Today people are getting everything they want but after getting so much they feel lack of peace. They think that if our dreams come true then maybe we will get peace. But I think if you don't create peace within yourself then you can't get peace even if you have everything. Someone has said a beautiful quote "Birth and death are not in our hands it is entirely in God's hands but how to live between these two is entirely in our own hands". Rajyoga Pathshala brings this positive energy to you to r
এই চিঠিটির শুরুতেই লেখা আছে, আমি অপেক্ষা করে থাকব, সারা জীবন। আমি অপেক্ষা করে থাকব, হয়েছে এমন তুমি যখন ঘুম থেকে উঠলে আমি তুমার বিছানার পাশে দাড়িয়ে ছিলাম এবং ভাবছিলাম তুমি ঘুম থেকে উঠেই আমাকে ধন্যবাদ দিবে আমাকে স্মরন করবে, তুমি তারা তারি ঘড়ির দিকে দেখলে এবং দৌড়ে চলে গেলে ফ্রেস হতে স্নান সেরে ড্রেস পরলে তার পর তােমার প্রচন্ড খিদা পেয়েছে চলে গেলে দৌড়ে কিচেনের দিকে তখন তােমার খাবার পরিবেশন করা হল তুমি তারা তারি খেতে থাকলে এবং তুমার উদর যখন পুর্তি হল তখন আমি ভাবলাম এখন হয়তাে তুমি আমাকে
স্মরন করবে, কিন্তু তখনও আবার তাকালে ঘড়ির দিকে তােমার অনেক | বেলা হয়ে গেছে অফিসে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে তুমি দৌড়ে বের হচ্ছ ঘর থেকে, ব্যাগ নিচ্ছ ফাইল নিচ্ছ আর দৌড়ে তুমি ছুটছ তার পর হতাৎ
দৌড়ে এসে দরজায় এসে দাড়ালে ভাবলাম হয়তাে এইবার তুমি আমাকে স্মরন করবে তুমি তারা তারি ঘরের বাইরে চলে গেলে এবং গাড়ির কাছে গিয়েও আবার দৌড়ে তুমি ঘরে ফিরলে আমি ভাবলাম আগে তাে ভুলে গেছ স্মরন করতে এইবার হয়তাে আমার কথা স্মরন করতে ঘরে এসেছ, নিশ্চয় তুমি আমাকে স্মরন করবে কিন্তু তুমি তাও করলে না, তুমি ঘরে আসলে ঘরে এসে তােমার ফেলে যাওয়া মােবাইলটি নিয়ে ঘর থেকে সুজা
ধন্যবাদ দেবে আমাকে স্মরন করবে না তারা তারি করে তুমি বাড়িতে ফিরলে তখন তুমি খুব ক্লান্ত হয়ে গেলে তার পরও আমি আসা করেছি তুমি আমাকে ধন্যবাদ দেবে আমাকে স্মরন করবে তুমি দৌড়ে গেলে ফ্রেস হতে ফ্রেস হয়ে আসলে তােমার ক্লান্তিটা অনেক দূর হল তখন আমি ভাবলাম এইবার হয়তাে আমাকে স্মরন করবে কিন্তু না তখন তুমি কি করলে তুমি রিমােট নিয়ে বসে গেলে তােমার প্রিয় টিবির পর্দায় তখন তুমি এক এক | করে চেনেল ঘােরাতে লাগলে তােমার প্রিয় সিরিয়েল তােমার নিউজ চেনেল তােমার ক্রিকেট ম্যাচ এই ভাবে পর্দা ঘুরাতে ঘুরাতে ১০টা ১১টা বেজে গেল আর তুমি এই টিবির সামনেই তুমি ডিনারকে সেরে নিলে তার পর তুমার ১১টা বেজে গেল এই বার ভাবলাম অবশ্যই তােমার সারা দিনে একাবার ও
স্মরন করনি এইবার তুমি আমাকে অবশ্যই স্মরন করবে না তােমার খুব | ক্লান্তি এসে গেছে তুমি ঘুমে আচ্ছন্ন তার পর তুমি চলে গেলে বেড রুমে
তার পর তুমি কখন যে শুয়ে গেল তুমি নিজেই জান না, তার পর আমি দূর। থেকে মুচকি হাসলাম এবং আমার যে অভিমান সব কিছু ভুলে গেলাম আবারও আমি পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করে রইলাম, আবারও পরের
দিন তুমি উঠলে একই ভাবে তুমি ব্যস্ত হয়ে পরলে সারা দিন এই ভাবেই চলে গেল কিন্তু আমি আশা ছারি নি আমি এখনও অপেক্ষায় আছি, | প্রয়ােজনে আমি সারা জীবন অপেক্ষা করতে থাকব, তাে বন্ধুগন এই চিঠিটা আপনাদের মধ্যে কার আমি জানি না, আশা করি যার উদ্দ্যেশে এই চিঠিটা আপনারা বুঝে গেছেন। | আসলে যিনি আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে পাঠানাের আগে থেকেই আপনার যা যা প্রয়ােজন কখন কোন কোন পরিস্থিতিতে কি কি ভাবে মােকাবিলা করবেন তার তার সব ব্যবস্থা করে রেখেছেন,আর জন্মের পর আমাদের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এমন হয় উনাকে স্মরন করে ধন্যবাদ দেওয়ার | পরিবর্তে নিজের কর্মের দোষ উনাকেই দিচ্ছে।
১২ মাসের ১৩ পার্বন, এই কথাটি হিন্দু সনাতন ধর্মে প্রাই শুনে থাকি, ছােট থেকে বড় প্রত্যেকেই একটি অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতে অন্যটির জন্য আশায় থাকে কখন আসবে আর আনন্দ উপভােগ করবে, কিন্তু সেই পূজা বা অনুষ্ঠানে সব থেকে উল্লেখ যােগ্য বিষয় যেইটি চোখে পরে তা হল ভগবানকে সন্তুষ্ট করা, ভগবানকে সন্তুষ্ট করার অর্থ হল মানুষ যে দেব দেবীর পূজা করে তাদেরকে খুশি করা যাতে ভগবান খুশি হয়ে ভক্তদের খুব আর্শিবাদ করে এবং ভক্তরা ধন, সম্পদ, ঐশ্বৰ্য্য, বিদ্যা বুদ্ধিতে | যেন ভরপুর করে দেয়।কিন্তু ভগবানকে খুশি করবে কি ভাবে? মানুষ তার জন্য পূজারী বা ব্রাহ্মনের কাছে পূজার উপাচার বিষয়ে জানতে চায় বা বিভিন্ন পন্ডিতদের তৈরি বই থেকে ও জানার চেষ্টা করে, কিন্তু পূজার উপাচারই বলুন বা রিতিনীতি গুলিই বলুন এই রিতিনীতি গুলির মধ্যে যেমন আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে তারপর পূজা অর্চনা করা, আর তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ যােগ্য বিষয় হল উপবাস থেকে ভগবানকে সন্তুষ্ট করা,
আমি দেখেছি ধর্মকে কেন্দ্র করে কোন কোন সময় মানুষ এমন চড়ম পর্যায়ে চলে যায়, আমরা ভুলে যায় যে আসলে সঠিক কি? আসুন আমরা জেনে নেই চড়ম পর্যায় বলতে কি বুঝায়! সর্ব প্রথম আমরা আলােচনা করব খাওয়া দাওয়া নিয়ে, অনেক মানুষকে দেখেছি যারা ধর্মের রিতি নিতি পালন করতে গিয়ে সারা দিন উপাস থাকে মানে সারা দিন না খেয়ে থাকে, কোন কোন সময় সাপ্তাহ কি সাপ্তাই উপাস থাকে, কিন্তু উপাস ভাঙ্গার পর যদি একবার খাওয়া শুরু করে তাহলে তাে আর বলার মতাে কোন শব্দই থাকে না, ধরেন আমাদের দুইটি পাউরুটি খেলেই চলে কিন্তু আমি এমন মানুষকেও দেখেছি সাত ,আট পাউরুটির পরও জিজ্ঞাসা করেন এর থেকে বড় আছে কি না! মিষ্টি পছন্দ এক দুই পিচ নিতে পারত, গােলাবজাম অন্য আইটেম ১২,১২ পিচ ও ভিতরে দিয়ে দেয় এর পরও জিজ্ঞাসা করে আর কিকি আইটেম আছে।
অনেক সময় আমাদের এখানে যখন কোন মহারাজ বা সন্ত, গুরু আসে তাদের জন্য স্পেশাল খাবার তৈরি হয়, তারা আলাদা খাবার যখন নেয় তখন আমাদের এমন মনে হয় যেন তারা স্পেশাল লােক, আসলে তারা ভাল কাজ করার লােক, মানুষকে জ্ঞান দান করার মত লােক, এই জন্যই তারা খাবারের উপর লক্ষ্য দেয়, প্রত্যেক সন্ত মহারাজ বা গুরু যারাই আছে তাদের শুদ্ধ। খাবার খাওয়া এই জন্যই প্রয়ােজন যাতে তারা সু সাস্থ্যবান থাকে, আর ভাল কাজকে এগিয়ে নিতে পারে, যত ফিট থাকবে তত বেশি দিন মানুষকে দিতে পারবে, এমন কিছু মানুষ যারা নিজে সন্ত বা মহাত্মা তৈরি হতে তাদের খাওয়া দাওয়ার সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে চায়।
কিন্তু খাওয়া দাওয়ার পদ্ধতিকে পরিবর্তন করলেই সন্ত বা মহাত্মা হওয়া যায় না, একবার আপনি সন্ত মহাত্মার মত কাজ যদি করতে পারেন তাহলে খাবারের পরিবর্তন করতে পারেন, আপনি ভাল খাবার যদি খেতে পারেন তাহলে স্বাস্থ্যবান থাকতে পারবেন। যখন খাবারের কথা আলােচনা হচ্ছে আর সেই প্রসঙ্গে আমি এক ওয়ার্ড ব্যবহার করছি উপাস দেখা যায় অনেক। লােক উপাস সােমবারে করে বা কেউ মঙ্গলবারে করে বা আলাদা আলাদা বিশেষ কোন দিনে উপাস থাকে আমার একটি প্রশ্ন | উপাসের মানে কি? এতদিন পর্যন্ত হয়তাে কেউ এর অর্থই দিতে পারে নি।
বন্ধুগন উপাস এক সংস্কৃত শব্দ, উপ এর অর্থ হল খুব কাছে, যেমন উদাহরন রাষ্ট্রপতির একদম কাছের উপরাষ্ট্রপতি, অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির কাছে যিনি থাকেন তিনিই হলেন উপরাষ্ট্রপতি,তার মানে উপবাসকে যদি ভেঙ্গে ভেঙ্গে আলােচনা করি তাহলে দেখা যায় উপ মানে কাছের, বাস মানে থাকা, আমরা অনেক সময় বলি এখানে বাস করি মানে আমি এখানে থাকি এটিকে এই ভাবেও বুঝতে পারেন বনবাস মানে বনে থাকা,উপ কথার অর্থ হল কাছে, আর বাস কথার হল থাকা। উপবাস মানে কাছে
থাকা, এটিই হল উপবাস থাকার উদ্দেশ্য, আচ্ছা কার কাছে থাকার জন্য মানুষ উপবাস থাকে? ভগবানের কাছে থাকার জন্য | যখন হাজার হাজার বৎসর আগে মানুষের এক ধারনা ছিল ভগবান ৭ বা ১০ বা ১৫ দিনের জন্য এত সব কিছু করেন তাহলে একদিন তাে আমাদেরও উচিত ভগবানকে স্মরন করার।
তখন এমন একদিন উনাকে স্মরন করার জন্য পরিবারের সভাই একসাথে আসে, কিন্তু যদি ব্যক্তি তার কাজে দোকানে বা ক্ষেতে না যায়, তখন কি তারা ভগবানকে স্মরন করতে পারবে? তাদের কাছে কি এতটা সময় আছে? হয়তাে নেই। সিদ্ধান্ত হল আমরা ছুটি নেব, ফ্রি হব তাহলে ভগবানকে স্মরন করতে পারব, তার কাছে থাকতে পারব।আপনি বলেন তাে আমরা ভারতে কোন ধরনে ছুটি নিয়ে থাকি, যেমন রবিবার কিন্তু আপনি কি জানেন রবিবার তাে বৃটিশের দ্বারাই আমরা পেয়েছি, কারন। বৃটিশরা প্রত্যে রবিবারে চার্চে যেত।ইহাতাে তাদের জন্য সঠিক ছিল, কিন্তু ভারতে হয়তাে এক সময় ছুটি নিত পূর্নিমা তিথিতে বা আমাবস্যা তিথিতেও বলতে পারেন বা একাদশি সেই দিন আমরা ছুটি নিতাম আর ঘরে থাকতাম যাতে ভগবানের কাছে থাকতে পারি, যখন ভগবানের কাছে থাকতাম আর মানুষ যখন কাজ কর্ম ছেড়ে দিয়ে ঘরে থাকত আপনি দেখবেন যখন মানুষ কাজে থাকত তখন সঠিক সময়ে
খাবার খেত, মানে প্রত্যেকদিন রুটিন মাফিক খাবার খাবেন,আর যখন আর টুটালি ফ্রি হয়ে ঘরে থাকে আর ঐ সময়ে তাে কোন টিবিও ছিল না এন্টার টেন্টম্যান্টের জন্য মােবাইলের মত কোন মেশিন ও ছিল না, তাহলে আপনি আমাকে বলুন তারা। ঘরে বসে বসে কি করবে, তখন কিছুক্ষন পরে পরে তাদের খিদা লাগত, কিছুক্ষন পরে পরে হয়তাে তাদের স্ত্রিকে বলবে কিছু খাবরের ব্যবস্থা করে দাও না, তখন মহিলারা কি বলত তুমি আজ কাজ কর্ম ফেলে দিয়ে দোকান বন্ধ করে ছুটি নিয়ে ঘরে বসে আছ,
তাহলে আমরা কেন কাজ কর্ম বাদ দিয়ে বসে থাকতে পারব না, আমাদেরও তাে উপাস থাকতে হবে আমাদেরও তাে ভগবানের কাছে থাকতে হবে, যদি আজ আপনি দোকান বন্ধ করতে পার তাহলে আমাদের রান্না ঘরও বন্ধ থাকবে। আপনারা আমাকে বলুন ব্যক্তির পক্ষে কি সম্ভব সারা দিন না খেয়ে থাকা, হয়তাে না।যখন খিদা লাগত তখন ঘরের মহিলারা বলত ঠিক আছে দুধ খেয়ে নাও, ইহাতে আমাদের কোন পরিশ্রম করতে হবে না, আর যদি এই দুধে পেট না ভরে তাহলে এক কাজ করুন কলা খেয়ে নাও আজ উপবাসের ধারনাটিই পরিবর্তন করে দিয়েছে, আসলে উপবাসের আসল অর্থ হল কাছে থাকা, ভগবানের কাছে থাকা যাতে কাজ কর্ম ছেড়ে দিয়ে ফ্রি থাকতে পারেন, আর বেশি যাতে না খান এই জন্যই ধারনা তৈরি হয় যে ফল আহাড়। মানে ফল ভােজন করা,সারা দিন দুধ বা জুস খাওয়া, সাইন্টেফিকেলি ও ইহা বলতে পারেন আপনার স্টমাক কেউ আরাম দিবে বা ভাল ডাইজেস করবে,ইহা এই জন্যই মান্যতা ছিল কারন যদি আপনি বেশি খাবার যদি খান আর ভগবানের ধ্যন করেন তাহলে আপনি শুয়ে পরবেন, আর এই জন্যই যদি। আপনার স্টমাক হাল্কা থাকে তাহলে ভগবানের ধ্যান করাও অনেক সহজ হয়ে যাবে, এই ভাবে উপবাসের ধারনাটি তৈরি হয়েছিল। আর আপনি চিন্তা করে দেখুন আজ কি হচ্ছে উপবাসের নামে কম্পিডিশান হচ্ছে, এমনও বলতে শুনা যায় তুমি দুইদিন উপবাস করেছ আমি চারদিন উপবাস করব, তৃতিয় ব্যক্তি বলবে আমি ৭,৮ দিন উপবাস থাকব।
কেউ ২১দিন কেউ ১ মাস, বন্ধুগন সত্যি বলতে গেলে আমার এক বন্ধু যে আমাকে এসে বলে বন্ধু আমি এক দিন উপবাস থেকেই ২ কেজি কম করতে পেরেছি, আমি তাকে বললাম ও খুব ভাল ৩০দিন উপাস থাক সব শেষ হয়ে যাবে, সুজা উপরেই পৌছে যাবে কি হয় জানেন মানুষ সব কিছু একদম চড়ম পর্যায়ে নিয়ে যায়। এক দিন ঠিক আছে ৭দিন ১০ দিন ১৫ দিন | উপবাস, এক একদিন ঠিক আছে কিন্তু তাকে চড়ম পর্যায়ে নিয়ে যাবেন। আরে এই চড়ম পর্যায়তাে ব্যক্তি তৈরি করেছে, কোন ধর্মেই এই ধরনের কথা নেই, আমি এক উদাহরন দিচ্ছি কেউ ফল খায় আবার কেউ বলে আমি ফল ও খাব না কেউ বলবে।
আমি আমও ধরব না, হয়তাে আরেক জন আসবে আর বলবে আমি জল ও স্পর্স করব না। আপনি কি জানেন, আপনার ব্রেইনে যে টিসু আছে এটি ৭০ থেকে ৮০% জলের দ্বারাই তৈরি হয়েছে, আর যখন আপনার শরীরে জল না পায় তাহলে কতটা ক্ষতি হবে! আপনি হয়তাে ইহা জানেনই না। আর বন্ধুগন আজকাল কম্পিটিশানের কারনে মানুষ এতটা এগিয়ে গেছে যা বলে বুঝানাে যাবে না। কে কত উপাস থাকবে তার উপরও কম্পিটিশান করতে থাকে আর ভগবানকে তাে পাওয়া দূরের কথা নিজেকেই দুর্বল করে ফেলে।সুতরাং এই বিষয়টি অবশ্যই লক্ষ্য দিতে হবে কোন জিনিসই চড়ম পর্যায় ভাল না মানে অতিরিক্ত কিছুই ভাল না, আমি ইহা বলছিনা বেশি খাবার খাও আমি ইহাও বলছি না যে ক্ষুদার্থ থাক, বেলেন্স নিয়ে আস। ভগবদ গীতাতে এক শব্দ দিয়েছে ভারসাম্য যুক্ত খাবার, ভারসাম্য যুক্ত আরাম।
যে খাবার না খায় সে খুব বেশি খায়, যে অনেক ঘুমায় আবার যে না ঘুমায় তারও কোন কাজ হবে না, প্রত্যেকটি তে। ভারসাম্য। যখন সবকিছুতে ভারসাম্য নিয়ে আসবে তখন দেখবেন সব কিছু আপনার জীবনে সহজ হয়ে যাবে, সুতরাং ভােগী হবে না, ত্যাগী হবেন না, সুতরাং জীবনে চলার ক্ষেত্রে ভারসাম্য নিয়ে আসুন।আজকে আপনাদের উপাসের এক আলাদা ধারনা দিচ্ছি আগের দিনে খাওয়া দাওয়াকে এই জন্যই দুরে রাখা হয়ে ছিল কারন যদি আপনি খাওয়া দাওয়া থেকে দুরে থাকেন আপনি দেখবেন আপনার ফ্রি টাইম পাবেন। কিন্তু আজ আমরা তার পরও কি টাইম দিতে পারি! না টিভিতে ব্যস্ত, মােবাইলে ব্যস্ত কেউ কম্পিউটারে ব্যস্ত।
টাইম ই নাই ফ্রি টাইম পেলেতাে সূজা মােবাইলের মধ্যেই ঢেকে যায়, কিন্তু আজ উপাসের নতুন ধারনা হল মাসে এক দিন বা দুই দিন সময় বেড় করলেন আর আপনি মােবাইল থেকে দুরে থাকবেন, টিবি থেকে দুরে থাকবেন বা নিউজ পেপার থেকে। দুরে থাকবেন বা আমি বলব ইন্টারনেট থেকে দুরে থাকবেন।
তখনই তাে আপনি নিজেকে নিজের সাথে থাকার সময় পাবেন, নিজের কথা শুনার সময় তাে পাবেন। আর এই জন্য আপনি মাসে একদিন বা দুই দিন সময় বের করুন যখন আপনি একটিও যন্ত্র আপনার কাছে থাকবে না, তা হবে টিবি, কম্পিউটার, বা ইন্টারনেট বা মােবাইল যদি সম্ভব একদিন বের করুন আর ইহার লাভ লেখেন কোন দিন ছিল যে আপনি এই কাজটি করেছেন, তার পর মাসে দুইদিন সময় বের করুন যেই দিন শুধু ফলই খাবেন এতে আপনার ডাইজেস্টের জন্য ভাল হবে আপনাকে | ফাইবারস দিবে,আপনার যতগুলি ভিটামিনের দরকার ঐগুলির পূর্ন হবে আপনি দেখবেন ইহা এক অদ্ভুত রেজাল্ট দিবে। আচ্ছা এই আলােচনার পর আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি এখনও কি আপনি উপাস করতে পারছেন! আপনি ভগবানের কাছে পৌছাতে কি পারছেন? বা সারা দিনে এমন কি সময় বের করতে পারছেন, এর সাথে ইহাও বুঝতে পারবেন জন্মাষ্টমী বা শীবরাত্রি এই সব দিন গুলিতে আমরা উপবাস করি ইহার একই অর্থ ঐই দিনে আমরা ভগবানের শক্তিতে সময় দিতে পারি, উনার কাছে থাকতে পারি।ইহাই হল উপাসের মেই অর্থ।
বর্তমান শতাব্দিতে আমাদের কাছে স্বাস্থ্য সত্যিই এক বড় সমস্যা!সঠীক সমাধান না পাওয়ায়। আমরা শুধু ভােগছি আর ভােগছি! সকলের কথা চিন্তা করে শার্পওয়ার্কের হ্যাঁ শাপওয়ার্কের মাধ্যমে কিভাবে আমরা হেলডি হতে পারি । তারই আলােচনা!নতুন মাত্রায় নতুন সমাধান! অর্থাৎ স্বাস্থ্য সমাধানের এক সুন্দর ভিডিও আজকে পরিবেশিত হতে যাচ্ছে! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও কে স্কিপ না করে শেষ পর্যন্ত দেখবেন! আজ বেশিরভাগ মানুষকেই অনুসূচনা করতে দেখা যায়! হে ভগবান আমারতাে টাকা পয়সা ধন সম্পদ কোন কিছুরই অভাব রাখনি! কিন্তু আমি সেগুলাে ভােগ করতে পারছি না কেন?
যখন আমার ভাগ্যে খাবার ছিল না তখন খাবারের সন্ধানে ঘুরতাম!আর এখন খাবারের অভাব নেই কিন্তু খেতে পারছিনা!হায়রে দুর্ভাগা জীবন! হয়তাে সেই খাবারকে আপনার শরীর এলাও করছে না বা ডাক্তারের পরামর্শকে মানতে গিয়ে আজ সেই ইচ্ছা মতাে খাবার খেতে পারছেন না।
কিন্তু এমন ভাগ্যবান লােকও তাে দেখা যায় যাদের খাবারের সঙ্গে বয়সের কোন ফেক্টার নেই, ৬০ বা ৭০ বৎসরের ব্যক্তির চলা ফেরা দেখে মনে হয় ৪০ বা ৪৫ বৎসরের মত! হেলথ কেয়ারের জন্য ডাক্তারের উপর নির্ভর করতে হয় না মেন্টাল হেলথ প্রবলেমের জন্য আমরা ভগবানকে দোষ দিচ্ছি! এমনটা কেন? তাহলে কি ভগবান আমাদের তৈরী করার সময় পার্শিয়ালীটি করেছেন? প্রত্যেক মানুষই তাে উনারই সৃষ্টি তাহলে একজনের দেহকে সুন্দর সুস্থ ও রােগ মুক্ত রেখেছেন! আর অন্যজনকে? রােগে জড়াগ্রস্থ করে রেখেছেন! এ কেমন ধরনের বিচার? বন্ধুগন নিজের অজানা ভুলকে নিজে খােজে বের না করে ভগবানকে দোষ দেওয়ার কি মানে আছে বলুনতাে? ভগবান তাে প্রত্যেকে ব্যক্তিকে নিজের বেষ্ট দিয়ে তৈরি করেছেন!
বাইবেলের জেনিসাস চাপ্টার টুতে আছে যে GOD CREATES HIS CREATURES ON HIS OWN IMAGE. যাতে উনার তৈরী প্রােডাক্ট ১০০ বৎসরের পূর্বে এক্সপেয়ার না হয়! কিন্তু দুর্ভাগ্যতাে আমাদের কারন আমাদের এই হেলথকে আমরা ম্যানেইজ করতেই পারছি না! আমরা টাকার পেছনে দৌড়াছি, হার্ডওয়ার্ক ও করছি, দেহকে যত সম্ভব ইউজ ও করছি কিন্তু সেই দেহকে সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে সার্ভিস করছি না!! এটাই তাে প্রবলেম!
কোম্পানী থেকে যখন একটি গাড়ি ডেলীভারি করে তখন তারও এক সার্ভিস টাইম সেট করা থাকে কোম্পনী থেকে কার ডেলিভারি। সার্ভিসের বিষয়ে বলা হয়, আপনি যত দামী গড়িই কিনুন না কেন,হয়তাে বি.এম.ডাব্লিউ হউক না কেন, আপনাকে কার সার্ভিস করতে! কিন্তু আমরা যদি সঠিক সময়ে গাড়িটি সার্ভিস না করি বা পেট্রোলের পরিবর্তে কেরসিন তেল ঢুকিয়ে চালাতে চাই তাহলে কি ইঞ্জিন সঠিক ভাবে কাজ করবে? আমি বুঝাতে চাইছি গাড়িকে যেমন সঠিক সময়ে সার্ভিস করার প্রয়ােজন তেমনি ঈশ্বরের দেওয়া আমাদের এই শরীর রুপী গাড়িকে ও শুধু হার্ডওয়ার্ক করালেই হবে না তাকে সাভিসিং বা শার্প ওয়াকও করা প্রয়ােজন!তা নাহলে শরীর রুপী গাড়ী বেশিদিন চলবে না।
আসুন আমরা এখন আলােচনা করি শার্পওয়ার্ক কি? এই প্রসঙ্গে একটি ছােট্ট গল্প এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই!
একবার এক যুবক কাজের খােজে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছােটে বেড়াচ্ছে কিন্তু সে কোথাও কোন কাজ পাচ্ছে না! আর সে এক লাকড়ির মিলের পাশ দিয়ে যাচ্ছে আর দাড়িয়ে ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে! আর এই মুহূর্তে এই টিম্বারের ম্যানেজার তাকে দেখেন আর বলেন যে ভাই তুমি এখানে কি করছ? তখন যুবক বলেন স্যার আমি কাজের খােজে বেড়িয়েছি! এখানে কি কোন কাজ পাওয়া যাবে? তখন ম্যনেজার বলেন হ্যাঁ পাবে! অবশ্যই পাবে!
তবে তুমি কি লাকড়ি কাটতে জান? পারবে লাকড়ি কাটতে? যুবক বলেন অবশ্যই! আমি যে কোন কাজ করতেই রাজি! তখন ম্যানেজার এক নতুন কুড়াল দিয়ে বলেন তুমি আজ এখানে থাক!কাল থেকেই কাজে লেগে পর! সে দ্বিতীয় দিন সকালে কুড়ােল নিয়ে গাছ কাটতে শুরু করে আর সে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭টি বড় বড় গাছ কেটে ফেলল!
পর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬টি গাছ কাটতে পারলাে,তৃতিয় দিন ৫টি কাটতে পারলে! চতুর্থ দিন ৪টি এই ভাবে ডাওনের দিকে চলল!
আট দিনের মাথায় যখন ম্যনেজার সেই কাঠুরিয়ার পাস দিয়ে যাচ্ছেন তখন উনি দেখতে পান যে সে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম। করে যাচ্ছে! কিন্তু সে আজ একটি ও গাছ কাটতে পারল না! তখন ম্যানেজার তাকে প্রশ্ন করেন এমন কি হল তােমার দিন দিন রেজাল্ট খারাপই হচ্ছে? কি ব্যাপার? তখন যুবক বলে স্যার আমিও তাে বুঝতে পারছিনা? এমন কেন হচ্ছে? আমিতাে আগের মতােই পরিশ্রম করছি! তখন ম্যানেজার যুবককে প্রশ্ন করেন আচ্ছা বলতাে তুমি কি এই আটদিনের মধ্যে এই কুড়ােলকে ধার দেওয়ার জন্য সময় দিয়েছ? যুবক বলল না স্যার! আমি কাজে এতই ব্যস্ত ছিলাম যে কুড়ােল ধার দেওয়ার সময়ই পাইনি! তখন ম্যানেজার যুবককে বলেন মনে রাখবে জীবনে হার্ডওয়ার্ক করাতাে প্রয়ােজন তবে শার্পওয়ার্ক করাও প্রয়ােজন!ধার দেওয়া প্রয়ােজন!
বন্ধুগন! আমার প্রশ্ন আপনাদের প্রতি আপনারা কি হার্ডওয়ার্ক করছেন না কি শার্পওয়ার্কও করছেন? | আপনারা হয়তাে বলবেন যে আমাদের কাছেতাে কোন কুড়ােল নেই? তাহলে আমরা কিভাবে শার্পওয়ার্ক করবাে?আর আমিতাে লাকড়িও কাটিনা তাহলে আমার কুড়ােলের ধারের প্রয়ােজনই বা কি ? হ্যা আমি জানি আপনারা হয়তাে গাছ কাটেন না বা কুড়ােল আপনাদের কাছে নেই! কিন্তু বন্ধুগন ভগবান কিন্তু আমাদেরকে দুটি কুড়ােল দিয়ে পাঠিয়েছেন! যার দ্বারা আমরা আমাদের জীবনকে এগিয়ে নিতে পারি! এক হল আমাদের শরীর আর দ্বিতীয়টি হল আমাদের মন! আমরা শরীরকে তাে সর্বক্ষেত্রেই ব্যবহার করি, কিন্তু আমরা কি সেই শরীরকে ধার দিচ্ছি? ভগবান আমাদের শরীর রুপী যে কুড়ােল দিয়েছেন তা হয়তাে ১০০ বৎসরের জন্য দিয়েছেন! কিন্তু আমরা সেই কুড়ােলকে
নিউট্রিশান মানে হেলডি ফুড অর্থাৎ হেলডি ফুড, এমন খাবার যার থেকে ভাল পুষ্টি পাওয়া যায়। আমরা খাই | তাে ঠিক আছে তবে প্রশ্ন হল আসলে আমরা খাওয়ার সময় কি খাচ্ছি? এ হল সব থেকে বড় প্রশ্ন! আমরা বেশির ভাগ সময় জিহ্বার টেস্টের জন্য ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের উপর বেশী ধ্যান দিচ্ছি! তা আমাদের শরীরের ভালই হােক আর খারাপ তার উপর কোন লক্ষ্য দিচ্ছি না,কিন্তু বন্ধুগন হেলথ ফাস্ট | তাে অল ফাস্ট!
আর আমরা ঘরের খাবার তাে খাই তবে বেশীর ভাগই দেখা যায় অনেকে খুব বেশি দ্রুত খাবার খেয়ে ফেলি! আবার দেখা যায় অনেকে খাবার খাওয়ার সময় তার খাবারের প্রতি ধ্যানই থাকে না আর খেতেই থাকে খেতেই থাকে.... এত খাবার কেন খাচ্ছেন! নিজেকে একবার জিজ্ঞাসা করুন? আমাদের শরীরকে ২৪ ঘন্টা চালানাের জন্য ২৪টি গ্রাসই যথেষ্ট! কিন্তু আমরা সারা দিনে ২৪০ গ্রাস খাবার মুখে দিই!
আর আমরা যত খাবার বেশি খাই তা আমাদের পেটের জন্য নয় তা আমরা খাই টেষ্টের জন্য! আর সব থেকে গুরুত্ব পূর্ন বিষয় হল আপনি যখন খাবার খাবেন তখন ভালভাবে চিবিয়ে খাবেন। আমরা তা করি
আসলে আপনি যখন ভাল ভাবে চিবিয়ে খাবেন তখন তার দুই দিকেই লাভ ১ম ডাইজেশান খুভ ভাল হবে, আর দ্বিতীয়ত আপনার তৃপ্তি ও হবে খুব তারা তারি। আর এই ভাবে যদি আপনি চান তাহলে কিছু খাবার কম খেয়ে ও অধিক শক্তি সঞ্চয় করতে পারেন! আর একটি ইম্পর্টেন্ট বিষয় হল আমাদের কোন বেলা কতটা খাবার খেতে হবে তার কোন সিস্টেমই জানা নেই!
বৈজ্ঞানিক সিস্টেম অনুসারে সকালে যে খাবার খাবেন তা হল ব্রেইন ফুড! তার পরিমান কম যেন না হয়! দ্বিপ্রহরের খাবার হবে মিডিয়াম!আর রাত্রিতে খুব কম!কিন্তু আমরা কি করি সম্পূর্ন উল্টো! আরেকটি বিষয় ডাক্তারের পরামর্শ হলাে যারা ওভার ওয়েট তারা ১১ টা বা ১২ টা পর্যন্ত কিছু না খেলেই ভাল! নিউট্রিশানের পর আমাদের দেহকে সুস্থ রাখার জন্য এক্সারসাইজ করাও অনেক প্রয়ােজন! প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে কোন অঙ্গকে ব্যবহার না করলে তাকে অকেজো হয়ে যায়!
যাকে বলা হয় ইউজ ইট অর লােজ ইট! | উদাহরন আপনার ভেঙ্গে যাওয়া হাতকে ১মাস ধরে যদি প্লাস্টার করে রাখেন আর ১ মাস পরে যদি সেই হাতকে খুলে কিছু কাজ করতে যান তাহলে বুঝতে পারবেন সেই হাত দিয়ে আর আগের মতাে কাজ করতে পারছে না!
কিছুদিন কাজ করতে করতে হয়তাে ফিজিওথেরাপিষ্টের পরামর্শে তাকে আবার পূর্বের জায়গাতে নিতে পারবেন! ঠিক তেননি যদি রােজ এক্সারসাইজ করেন তাহলে অব্যবহার্য্য হাত পা মাসলসকে পুনরায় অ্যাক্টিভ করতে পারবেন!
আপনি হয়তাে এক্সারসাইজ করার জন্য কোন প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না! কোন অসুবিধা নেই ফিজিকেল এক্টিভিটির জন্য! বাড়িতেই করুন! এক্সারসাইজ অনেক ধরনের হয়! নর্মাল ও হতে পারে! হাঁটাই হউক,জগিংই হউক,সাইক্লিং হউক আর দৌড়ানােই হউক যে কোন ভাবে হলেই চলবে!ঘাম ঝড়াতেই হবে! যখন হাঁটা শুরু করবেন তখন লক্ষ্য রাখবেন হাঁটার পরিমান দিন প্রতি দিন ১০০ মিটার বা ২০০ মিটার করে বাড়াতে হবে!
তাছাড়া যদি পারেন যােগ বা মেডিটেশন ও করতে পারেন, আসন করতে পারেন, বা জিমে ও যেতে পারেন ডান্স করতে পারেন! এরােবিক এক্সারসাইজ(গানের তালে তালে) ও করতে পারেন!অথাৎ আপনার দেহকে এমন ভাবে তৈরী রাখুন যাতে জীবনের সব পরিস্থিতিতে সৰ্ব্ব ক্ষেত্রে আপনি আপনার দেহকে যাতে সুস্থ সবল রাখতে পারেন!নিউট্রিসিয়ান ফুড,এবং এক্সার সাইজের পর তৃতীয় হল
Enough Rest.আমাদের শরীরকেও আরাম দেওয়ার প্রয়ােজন!
রেস্ট করার অনেক প্রয়ােজন কারন খুব বেশী কাজ করলেন আর শরীরকে রেস্ট দিলেন না তাহলে আপনার শরীরের কর্ম করার শক্তিও হারিয়ে ফেলবেন! বন্ধুগন যখন আপনার শরীর আপনার সঙ্গে ১০০ % সহায়তা করবে তখন দেখবেন আপনার জীবনে কাজ করার মজাই আলাদা!
আপনার ঘর ই হউক বা অফিস ই হউক সর্ব ক্ষেত্রেই আপনি অনুভব করতে পারবেন!আর যখন আপনার দেহ হেলদি ও সুন্দর হয়ে যাবে তখন দেখবেন আপনার মধ্যে এক কনফিডেন্স আসবে! আশা করি হেলথ মেনেজম্যান্ট করার এই ভিডিও আপনাদের অনেক কাজে আসবে! অনুগ্রহ করে ভিডিওটিকে লাইক, শেয়ার,কমেন্ট করবেন! | শীঘ্রই নতুন ভিডিও নিয়ে আসবাে, ভাল থাকবেন ,
ধন্যবাদ!
কিন্তু সমস্যা হল পয়সার কোন ব্যবস্থাই হয় নি, আমি এখন কি করব বুঝতে পারছি না, সকালে কি হবে সেই চিন্তায় আমার ঘুম আসচ্ছে না। তখন তার স্ত্রী বলেন তাতে এমন কি হয়েছে! তিনি সঙ্গে সঙ্গে ফোন উঠালেন অশােকের ফোন নাম্বার ডায়েল করলেন রাত্রি ২ টা বাজে অশােক ভাই ঘুম থেকে। উঠলেন আর তখন হালকা হালকা শব্দে বলেন আমি শেখর ভাইয়ের স্ত্রী বলছি আপনার সামনের বাংলােতে থাকি,‘হা বলুন’ আসলে আমার পতি ২. বৎসর আগে ১ লাখ টাকা নিয়েছিল আর আপনাকে বচন দিয়েছে আগামী কাল দিয়ে দিবে কিন্তু সমস্যা হল টাকার কোন ব্যবস্থাই হয়নি, সরি এন্ড গুড নাইট। ফোন কেটে দিলেন। তখন হয়েছে এমন শেখর ভাই তাে শান্তিতে শুয়ে পরেছেন কিন্তু অশােক ভাইয়ের লাইট পুরা রাত্রিই অন ছিল। বন্ধুগন ইহাকে কি বলে? ইহা আর কিছুই না ইহা এক স্ট্রেস। জীবনে স্ট্রেস সব জায়গায় হতে পারে, যদি আমরা কোথাও যাওয়ার জন্য রৌনা দিলাম আর রাস্তার মাঝে ট্রাফিক ঝাম লেগে গেছে তার পরেও স্ট্রেস। মানে চিন্তা আসতে থাকে আমি টাইমে পৌছাতে পারব না। আবার আমি যদি টিকেট না নেই তাহলে চিন্তা হয় আরে বসার জায়গা যদি না পাই। এমন ছােট ছােট স্ট্রেস জীবনে আলেদা আলেদা জায়গা থেকে আমরা পেয়ে থাকি।
আর যদি স্ট্রেস আপনার জীবনে অবার লােড হয়ে যায়, তখন ডিস্ট্রেস হয়ে যায়, আর সেই ডিস্ট্রেসকে কিভাবে মেনেইজ করা যায়, ইহাকে জানা। অনেক প্রয়ােজন। বন্ধুগন এমন বলা হয় চিতা তাে আমাদের একবারই জালায় কিন্তু চিন্তা আমাদের প্রত্যেক দিন জালায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমন হয় যখন আমরা কোন ব্যবসা শুরু করি তখন প্রথম অবস্থায় আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন স্ট্রেস আসতে থাকে, তখন সেই পরিস্থিতিতে যদি স্ট্রেসকে ম্যানেজ করতে না পারি, ম্যানেজ করতে না শিখি, এতে আমাদের টার্গেট অনেকটা ধবংশ হয়ে যাবে।
বন্ধুগন আপনারা সবাই বিহিকেল মানে বাইক বা কার চালিয়ে থাকেন। সাধারন ভাবে আমরা যখন বিহিকেল চালানাে শুরু করি তখন ফাস্ট গিয়ার থেকে শুরু করি তার পর ধীরে ধীরে যখন তার স্পিড় বারতে থাকে Second,Third,Fourth মনে করেন যদি সেই বিহিকেলকে শুধু প্রথম গিয়ারেই চালাতে থাকেন, তাহলে কি হবে? গরম হয়ে যাবে এভারেজ দিবে না, কিছু দূর যাওয়ার পরে ব্রাস্ট হয়ে যাবে।
যেই বাইক বা যেই গাড়িকে কোম্পানী তৈরি করেছেন হাজার হাজার কিলােমিটার চালানাের জন্য সেই বিহিকেলকে যখন একই গিয়ারে চালাতে থাকি | তখন কি হয় কিছু দিন চালানাে পর তা ফেইল হয়ে যায়।
আমাদের শরীরও এক গাড়ি, যেই গাড়িকে ভগবান 4th গিয়ারে চালানাের জন্য তৈরি করেছেন। কিন্তু আমরা কি করি জীবনকে এতটা স্ট্রেস ফুল তৈরি করে দিয়েছি, যার উদাহরন, অনেকে সকালে ঘুম থেকে উঠে চা টিফিন করার আগে বিভিন্ন আইটেমের টেবলেট নিতে হয়, যখন জিজ্ঞাসা করা হয় আপনি ইহা কেন নিচ্ছেন তখন বলে ইহা ডায়াবেটিস, এটি ব্লাড প্রেসার, আর এটি কনস্টিফেসন, আর এই টেবলেটটি আমার কিছু হার্টের সমস্যা চলছে, এই জন্য আমার নিতে হচ্ছে। যেই শরীরকে ভগবান তৈরি করেছেন যাতে ৮০ বা ১০০ বৎসর সুস্থ্য থেকে কাম কাজ করতে থাকে, সেই শরীরকেই আমরা ৪০ বৎসর ৫০ বৎসর বয়সেই শেষ করে দিয়ে থাকি।
আমরা এই ভাবেই জীবনকে এক স্ট্রেসফুল করে থাকি, যখন অফিসে যাই আমাদের পার্সনাল কাজে যাই তখনতাে স্ট্রেসে থাকি কিন্তু যখন ঘরে যাই তখনও স্ট্রেস, নিজের পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির সাথে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারি না, এমন ও দেখা যায় যখন নিজের ছেলে পড়া শুনা না করে টিবি দেখতে বসে তখন তার সাথে কি ভাবে ব্যবহার করি চিৎকার করে বলি রাজু টিবি বন্ধ কর ,পড়তে বস। আর যখন পাশের বাড়ির শুনিল আশে তখন কি ভাবে বলে কেমন আছ শুনিল বাবা, হােম ওয়ার্ক শেষ করেছ আজকে? সুনিলের সাথে ভাল ভাবে কথা বলেছে, নিজের বাচ্চার উপর নিজের অধিকার তার জন্য চিৎকার করে বলতে হয়, নিজের স্ত্রির সাথে চিৎকার করে কথা বলে। আর পাশের বাড়ির মহিলা যখন। আসে তখন কিভাবে রেসপনস করে কেমন আছেন বৌদীমনি সব কিছু ঠিক আছে তাে? এই যে ইমবেলেন্স তা এইটিই আমাদের বেশির ভাগ স্ট্রেস দিয়ে থাকে।
দিনের বেলা যদি অফিসে থাকে তখন অফিসের স্ট্রেস, বিকালে যখন বাড়িতে থাকে তখন পরিবারের প্রতি যে রেসপন্সিবিলিটি হওয়া উচিত তার স্ট্রেস। ব্যক্তি তখনই সাকসেস হতে পারে যেখানে ব্যক্তি এই গুলিকে সঠিক ভাবে বেলেন্স করতে পারে। সুতরাং এই বিষয়টি সব থেকে গুরুত্ব পুর্ন জীবনে প্রত্যেক পরিস্থিতিতে বেলেন্স থাকার চেষ্টা করুন। তাহলেই খুব ভাল রেজাল্ট পাওয়া সম্ভব।
তাছাড়া বন্ধুগন প্রায় ১৯৪০ বা ১৯৪৫ সালের ঘটনা, আমেরিকাতে একবার এক সার্বে হয়েছিল, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিল মানুষের কি কি ইচ্ছা, | স্বপ্ন, রয়েছে যা তারা পেতে চাইছে, আর সেই সার্বেতে মেইন ফোকাস ছিল ৮ থেকে ১০টি বিষয়ের উপর, যেমন গাড়ি, বাংলাে, অর্থ ঐরকম, বিভিন্ন পার্পাস, এর মধ্যে একটি পার্পাস ছিল এফেক্টিভ কমিউনিকেশান, আপনারা বিশ্বাস করবেন না ৭০ % লােক টিক মার্ক করেছেন এফেক্টিভ কমিউনিকেশানের উপর।
আপনি ভাবতে পারছেন! আমেরিকার লােকেরা তৎকালিন সময়েই বুঝতে পেরেছেন যে মানুষের জীবনে সব থেকে ইম্পর্টেন্ট বিষয় হল কমিউনিকেশান করা,অথাৎ যদি কমিউনিকেশানের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে অর্থ, ধন, সম্পদ অটেমেটিকেলী চলে আসবে। দেখুন বন্ধুগন যদি আপনি নিজেকে মিলিনিয়রের বিলিনিয়রের লিষ্টে এড করতে চান, তাহলে আপনাকে বিজনেস কুয়ালিটিকে ডেভেলফট করতে হবে, হয়তাে তার জন্য বিজনেস ম্যনেজম্যান্ট করে আসবেন, BBM,MBMকোর্স করে আসবেন, কিন্তু আপনার যদি এফেক্টিভ কমিউনিকেশন স্কিল না থাকে তাহলে BBM,MBM এর কোন দাম থাকবে না, কাষ্টমারের পাশা পাশি নিজের মালিকের সাথে কো-অপারেশন অনেক প্রােয়ােজন।
এফেক্টিভ কমিউনিকেশান কাকে বলে? অনেকে হয়তাে বলবে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান মানে আমার সামনের ব্যক্তিকে যদি কনভিন্স করতে পারি তাহলেই হবে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান। সাধারন ভাবে এই মনে করেন প্রত্যেকে,আচ্ছা! মনে করেন আপনি সামনের ব্যক্তিকে বুঝাতে পারলেন, মানে কনভিন্স করতে পারলেন, কিন্তু বুঝার পরও আপনি যা চাইছেন সামনের ব্যক্তি করতে চাইছে না, তাহলে এই কনভিন্স এর মানে কি?
আপনি যখনই বললেন আমি যা বলেছি তা যদি বুঝতে পারেন তাহলে তাহলে আমাদের সাথে ব্যবসা শুরু করেন! সাইন করুন, তখনই সে বলল না আজ না আরেকদিন, তাহলে এর কোন মানে হয় না। আমার মতে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান তাকেই বলে যদি আপনার বুঝানাের পর সে বুঝক আর না বুঝক কথা শেষ হওয়ার পরে আপনি যা চাইবেন তাই সে করবে। | কিন্তু ইহার জন্য এক ইম্পটেন্ট বিষয় যা আপনাদের জন্য বিশেষ ভাবে বলছি, বন্ধুগন আমরা এই মুহূর্তে কি আছি তা ভুলে যান, ভবিষ্যতে কি হতে চান তা ভাবুন, মিলিনিয়র, বিলিনিয়র, এক সফলতা ক্রস করতে চাইছেন, তাহলে আজকের থেকেই আপনার জীবনে তা নিয়ে আসার জন্য শুরু করেদিন।
মাল্টিমিলিনার্সকে দেখেছেন কিভাবে কথা বলে, কি মিষ্টি শুরে কথা বলে তারা, অনেক সম্মান থাকে তাদের শব্দের মধ্যে, আর ইহাই আমাদের জীবনে | ধারন করা প্রয়ােজন, ইহা আমাদের মনে রাখা প্রয়ােজন। সুতরাং এফেক্টিভ কমিউনিকেশান অনেক প্রয়ােজন।
আজকাল প্রায়ই দেখা যায় মােটিভেশানের বিডিওর অভাব নেই, ইউটিউবে যদি সার্চ করেন তাহলে দেখা যাবে মিলিনিয়র ভিওয়ার কিন্তু বন্ধুগন যদি | এত এত মােটিভেশান ভিডিওতাে দেখছেন সবাই কিন্তু সবাইকি মােটিভেট হয়ে জীবনে সাকসেস হতে পারছে? না। এর কারনকি? কোন সময় হয়তাে
ভেবেই দেখেন নি। আজকাল বেশির ভাগ মােটিভেশান ভিডিওতে দেখা যায় স্পিকার স্টেইজে আসে এমন সমব কিছু লেকচার দেয় যেমন মনে হয় মানুষ আজ থেকেই টার্গেটের পেছনে দৌড়াতে শুরু করবে। কিন্তু না বন্ধুগন,বাজারে মেলায় আমরা একধরনের গ্যাসের বেলুন দেখতে পায়,এই বেলুন গুলি উপরে যেতে চায়, আপনি এই বেলুনটি যখন ঘরে আনবেন, দুই তিনদিন পরে দেখতে পাবেন বেলুন ঘরের এক কুনাতে পরে আছে।ঠিক একই প্রকার মানুষ মােটিভেট হওয়ার দুই তিন দিন পরে ঠিক চুপসে যাওয়া বেলুনের মতাে হয়ে যায়।মােটিভেশানের সেই জ্যোস আর থাকে না।এই জন্যই তাে বলছি শুধু জ্যোসেই কাজ চলবে না,সঠিক পদ্ধতি বুঝার চেষ্টা করুন।
সঠিক গাইডেন্স নেন, সঠিখ স্টেপ ফলাে করুন, ইহা প্রেক্টিকেল লাইফে অনেক প্রয়ােজন। ইহা আপনাকে সাকসেস পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমিও ইচ্ছা করলে ঐ মােটিভেশান বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের মধ্যে জ্যোস দিতে পারতাম, কিন্তু দুইদিন পরে যেমন ছিল তেমনই থাকবে, ইহার কোন মানেই হয় না,
www.rajyogpathshala.com