি তাে চৈতন্য আমার মা আপনাকে বরং প্রনাম করছি আর সেই মাকে আমি অশ্রদ্ধা করছি না মানুষ মানছে মানুক কিন্তু আমার কাছে যুক্তি আছে সেই বিচার আছে সেই ভাবনা আছে আমার মন পরিষ্কার আছে আমি জানি আপনি আমার আসল মা আপনি চৈতন্য আপনি পারবেন আমাকে আর্শিবাদ করতে আসলে বন্ধুগন এটা এক সুন্দর মেসেজ আমাদের কাছে আমরা মন্দিরে যায় কোন আপত্বি নেই, যারা যাচ্ছে তাতেও কোন আপত্বি। নেই কিন্তু ঈশ্বর যদি প্রাপ্তি করতে হয় তাহলে মন্দিরে যেতে হবে না মানুষের মধ্যে খােজ, বীবেকানন্দ বলে গেছেন ‘জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর ,

বাস্তবে এই কথাটি অভ্রান্ত আজকে সারা পৃথিবীর মানুষ এই কথাটি নিয়ে রিসার্চ করছে আজকে যদি ঈশ্বর প্রাপ্তি করতে চান তাহলে অসহায় মানুষদের সাহায্য করুন, অসমর্থ মানুষের পাশে দাড়ান, গরিব মানুষকে খাদ্য দিন, অন্ন দিন বস্ত্র দিন সমাজ স্বংসারকে সেবা করুন মানব সেবাই হল মাধব সেবা, মাধব মানে ভগবান। মানবের মধ্যেই ভগবানের শক্তি লােকিয়ে আছে মানুষের সেবা করাই মাধবের সেবা করা আর গীতাতেও ভগবান বলছে কর্মই হল পূজা প্রত্যেক মানুষের মধ্যে যে আত্ম স্বরুপ অথাৎ স্বয়ং আত্মা বিরাজমান।


আর সেই আত্মা স্বরুপই হচ্ছে আমাদের পরমাত্মা যাকে ঈশ্বর বা | ভগবান বলে জানি। তিনি এই সংসারে পাঠিয়েছেন এবং যিনি উপর থেকে সাক্ষ্যি হয়ে সব কিছু স্বংসারকে দেখছেন, যাকে ভিন্ন ধর্মে ভিন্ন ভিন্ন নামে জেনে থাকে কিন্তু তিনি এক এবং অভিন্ন বাকি মন্দির মসজিদ গুরুদোওয়ার হল আমাদের মানষিক। শান্তি প্রদানের স্থান সেখানে গিয়ে আমরা মানসিক শান্তি অনুভব করতে পারি, আর ভগবান প্রাপ্তি করা হল মানুষের থেকে দুঃখ দুদর্শাকে দূর করে শান্তি প্রাপ্তির রাস্তা দেখানাে।


বন্ধুগন এই ছােট্ট গল্পটি যদি আপনাদেরকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দিতে পেরেছে বলে মনে হয় তাহলে দয়া করে একটি লাইক করুন আর কমেন্ট করুন এই গল্পটি থেকে কি শিখতে পেরেছেন হা তবে | এই চেনেলটিকে সাস্ক্রাইভ করে রাখুন যাতে যখন পরবর্তি প্রােগ্রামটি আসবে তা যেন সবার আগে আপনি দেখতে পারেন,


rajyogpathshala

 www.rajyogpathshala.com