Sunday, July 24, 2022

Unemployment Crisis in India


বেকারত্বের সমস্যা শুধু ভারতবর্ষেই নয় সারা বিশ্বে এক অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। এই সমস্যার কারনেই আজ অনেক বেকার ভাই অন্যায় পথে পা বাড়াচ্ছে! তারা তাদের জীবনে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না!বেকার ব্যক্তির মনে হয় জীবনে সে এক হতভাগা! আর প্রতি নিয়তই মনে আসে আরে বয়স বেড়ে যাচ্ছে আমার হাতের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে! এখন যদি কিছু করতে না পারি তাহলে এই জীবনে থাকা আর না থাকা সমান! আজকে এই বেকারত্বের সমস্যাকে

কাটিয়ে সাঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করব! এই টিপস গুলি হল :

১) পিতামাতার উপর নির্ভর থেকেই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা!

২)পরিক্ষামুলক ভাবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগান ও পর্যবেক্ষন করুন!

৩) কৰ্ম্ম বাছাইয়ে নমনীয় হউন!

৪) সঠিক সিদ্ধান্তের উপর স্ট্যাম্প লাগান।

এখন আসুন প্রথম পয়েন্টটি নিয়ে আলােচনা করি

) পিতামাতার উপর নির্ভর থেকেই সকল অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুন!

এর মানে পিতা মাতার অধীনে থেকেই অর্থাৎ স্টুডেন্ট লাইফেই বিভিন্ন ভাবে আপনার প্রফেশনাল এক্সপিরিয়েন্স তৈরি করা। এবং জীবনের লক্ষ্য সেট করা! এমন ও দেখা গেছে প্রায় ব্যক্তি পড়াশুনার লাইফে পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন এম্বিশান তাদের থাকেইনা! পড়াশুনা,খেলাধুলা,বাবার হােটেল! এর ফলে পড়াশুনা কমপ্লিট করার পর তারা ডিপ্রেশানে চলে যায়! কি করবে, কি টার্গেট সেট করবে? সময় চলে গেছে। প্রতিযােগীতা বেড়ে গেছে। প্রতি মুহুর্তে মনে হয় এখন কি টার্গেট সেট করার সময় আছে? কখন টার্গেট সেট করব? আর কখনই বা তা এচিভ হবে? সেই অভার থিংকিং এর কারনে কি করবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না!

তাই আমি বলব আপনার পড়াশুনার সময়েই আলাদা ভাবে প্রফেশান লেভেলের ট্রেইনিং নেওয়া প্রয়ােজন! তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্টুডেন্টরা বর্তমানে এই বিষয়ে সচেতন হচ্ছে। আজকাল দেখা যায় পড়াশুনার পাশা পাশি কম্পিউটারের প্রশিক্ষন নিচ্ছে, যার ফলে ভবিষ্যতে পড়াশুনা শেষ করার পরে তারা এর মাধ্যমে এক ইনকাম সোস পেয়ে যাবে!

তবে আমি বলব শুধু কম্পিউটারই না এর পাশা পাশি আপনার অন্য প্রফেশানের বিষয়েও এক্সপিরিয়েন্স নেওয়া প্রয়ােজন! যদি বিজনেস এক্সপিরিয়েন্স করতে চান তাহলে কিছু কিছু বিজনেস স্টাডি ও করতে পারেন! এতে দুই দিকেই লাভ এক আপনার পড়াশুনা শেষ করার পর যদি কোন বিজনেস শুরু করতে চান তখন আপনার মানুষের সাথে বিজনেসের স্টাইলের ব্যবহার আদব কাইদা এই গুলি আপনি পেয়ে যাবেন যার ফলে নিজেকে ঘাব্রাতে হবে না আর দুই আপনি একদিনের জন্যও বেকার থাকবেন না। শুতরাং পড়াশুনার লাইফেই আপনি বিশেষ কিছু করার ট্রেইনিং নিয়ে নিন! পড়াশুনার সময়েই প্রফেশান লেভেলের এক্সিপিরিয়েন্স নিতে হবে!

ভগবান এই বিশ্বে কোন কিছুরই অভাব রাখেন নি শুধু তাকে খােজে বের করতে হবে, তবে আমি একবারও বলছি না যে আপনি পড়াশুনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু প্রফেশনাল বিষয়ে গুরুত্ব দিন! যে সময় ফেইসবুক বা অন্যান্য সােসাল মিডিয়া, গেইমে এমনকি গল্পে সময় দেন এই সবের মাত্র ২০% সময়কে ইউজ করুন তাহলেই চলবে! অনেকেই হয়ত বলবে আরে এক্সপিরিয়েন্স তাে নিতে চাই কিন্তু কিসের এক্সপিরিয়েন্স নিব? কি আছে? তাদের উদ্দেশ্যে একটিই কথা বলব একজন ব্যক্তির কেরিয়ার তৈরি করার যে সব মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে হয়ত কয়েকটি প্রফেশানের নাম আপনার জানা আছে? ২ মিনিট সময় নিয়ে একটু কষ্ট করে গুগােল ওয়েবসাইটে গিয়ে টাইপ করুন How Many Type of Profession. তখন দেখতে পাবেন ২০০ বেশি প্রফেশান রয়েছে যা আমি বলে শেষ করতে পারব না, কিন্তু আপনি হয়তাে ১০ বা ১৫টি প্রফেশানের নাম জানেন আর ভাবেন এই গুলি দিয়ে আমি কিভাবে কেরিয়ার তৈরি করব। আমার বিশ্বাস এই গুলির থেকে আপনার পছন্দ স্বরুপ প্রফেশান আপনি পেয়ে যাবেন। এর পর আসচ্ছে

২) পরিক্ষামুলক ভাবে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানাে ও পর্যবেক্ষন করা!

মানে আপনি পড়াশুনার লাইফে যে সব অভিজ্ঞতা নিজের মধ্যে তৈরি করেছেন তা স্টেপ বাই স্টেপ ইউজ করা শুরু করুন! আপনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করা শুরু করে দিন!

এক সার্ভেতে দেখা গেছে ৭৫% ব্যক্তির মধ্যে ইগােনেসের প্রভাব কাজ করে। তাদের কাছে যে কাজই আসে প্রথমে তারা | ভাবে এই কাজটি কি আমার যােগ্য? এই ভাবেই তাদের সময় নষ্ট হয়! আবার যদি কোন উল্লেখ যােগ্য কোন কাজ আসে।

সমাজে যার অনেক সম্মান আছে সেই কাজ করার আগে ভাবে আমি কি এত পরিশ্রমের কাজ করতে পারব? না আমার পক্ষ্যে | তা সম্ভব হবে না! আর এই করতে করতে তাদের লাইফ চলতে থাকে বেকারত্বের মধ্য দিয়ে!

এখন আসি তৃতিয় পয়েন্ট যা খুবই গুরুত্ব পূর্ন

৩) কৰ্ম্ম বাছাইয়ে নমনীয়তা! যাকে ইংরেজীতে বলি Flexible on Source

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে বংশ পরম্পরাতে নিজের বাপদাদারা যে সব ভাবে ইনকাম করতেন তাই তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফলাে করতে নির্দেশ দেন! বাস্তবে প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গী আলাদা আলাদা!যার ফলে তারা তাদের ইনার পাওয়ারকে কাজে লাগেতে পারে না, আর এ জন্যই প্রয়ােজন স্কুল লাইফে এক্সট্রা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা! যার দ্বারা পরবর্তীকালে ট্রাই এরােরের মাধ্যমে প্রেক্টিস করতে পারেন!

এই বিষয়টি অনেক গুরুত্ব পূর্ন, কারন ইনকামের জন্য ট্রেডিশানের বাইরে গিয়েও এক এক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে থাকুন আর যেখানে সেট না হয় সেখান থেকে সরে আসুন! আমি নিশ্চিত একটিতে না একটিতে আপনি অবশ্যই সেট হয়ে যাবেন! আজ নয়তাে কাল! কারন পৃথিবীতে এমন কোন জীব নেই যাকে ভগবান জন্ম দিয়েছেন কিন্তু তাকে কর্মের ও রুটি রােজগারের উপায় দেননি। তাই নিজের ভিতরে খােজার চেষ্টা করুন নিজের কুয়ালীটিকে বেড় করুন! লাষ্ট পয়েন্ট

৪) সঠিক সিদ্ধান্তের উপর স্ট্যাম্প লাগান।

যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার মনের সাথে আপনার কাজ মিলে গেছে তখন তন মন সর্বস্ব দিয়ে সেই কাজে লেগে | যান! পেছনে ভাবার কোন প্রয়ােজন নেই! কে কি বলবে তার দিকে ফোকাস করার কোন প্রয়ােজন নেই। অনেক সময় দেখা

যায় আপনি যে কাজটিকে চয়েজ করবেন তা হয়তাে অন্যদের কাছে ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু যদি আপনার মন সেট হয়ে | যায় তাহলে অন্যের কথার উপর কোন গুরুত্ব দেওয়ার কোন প্রয়ােজন নেই! আমার বিশ্বাস যদি এই চারটি টিপসকে ঠিক ঠিক ভাবে ফলাে করতে পারেন তাহলে আনএমপ্লই যে সমস্যা আজ ওয়ালর্ডে দেখা যাচ্ছে তার হ্রাস করা সম্ভব!


3 Tips To Success In Life , Success Planning , Practice Is The Key To Success


পৃথিবীতে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই প্রতিভা লুকিয়ে আছে! প্রয়ােজন হলাে উদ্যম উৎসাহ ও অভ্যাসের দ্বারা তাকে বের করে আনা! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!

Impossible বলতে কিছুই নেই! তার অর্থ তার মধ্যে লুকিয়ে আছে! এক বিখ্যাত ব্যক্তি তীরন্দাজ খেলা প্রদর্শনে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন! যখন তিনি কলা প্রদর্শন শুরু করতেন তখন তাকে দেখার জন্য অনেক লােকের ভিড় হয়ে যেত! যেমন ক্রিকেটের জগতে সচিনের নাম বিখ্যাত তেমনি তীরন্দাজের খেলাতে উনার নাম ও অনেক বিখ্যাত! একদিন এক গ্রামে তিনি কলা প্রদর্শন করছেন!মুহুর্তে উনার নাম শুনে লােকের ভীড় হয়ে যায়!খেলা শুরু হলাে যখন তিনি প্রথম তীর মারেন তা একদম সঠিক জায়গাতে গিয়ে বিদ্ধ হয়!জড়াে হওয়া লেকেদের মধ্যে সবাই খুশী! সকলে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিল!যারা যারা সেখানে দাড়িয়ে ছিল তারা সবাই দেখেছিল আর হাত তালি দিয়ে তীরন্দাজকে সম্বর্ধনা দিচ্ছিল। হাততালি উনার কাছে খুব ভাল তাে লেগেছিল কিন্তু সেই ভিড়ের মধ্য থেকে পেছনের এক ব্যক্তি বলে উঠলেন “ Oh It is Just a Mater of practice” তীরন্দাজ তা শুনেছেন কিন্তু তেমন ধ্যান দেয় নি!তিনি কোন প্রতিক্রিয়া করেনি!

দ্বিতীয় তীর নিলেন, ছুড়লেন তা ও তা ও একদম পার্ফেক্ট লেগেছে! আবার উপস্থিত সবাই উনার প্রশংসা করে যাচ্ছে! সবাই হাত তালি দিচ্ছে আর বলছে সেরা! সেরা! বাঃ বাঃবাঃ, দুরে দাড়িয়ে থাকা সেই ব্যক্তি আবার ও বলে উঠলেন “it is Just a Mater of practice” এই উক্তি শুনে তীরন্দাজের ভাল লাগে নি, মনে মনে ভাবছে আরে? সে কেন আমার প্রশংসা করছে না?

তৃতীয়বার ও বাণ চালালেন রেজাল্ট ও পার্ফেক্ট! মানুষ তীরন্দাজকে প্রশংসা তাে করছে হাত তালীও দিচ্ছে কিন্তু দুর থেকে ঐ ব্যক্তি আবারও বলে উঠলাে , “ it is Just a Mater of practice” যখন একই কথা পর পর তিন বার বলেছে তখন আর তীরন্দাজের সহ্য হয় নি! তীরন্দাজ সেই ব্যক্তির কাছে গেল বলল সবাই আমার যখন প্রশংসা করছে, আমাকে উৎসাহ দিচ্ছে আর তুমি কিনা বলছ যে “ it is Just a Mater of practice এমন কেন করছ?

তুমার কি মনে হয় এই গুলি কি শুধু প্রেক্টিসেই হয়ে যায়! তাতে কত টেলেন্ট কত স্কিল প্রয়ােজন পরে তা তুমি জান?তখন সেই ব্যক্তি বলে উঠল স্যার আমার এতটুকু জানা নেই কত টেলেন্ট দরকার কত স্কিল দরকার? কিন্তু আমার মনে হয় তা কেবল প্রেক্টিসের দ্বারাই সম্ভব!

বললেন ঠিক আছে তাহলে তা করে দেখাও? সে বলল না না আমি তা করতে পারব না! তাহলে তুমি কেন বলছ it is Just a Mater of practice” it is Just a Mater of practice” তখন সে বলল ঠিক আছে এক কাজ করুন! সে এক সরু মুখ ওয়ালা খালি বােতল নিয়ে আসল, আর দ্বিতীয় আরেক বড় মুখ ওয়ালা ভর্তি জলের বােতল নিয়ে আসল আর তীরন্দাজকে বলল আপনি এক কাজ করুন এই খালি বােতলের মধ্যে ভর্তি করা জলের বােতল থেকে উপর থেকে জল ঢালুন এমন ভাবে ঢালতে হবে যাতে এক ফোটাও বাইরে না পরে। এই কাজটা করে দেখান!

তীরন্দাজের দেখছেন আর বলছেন না না তা সম্ভবই হবে না! এভাবে করলে জল বাইরে তাে পড়বেই পড়বে! ব্যক্তি বলেন আরে চেষ্টা তাে করুন! তীরন্দাজ বলেন তা সম্ভবই না। ঐ ব্যক্তি বলল ঠিক আছে দেখুন আমি করে দেখাচ্ছি! সে বােতল হাতে নেয় জল ঢালতে থাকে একটি ফোটাও বাইরে পড়ছে না, একদম পাফেক্টলী বােতলের মধ্যে যাচ্ছে! তীরন্দাজ দেখতে লাগলেন উনার কাছে স্বপ্ন মনে হল! তীরন্দাজ বলল তুমি কিভাবে করলে ? সে বলে দেখুন স্যার আমি দীর্ঘ ১৫ বৎসর এক জায়গাতে চাকরী করেছি, সেখানে আমার কাজই ছিল যে বড় বড় ডিবি বা পাত্র থেকে ছােট ছােট বােতলে তৈল ঢালা! এই ভাবে আমার একটি বােতল থেকে অন্য বােতলে তৈল দিতে হত, তখন তীরন্দাজ বলছে হ্যা “ it is Just a Matter of practice” বন্ধুগন এখন বুঝতে পারছেন তাে কোন ব্যক্তি এক দিনেই এক্সিলেন্ট হয় না। পয়েন্ট হলাে স্কিল বা টেলেন্ট কারুর মধ্যে নিজে নিজেই চলে আসে যখন সে কোন বিষয়ে প্রেক্টিস করে এক সময় সে এক্সপার্ট হয়ে যায়!

কোন ব্যক্তি একজন ভাল ড্রাইভার জন্ম থেকেই হয় না! একজন ট্রেইনার বা স্পিকার জন্ম থেকেই কেউ হয় না! যদি কেউ বার বার প্রেক্টিস করে তাহলে অবশ্যই সে একদিন এক্সপার্ট হয়ে যায়! একজন ফুটবলার বা ক্রিকেটার বিখ্যাত তখনই হয় যখন সে ছােট বেলা থেকে লাগাতর প্রেক্টিস করে!

আপনার কি মনে হয় যারা আজ সাকসেস হয়েছে তাদের কি ভাগ্য ভাল ছিল যে তাই তারা লক্ষ্যে পৌছাতে পেরেছেন! না বন্ধুগন আপনি যা ভাবচ্ছেন সম্পূর্ন ভুল, ভাগ্যের উপর দোষ দিয়ে আপনার লক্ষ্যকে অপূর্ন রাখবেন না, কোন ব্যক্তিই একদিনে এক্সিলেন্ট হয় না, আর তা আমার কথা নয়! আমাদের ভারতবর্ষের মিসাইলম্যান, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে আব্দুল কালামের কথা, তা হলে ভয় পাচ্ছেন কেন? আবার অ্যাকশান শুরু করুন!সাকসেস আসবেই! আজ এপর্যন্তই আবার দেখা হবে!

ধন্যবাদ!


Only 3 Tips Of Success


জীবনে সফলতা কে না চায় বলুনতাে? সবাই কি উত্তর দিবেন? উত্তর হলাে আমরা সকলেই চাই! সকলেই চাই! তাইনা? বিশেষজ্ঞের মতে সফলতা পেতে হলে বিশেষ দুটি জিনিস বিশেষ প্রযােজন তা হলাে জোস আর হুশ- তাহলেই সফলতা পাওয়া যাবে তা একেবারে ১০০% গ্যারান্টি! আজকের প্রােগ্রামে এই বিষয় নিয়েই আপনাদের শাথে শেয়ার করব!

আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি এত দিন পর্যন্ত আপনারা যে প্রােগ্রাম দেখে আসছেন তার থেকে এই প্রােগ্রামটি সম্পূর্ন আলাদা,এই প্রােগ্রাম থেকে আপনারা সফলতার ৩টি নতুন সিক্রেট বিষয় জানতে পারবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না! শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন!

বন্ধুগন জীবনে আপনারা সবাই পরিশ্রমতাে করেন কিন্তু আমি জানতে চাইছি আপনারা পরিশ্রম কেন করেন? বলুন তাে তার সহজ উত্তর? আমি যখনই মানুষকে জিজ্ঞাসা করি তখন কেউ বলে পয়সা কামানাের জন্য! কেউ বলে জীবনে আরও উপরে উঠার জন্য! সকলের উত্তর গড় করে দেখা গেছে যে তিনটি বিষয় সকলেরই কমন তা হলাে

১)আমরা সফল হওয়ার জন্য পরিশ্রম করি

২) সুখী হওয়ার জন্য পরিশ্রম করি

৩) আর মনের শান্তির জন্য পরিশ্রম করি! আপনারা ও তাে তাই চাইছেন? তাইনা?

যদি আমরা এই তিনটি জিনিস পেয়ে যাই তাহলে আমার মনে হয় চার নাম্বার এমন কোন বিষয় নেই যার জন্য আমাদের পরিশ্রম করতে হবে!কিন্তু প্রশ্ন আসে জীবনে শুধু পরিশ্রম করেই কি এই গুলি এচিভ করা যায়? এই দুনিয়াতে ৭.৫ কোটির উপরে লােক আছে যারা ৩টি বিসয় এচিভ করার জন্য পরিশ্রম তাে করে কিন্তু এচিভ করতে পারে না! কিন্তু কেন?কারন এগুলাে পাওয়ার জন্য আমরা সবাই হার্ড ওয়ার্ক করছি কিন্তু হার্ড ওয়ার্কের সাথে সাথে আমাদের স্মার্ট ওয়ার্ক করা ও প্রয়ােজন!

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগবে স্মার্ট ওয়ার্কের মানে কি? যারা স্মার্ট ভাবে কাজ করেন তাকেই কি স্মার্ট ওয়ার্ক বলে? না! স্মার্টওয়ার্কের সাধারন মানে হলে সঠিক মেথড়ে কাজ করা, সঠিক সিস্টেমে কাজ করা!সঠীক লক্ষ্যে কাজ করা!বন্ধুগন আমি আগেই বলেছি যে জ্যোস আর হােস দুটিকে ব্যালেন্সে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে! তাই আজকের প্রােগ্রামটি খুব গুরুত্ব পূর্ন! তাছাড়া প্রায় সময় দেখা যায় মানুষ মােটিভেশনাল প্রােগ্রাম তাে দেখে মােটিভেট ও হয়, জ্যোস ও তৈরি করে কিন্তু দেখা যায় ২ ঘন্টা পরেই তা চুপসে যাওয়া বেলুনের হাওয়া বেড়িয়ে যাওয়ার মতাে হয়ে যায়! তা কেন হয়? তাই আজকের প্রােগ্রামে মাটিভেশানের সাথে সাথে সাকসেসের কিছু সিস্টেম বা টেকনিকের বিষয়ে ও আলােচনা করতে চাই! আজ এমন কিছু নলেজ ও সিক্রেট বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবাে যা আপনাদেরকে আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করবে! ৩টি সিক্রেট বিষয় হলাে

১) লম্বা চিন্তা করা

২) সফলতার জন্য স্বপ্ন দেখা!

৩) সময়ের মূল্য দেওয়া!

লম্বা চিন্তা করার অর্থ হলাে:- এই দুনিয়ার যত লােক আছে তাদের জীবন প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু আলােচনা করলেই আজকের বিষয় বস্তু স্পষ্ট হয়ে যাবে! তাদেরকে সাধারনত ৫ ভাগে ভাগ করা যায়!

১)অনেক গরীব

২)গরীব

৩)মিডেল ক্লাস

৪) ধনী

৫) অনেক ধনী যাকে আমরা মিলিনিয়ার বা বিলিনিয়ার বলে জানি!

যে অনেক গরীব তার জীবন কেমন হতে পারে? যেমন রাস্তার ভিখারি! সে সকালে ঘুম থেকে উঠে সে কতটা লম্বা চিন্তা করতে পারে? হয়তাে আজ বিকাল পর্যন্ত। তাইনা? আজ সারা দিনে যদি ১০ টাকা বা ২০ টাকা পেয়ে যাই তাহলে আমার খাবারের সমস্যা হবে না! আমি খুশি বা সুখী!

গরীবের ক্যাটাগরীতে কারা আসে? শ্রমিক! তারা কতটা চিন্তা করতে পারে? এক দিন, দুই দিন বা এক সাপ্তাহ! সাধারন ভাবে যদি শ্রমীকদের দেখি তাহলে দেখা যায় তাদেরকে একদিন বা দুই দিন বা এক সাপ্তাহের হিসাবে বেতন দেওয়া হয়!

আর যারা মিডেল ক্লাস তারা কতটা সময়ের প্রেনিং করতে পারে? বড় জোড় এক মাস! তারা একমাসের প্লেনিং নিয়ে চলে, তাদের ইচ্ছা, চাহিদা এবং কিছু করে দেখানাে তা কেবল একমাসের মধ্যেই সিমাবদ্ধ ! আর দেখা গেছে তাদের মধ্যে বেশির ভাগ ব্যক্তি সেলারী এমপ্লই! এক মাস কাজ করবে আর মাসের শেষে মাইনে পাবে, যা দিয়ে নেক্সট মাসের ইচ্ছা পূর্ন করবে!

কিন্তু যারা ধনী ব্যক্তি তারা কতটা সময়ের প্লেনিং করে বলতে পারে? আপনার কি মনে হয় ১ মাসের জন্যই প্লেন করবে? কোটিপতি বিজনেসম্যানকে যদি দেখেন তারা সাধারনত এক বৎসর বা ২ বৎসর প্লেনিং করে চলে। আর তাদের কাজ কেমন হয় জানেন? তারা অন্য কোন বিজনেস ম্যান ব্যক্তির সঙ্গে যে কোন প্লেন ১ বা. ২বৎসরের জন্য করে, টার্গেট থাকে ২ বৎসরের মধ্যে এই প্লেনকে শেষ করবেই!

আর যারা মিলিনিয়ার বা বিলিনিয়ার তাদের চিন্তা ভাবনাতাে ৫ বা ১০ বৎসরের প্লেনের কম হবেই না! তারা হলেন আম্বানী, টাটা, বিড়লা মিত্তাল ইত্যাদি! তাদের যে কোন প্রজেক্ট ৫ বৎসরের নিচে কোন সময় দেখেছেন? কখনােই না! আর যখন এই সব লােক প্রজেক্ট শুরু করেন তখন আমাদের মনে হয় আরে এই প্রজেক্ট কখন শেষ করবে? আমরা অবাক হয়ে যাই! সঠীক সময়ে তারা প্রজেক্ট শেষ ও করে ফেলে! বন্ধুগন শুধু এতটুকুই পার্থক্য অর্থাৎ তারা অনেক বেশী লম্বা চিন্তা করতে পারে। যা অন্যরা পারেনা! এই জন্যই তারা বেশি কামাই করতে পারে! সাকসেস হতে পারে!

আমরা যদি এতটা লম্বা চিন্তা করতে পারি তাহলে আমরা ও এতটা কামাই করতে পারব!

কিন্তু সমস্যা কোথায় জানেন? গােল সেট করে নিলাম, কাজ শুরু করলাম! আর এক সপ্তাহের মধ্যেই রেজাল্ট না পেলে, সবকিছুতে ব্রেকাপ হয়ে যায়! বন্ধুগন আপনাদের লং টাইম চিন্তা করতে হবে। আপনি ১মাস ৬মাস ১ বৎসরের জন্য গােল সেট করেছেন তার কোন মানে নেই! আপনি এখন থেকেই ১০ বৎসরের গােল সেট করুন! সুতরাং প্রমানে দেখা গেল যে যত লম্বা চিন্তা করতে পারে লম্বা প্লেনিং করতে পারে সে তত বেশি কামাই করতে পারে, বন্ধুগন এটাই হল প্রথম সিক্রেট !

এখন দ্বিতীয় সিক্রেটটি কি জানেন? স্বপ্ন দেখলেই স্বপ্ন পূরন হয়:- চলুন তা শুরু করি !

যিনি প্রথমবার এরােপ্লেন তৈরি করেছেন তিনি কোন না কোন সময় মনে চিন্তাতাে করেছেন যে আমি এমন জিনিস তৈরি করব যা পাখির মতাে আকাশে উড়বে! পরবর্তি সময় তারা এরােপ্লেন তৈরি করেছেন, যদি অন্তর জগতে ঐসব জিনিষ চিন্তা না করতে পারতাে তাহলে বাইরের দুনিয়াতে তা সম্ভব হত? যা আপনি মনে চিন্তা করতে পারবেন তা বাইরের দুনিয়াতে ও তৈরী করা সম্ভব!

এই বিষয়ে ভারতের ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের কথা আমার মনে পরছে! মিডিয়ার লােকেরা অনেকবার জিজ্ঞাসা করেছেন, আপনি যখন খেলতে যান তখন দেখা যায় যেকোন বলেই আপনি রান করতে পারেন যা অন্য প্লেয়ারের পক্ষে সম্ভব হয় না, তা কিভাবে সম্ভব? তখন উনি জবাব দিয়েছেন, আমি প্রত্যেকবার ম্যাচের আগের দিন চোখ বন্ধ করে বসি, আর মনে কল্পনা করতে থাকি! ক্রিকেট ম্যাচ খেলছি, আর আমি সেঞ্চুরী করছি, আমি ভিজুলাইজ করতে থাকি, ইমাজিন করি আর পরে যখন

আমি খেলতে যাই, ঠিক সেই ভাবেই খেলি যা আমি কল্পনা করেছিলাম! এমনকি ধীরুভাই আম্বানীও বলেছেন স্বপ্ন দেখুন তাহলেই আপনি স্বপ্ন পুরন করতে পারবেন! তাছাড়া এমন এক ব্যক্তির উদাহরন দিচ্ছি যাকে ছােট সময়ে স্কুল থেকে বেড় করে দিয়েছিল। তিনি নিউজ পেপার বিক্রি করে জীবন চালাতেন, মাসের শেষে মাত্র ৩০ ডলার কামাই করতে পারতেন!

কিন্তু সে কামাই করতেন মাসে ৩০ ডলার আর তিনি স্বপ্ন দেখতেন হলিউডের সুপার স্টারের হওয়ার! সেই ব্যক্তির কার্টুন বানাের খুব সখ ছিল! সে কার্টুন নিয়ে যখন প্রথম হলিউড পৌছায় রাতারাতি সেই কার্টুনিষ্ট সবাইর পরিচিতি পায়। তার কাটুন হল মিকি মাউস আর ডুনালড়ক! সেই সুপার স্টার হলেন ওয়ালট ডেজনি, আজকে উনার কাছে ৩০ ডলার না তিনি ৩০বিলিয়ন ডলারের মালিক অর্থাৎ ৩০০০ কোটির মালিক! তাই বন্ধুগন নিজে যা হতে চান তার স্বপ্ন দেখতে শুরু করুন!

এখন আসুন তৃতীয় পয়েন্টে:-সময়ের মূল্য- ৮৬,৪০০ সংখ্যাটি আমাদের জীবনে কতটা ইম্পর্টেন্ট জানেন? আপনারা আন্দাজ করতে পারছেন? বিষয়টা কি? অর্থাৎ এতটা সেকেন্ড প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতেই ভগবান আমাদের একাউন্টে তা ডিপােজিত করে দেন! সত্যিই তাই! প্রশ্ন হলাে তাকে কিভাবে খরচ করতে হবে? তা কি আমরা জানি? তা সম্পূর্ন আমাদের উপর নির্ভর করে! ২৪ ঘন্টা মানে ৮৬,৪০০ সেকেন্ড সব মনুষকে দেওয়া হয়, কিন্তু তা ব্যবহার করে কোন ব্যক্তি একেবারে ধনী হয়ে যায়! আর কেউ হয়তাে গরীবই থেকে যায়। এমন কেন হয়?

কারন তার রেজাল্ট ৮৬,৪০০ সেকেন্ডেকে কে কি ভাবে ব্যবহার করছেন তার উপর নির্ভর! প্রাইমিনিস্টারই হউক বা বড় কোন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টই হউক, আমি, আপনি বা রাস্তাতে চলতে থাকা ভিখারীই হউক! প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৮৬,৪০০ সেকেন্ড দেওয়া হয়েছে! আসলে তার ব্যবহার প্রত্যেকে আলাদা আলাদা ভাবে করে থাকে! এখানেই প্রবলেম!

আসুন প্রথমে তাকে বুঝার চেষ্টা করি, কল্পনা করুন আপনার হাতে কিছু টাকা আছে এর মধ্যে বেশির ভাগ নােট ১০ ও ২০ টাকার, এর মধ্যে কয়েকটি ৫০০ টাকার। মনে করুন হঠাৎ বাতাস আসলাে আর তখন আপনার হাত থেকে সব নােট উড়ে গেছে, তখন আপনি কোন নােটটি গুলােকে প্রথমে ধরতে যাবেন? নিশ্চয়ই প্রথমে ৫০০ টাকার নােট ধরতে যাবেন, কারন ১০টাকার নােট আর ৫০০টাকার নােট উঠানাের সময় এবং পরিশ্রমতাে একই হবে, কিন্তু তার পরও আমরা খােজতে থাকি সেই ১০/২০ টাকার নােটকে! দৌড়াতে থাকি সেই ১০/২০ টাকার নােটের পেছনে!

আচ্ছা আপনি কি করবেন? আমাদের হাতে ও ৮৬,৪০০ সেকেন্ড আছে! তবে যে কাজ বেশি আউটপুট দেবে যে কাজ বেশি রেজাল্ট দেবে সেই কাজের পেছনে কি আপনি দৌড়াচ্ছেন?

আপনি যদি ব্যবসায়ী হউন তহলে আপনার প্রথমে ধ্যান দিতে হবে সেই প্রােডক্টের উপর যা আপনার ব্যবসাকে কম্পিডিশানে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সর্বদা সেই বিষয়েই লক্ষ্য রাখতে হবে যে আমাদের হাতে থাকা ৮৬,৪০০ সেকেন্ড যে এক এক করে শেষ হয়ে যাচ্ছে তা যেন আমাদেরকে ভাল আউটপুট দিতে পারে।


Health Management system


 সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন! বর্তমান সময়ে আমরা সবাই স্বাস্থ্য সম্পর্কে যেমন উদাসিন তেমনি স্বাস্থ্য নিয়ে অতি দুঃখের মধ্যে আমরা জীবন কাটাচ্ছি! সকলের কথা চিন্তা করে আধ্যাত্নিক ভাবে স্বাস্থ্য সমাধানের এক ভিডিও নিয়ে এসেছি আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!

আমরা সবাই জীবনে ঈশ্বরের কাছে কিছু দাবী করি আর না করি কিন্তু একটি বিষয় অবশ্যই দাবী করি, আর তা হল সুস্বাস্থ্য! স্বাস্থ্যবান থাকতে কে না চায়? বলুনতাে? জীবনে সবাই চায়!জীবনে অতি আবশ্যক ও ভ্যালুয়েবল বিষয়ের মধ্যে যদি আমরা বিচার করি তাহলে দেখা যায় আমরা ৩টি বিষয়কেই প্রাধান্য দেই।

এ গুলাে হল ১)স্বাস্থ্য ২) সম্পত্তি ৩) খুশি! কোন ব্যক্তি যদি স্বাস্থ্যবান হয়, তাহলে জীবনে সম্পদ বা খুশির অভাব হতে পারে না। আর যদি স্বাস্থ্যবান না হয় তাহলে ধন সম্পদ বা শান্তি কোন কিছুই সম্ভব হবে না!আজকের প্রােগ্রামের মূখ্য বিষয় হল আমরা কিভাবে স্বাস্থ্যকে ভাল ও সুন্দর রাখতে পারি। আমাদের স্বাস্থ্যকে ভাল রাখা আমাদের জন্মগত অধিকার যা স্বয়ং ভগবান থেকে আমরা পেয়েছি, কিন্তু আধুনিকতার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে আমরা স্বাস্থ্যকে একেবারে গুরুত্বহীন করে ফেলেছি!

বর্তমানে মানুষের মনে এক এক বিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে যে এই কম্পিটিশানের যুগে যে যত বেশি আরামে থাকবে,যে এসি রুমে থাকবে এমন কি যে যত বেশি ফেট চর্বি খাবার খেতে পারবে সেই সকলের কাছে দামী পার্সন হবে!কিন্তু পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভােগতে হয়! বন্ধুগন যদি স্বাস্থ্যকে সর্বদা কন্ট্রোল করে চলতে পারি তাহলে ভগবানের দেওয়া ১০০ বৎসরের আয়ুকে সম্পূর্ন ভাবে উপভােগ করতে পারি! তবে তা সম্ভব হবে কেবল মাত্র স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলের মাধ্যমে! এটাই একমাত্র সহজ মাধ্যম কারন জীবন শৈলী আজ একদম বিনষ্ট হয়ে গেছে! আমাদের খাওয়া দাওয়ার সিস্টেম একদম বিনষ্ট হয়ে গেছে, যার কারনে আমরা এই বিভিন্ন রােগের স্বিকার হচ্ছি। আজকাল তাে টিবি দেখতে দেখতে খাবার খাওয়া এক ফ্যাশানে পরিনত হয়ে গেছে!টিবি দেখতে দেখতে কতটা খেয়ে ফেলেছেন তার কোন হিসাবই থাকে না! শুধু তাই না শুয়ে থেকে ও খাবার খাবেন, এই কারনে মানুষ মােটাপার স্বিকার হচ্ছে! আর ও বিভিন্ন রােগের স্বিকার হচ্ছেন।বন্ধুগন স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল বা আধ্যাত্মিক জীবন শৈলি এক মাত্র উপায় যা আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্ত করতে পারে! তাই আমরা স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল প্রােগ্রামটি নিয়ে এসেছি, তাহলে চলুন শুরু করি!আমাদের মধ্যে অনেক প্রকারের গুন রয়েছে! তবে শক্তি ও অভিজ্ঞতা থাকলেও আমরা কিন্তু স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলের কলা।

সম্পর্কে আমাদের কোন অভিজ্ঞতা নেই! আপনার সব ধরনের গুন থাকা সত্বেও আপনার যদি স্পিরিচুয়াল গুন না থাকে তাহলে জীবন নিরস মনে হবে!কিন্তু প্রশ্ন হল স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক জীবন শৈলী বলতে কি বুঝায়, আসলে স্পিরিচুয়ালিটিকে প্রাধান্য দিয়ে চাল চলন, আচার ব্যবহার, খাবার দাবার, ইত্যাদি যাবতীয় কাজ কর্ম প্রতিদিন নিয়মিত করাকেই স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল বলা হয়!তবে স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলকে ফলাে করে যদি নিজেকে সুস্থ রাখতে চান তাহলে-

প্রথম যে বিষয়টি ফলাে করতে হবে আর তা হল শিঘ্রই বিছানাতে যাওয়া আর শিঘ্রই বিছানা থেকে উঠা! কথায় আছে আরলি গাে টু বেড এন্ড আরলি রাইজ ফ্রম বেড! কিন্তু আজ কাল তারা তারি বিছানাতে যাওয়া বা তারা তারি বিছানা থেকে উঠা এগুলাে আমাদের জীবন থেকে চলে গেছে কিন্তু আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতিতে এমন ছিল না! আজকে যাদের বয়স ৪০ বা ৫০ এর উর্ধে যারা আজ এই প্রােগ্রামটি দেখছেন আপনারা নিজেরাই সাক্ষি আছেন আপনারা যখন যুবক ছিলেন তখন সূর্যদয়ের পরে কোন ব্যক্তি ঘুমাতেই পারতেন না! কিন্তু আজকাল সবাই খায় দেরিতে এমন কি ঘুমায় ও দেরিতে আবার উঠেও দেরিতে! তাহলে কিভাবে জীবনে সুস্থ্য থাকবেন? ডায়াবেটিস বা অন্যান্য রােগের স্বিকার তাে আপনাকে হতেই হবে!

বৈজ্ঞানিক ভাবেও প্রমান হয়ে গেছে বেশি ঘুমানাে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি কারক, আবার দেরিতে যদি খাওয়া হয় আর দেরিতে যদি ঘুমানাে হয় তাহলে আপনার খাবার হজম ঠিক ভাবে হবে না এতে শরীর ও এনার্জি পাবে না!আর যদি দেরিতে। উঠেন তা হলে হার্ট অ্যাটাক্ট ও ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিজ ইত্যাদির সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমনকি ভগবদগীতাতেও ভগবান বলেছেন হে অর্জুন অতি নিদ্রা, অনিদ্রা যােগীর লক্ষন নয়! বেশী ঘুমিয়ে বা একদম কম ঘুমিয়ে বা বেশি খেয়ে বা উপাস থেকে ব্যক্তি কখনােই সুস্থ থাকতে পারেনা!

এছাড়া পজেটিভ চিন্তা বা মেডিটেশানের মাধ্যমেও আপনি নিজেকে সুস্থ্য রাখতে পারেন! অর্থাৎ আপনি যাই কিছু চিন্তা করবেন সব কিছুই পজেটিভলি করতে হবে, অথাৎ ভগবান যাই কিছু করছেন আমার ভালর জন্যই করছেন! ভগবান আমাদের শাস্তি দেননা আমাদের ভালবেসে শিক্ষা দেন যাতে আমরা বড় ধরনের কোন ভুল না করি! এই পজেটিভ চিন্তা তখনই সম্ভব হবে যখন আপনি মেডিটেশানের মাধ্যমে ঈশ্বরের সাথে যুক্ত হতে পারবেন, হয়তাে মেডিটেশানের নাম শুনলেই অনেকে হয়তাে ঘাবরে যাবেন! ঘাবরাতে হবে না, মেডিটেশান অনেক ধরনের হতে পারে! এর মধ্যে রাজযােগ মেডিটেশানই হল একদম সহজ মেডিটেশান, যার জন্য বিশেষ কোন নিয়ম প্রয়ােজন হয় না। যেখানে কম্ফোর্ট ফিল করবেন সেখানেই বসে ঈশ্বরের সাথে আপনি কানেক্ট হতে পারেন আর সেই কানেক্টিং প্রসেসকেই বলা হয় মেডিটেশান!যা আপনার ভিতরে অনুভুতিকে জাগ্রত করবে এবং স্ব-অনুভুতিকে উজ্জিবিত করবে, যার ফলে আপনি রিয়েলাইজ করতে পারবেন বাস্তবে আপনি কে? অনেকের হয়তাে বিষয়টিকে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে, আসলে আমরা নিজেকে যা দেখছি বা যা ভাবচ্ছি তা আমরা নই,তা ছাড়া ও আমাদের অন্য একটি রুপ আছে পরিচয় আছে যাকে আমরা দেখতে। পাইনা! হয়তাে এই সংসারের মায়া জালে আমরা নিজেকেই ভুলে গেছি, আমি আর আমার এই ধাধার উত্তর আমাদের কাউরই জানা নেই! একটা সময়ের জন্য এসেছি সময় শেষ হলেই আবার চলে যাব, কিন্তু আজ যেই দেহটিকে আপনি আইনাতে দেখছেন আর এই আজকের দিনে যে জলন্ত সমস্যা গুলির সাথে আমাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছে তার মধ্যে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ যা আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রােগের স্বিকার করে তুলছে!মানসিক চাপ is the no 1 proxy killer today এই কথাটি বাস্তব সত্য!

আজকে দুনিয়াতে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,মেক্সিমাম মানুষের মৃত্যু হার্ট অ্যাটাক্ট এর কারনে হচ্ছে, কিন্তু হার্ট অ্যাটাক্ট কেন হচ্ছে? যদি আপনি তার গভীরে যান আপনি বুঝতে পারবেন টেনশানই তার জন্য একমাত্র দায়ী!টেনশান পর্দার পেছনে থেকেই কাজ করে, কিন্তু মানুষ বুঝতে পারেনা, এই জন্য বলা টেনশানকে এক প্রক্সিকিলার বলা হয়! স্ট্রেস এক ড্রেইন হিসাবে কাজ করে আমাদের মানসিক এনার্জিকে লস করে দেয়! বাস্তবে যদি আমরা সবাই আনন্দে থাকি খুশিতে থাকি, শরীর অটোমেটিকেলী সুস্থ হয়ে যাবে। এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে মেডিটেশানই একমাত্র উপায়, মেডিটেশানের দ্বারাই আপনি মানসিক টেনশান বা | স্ট্রেসকে দুর করতে পারবেন।

তাছাড়া আরও একটি গুরুত্ব পূর্ন বিষয় হল ‘অন্ন’ যা আমাদের মানসিক অবস্থাকে কন্ট্রোল করে। মানব শরীর এক গাড়ির মতাে! যেমন গাড়ির মধ্যে তৈল ঢুকানাে হয়, পেট্রোল গাড়ির মধ্যে পেট্রোল ঢালা হয়, ডিজেল গাড়ির মধ্যে। ডিজেল ঢালা হয়, ঠিক একইভাবে গাড়ি রুপী আমাদের শরীরকে চালানাের জন্য আমরা খাবার খেয়ে থাকি,তবে পেট্রোলের গাড়িতে

যদি কেরসিন ঢালি তাহলে গাড়ি যেমন ববাদ হয়ে যাবে!ঠিক তেমনি আমাদের দেহে ও আজ সাত্নিক ভােজনের পরিবর্তে আজ ফাস্ট ফুড, কোলড্রিংস,পান মশলা, সিগারেট, অ্যালকোহল ইত্যাদি খেয়ে আজ কাল দুনিয়াতে কেন্সার হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাক্ট হচ্ছে।

তাছাড়া এই প্রকার ডায়েট গুলি ফুল অব হাই কেলরীজ, যদি কোন ব্যক্তি মােটা হয়ে যাচ্ছেন তাহলে ক্যালরী কম করার প্রয়ােজন! পুড়ি পেড়া পােকড়া পিজা পােকোয়ান পরােটা, এই সব খাবারে অনেক কেলরী থাকে, এই গুলিকে এবয়ে করা উচিত ,

সুতরাং জীবনকে সুন্দর আনন্দময় ও সুস্থ রাখার জন্য সাত্যিক ভােজনের উপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক বন্ধুগন এই প্রােগ্রামটি যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক করবেন আর কমেন্টে জানাবেন, আর স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল প্রােগ্রামকে ১০০% বুঝতে হলে এই চেনেলের সাথে যুক্ত থাকুন

ধন্যবাদ।

How to Increase Memory Power

 



সবাইকে অনেক ধন্যবাদ! বন্ধুগন যে কোন বয়সে মেমরী পাওয়ার বৃদ্ধি করা যায় এবং তা প্রয়ােজন!হয়তাে অনেকেই বার বার ভুলে যাওয়ার অনেক হয়রানীতে আছেন! এই বিষয়ে আমি খুব। সুন্দর ভিডিও নিয়ে এসেছি। আশাকরি সকলে উপকৃত হবেন! অনুরােধ রাখছি ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন!

বন্ধুগন ভগবান যখন আমাদেরকে শক্তি দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তখন শক্তির এক ফর্মুলা দিয়েছেন! সেই ফর্মূলা হলাে ইউজ ইট অর লুজ ইট।তার মানে যদি তাকে ব্যবহার কর তাহলে তা বৃদ্ধি পাবে, নয়তাে শক্তি হারিয়ে ফেলবে!

উদাহরন:-যেমন আমার ডান হাতকে যদি এই ভাবে (ঝুলন্ত অবস্থায়/প্লাস্টার অবস্থায়) যদি এক মাস রেখে দেওয়া হয় এবং এই হাতটিকে যদি এক মাস পরে খুলা | হয় তাহলে আপনার কি মনে হয়? এই হাতটিকে দিয়ে কি আগের মতাে কাজ করতে পারব? উত্তর আমি তার ব্যবহার আগের মত করতে পারব না, কারন যদি আমার হাতকে এক মাস পর্যন্ত একই পজিশানে রাখা হয়তাহলে তার মধ্যেএক রিজিডিটি এসে পড়বে অর্থাৎ অকর্মন্যের কারনে তা আগের মতাে আর কাজ করতে পারবে না, তার ব্যবহারের আগে আমাকে কোন এক ফিজিউ থ্যারাপীষ্টের কাছে যেতে। হবে! যিনি আমার এই হাতকে ধীরে ধীরে মােভমেন্ট করাবেন।আর তখনই আমি তার ব্যবহার করতে পারব,সুতরাং এই বিষয়টিই আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের যে শক্তি গুলি আছেসেই গুলিকে যদি এই ভাবে না ব্যবহার করি তাহলে সেই শক্তিকে ইউজলেস হয়ে যাবে। এমনকি মানুষ বলে থাকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেমরির পাওয়ারও কমতে থাকে, বার বার ভুলে যাই!কিন্তু আমি মনে করি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মেমরী পাওয়ার কমে না,আমরা ইচ্ছা করে সেই মেমরী কে ইউজ করি না,হতে পারে প্রয়ােজন পরে না! তাই পাওয়ার কমে যায়!কারন স্কুল বা কলেজ জীবনে এমন অনেকবার মেমরি পাওয়ার ব্যবহার করে থাকি,কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে যাই,তখন আমরা তার ব্যবহার তেমন করি না, আর যখন ৪০ বা ৫০ বৎসর হয়ে যায় তখন তাে আর তার ব্যবহারের প্রশ্নই উঠে না!সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়টি ও জানা প্রয়ােজন যে সমস্ত মডান টেকনােলজি যেমন মােবাইল,কম্পিউটার বা লেপটপের যুগে বেশির ভাগ বিষয়ই(মেমােরী) আমরা মােবাইল বা লেপটপের মধ্যেই সেইভ করি!আর এর ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মেমরীর ক্ষমতাও কমতে থাকে, সেই জন্যই আমাদের তা জানা প্রয়ােজন যে যখন আমরা মেমরি ব্যবহার না করি তখন সেই মেমরির পাওয়ার দিন দিন শেষ হয়ে যায়! ঠিক সেই ভাবেই ঈশ্বর আমাদের যত মাইন্ড পাওয়ার দিয়েছেন বিশেষ করে ৯০% মাইন্ড পাওয়ার মানে সাব কনসিয়াস মাইন্ডের যে শক্তি তার ব্যবহার ও আমরা সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারছি না! এর ফলে সেই শক্তিকে আমরা সম্পূর্ন ভাবে ব্যবহার করতে পারছি না ,কিন্তু সেই শক্তিকে ও আবার ফিরিয়ে আনতে পারবেন,মাইন্ড পাওয়ারকে ডেভেলপ করা যেতে পারে। শরীরের শক্তিকে ডেভেলপ করার জন্য দুইটি বিষয় এক হল ভাল নিউট্রিশিয়ান ফুড,আর দ্বিতীয়টি হল এক্সারসাইজ প্রয়ােজন ,ঠিক একই ভাবে যদি আমাদের মাইন্ডের শক্তিকেও ডেভেলপ করার প্রয়ােজন তাহলে তার জন্য ভাল নিউট্রিশিয়ান, ভাল এক্সারসাইজ দুইয়ের এতটাই প্রয়ােজন, তবে শরীরের জন্য তাে নিউট্রিশিয়ান ফুড বা এক্সার সাইজ আমরা জানি, কিন্তু প্রশ্ন এখানে মাইন্ডের জন্য নিউট্রিশিয়ান বা ভাল এক্সার সাইজ কি হবে?

আসুন সেই বিষয়ে আমরা আলােচনা করছি।নিউট্রিশিয়ান ও আমাদের মনের জন্য প্রয়ােজন আর তা হল পজেটিভ থিংকিং, পজেটিভ স্পিকিং এবং পজেটিভ রিডিং মানে ভাল চিন্তা করা,ভাল পড়া,ভাল বলা,আমাদের তা জানা প্রয়ােজন!আমরা যতই পজেটিভ চিন্তা করতে পারব ততই আমাদের মনের দরজা খােলা থাকবে,সাথে সাথে আমরা যতই পজেটিভ বলতে পারব ততই আমাদের মাইন্ড পজেটিভ কাজ করতে পারবে, আর সবচেয়ে বড় কথা পজেটিভ রিডিং যার মাধ্যমে আমাদের যে বন্ধ দরজা তা খুলা শুরু করবে। যে কোন মােটিভেশনাল বই বা ইন্সপায়ারিং বই পড়ার সাথে সাথে আমি বলব এক্সার সাইজ করা,যখন এক্সার সাইজের বিষয় আসে তখন যেই ভাবে আমরা। জিমে গিয়ে আমাদের শরীরকে সুস্থ্য রাখার জন্য এক্সারসাইজ করি ঠিক সেই ভাবে মাইন্ডেরও জিমের মানে এক্সারসাইজ করানাে প্রয়ােজন!তা বলার কারন মাইন্ডেরও এক জিমের ব্যবস্থা আছে যাকে আপনি বলতে পারেন ,রিলেকজেশান, মেডিটেশান এবং ভিজুলাইজেশান আর তাই হল নিউট্রিশিয়ান অফ দ্যা মাইন্ড এন্ড এক্সারসাইজ অফ দ্যা মাইন্ড।বন্ধুগন এখন এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় আমাদের মেমরীর শক্তি ১০০% সেভ আছে কিন্তু তাকে যদি ইউজ না করি তাহলে তাে তা ইউজ লেস হবেই, আর যদি তাকে পূনরাই ইউজ করতে শুরু করেন তাহলে তার লাভ নিতে পারবেন,তাহলে দেখুন কি করবেন? মেমরীকে ডাস্টবীনে ফেলে দেবেন না কি তাকে ইউজ করবেন? বয়স ফেক্টার না ফেক্টার ব্যবহারের উপর! বন্ধুগন মেমরীর পাওয়ারকে কি ভাবে আরও সতেজ ও শক্তিশালী করা যায় তার টিপস পাওয়ার জন্য এই চেনেলের সাথে যুক্ত থাকুন,

ধন্যবাদ!



How to use Law of Attraction

 


এই মুহুর্তে আপনি যদি ভাবেন আপনার হাতে এক কোটি টাকা থাকত আর ধরুন সেই মুহুর্তেই আপনার হাতে এক কোটি টাকা এসে গেল! যদি ভাবেন আপনার একটি লাকজারি গাড়ি থাকত আর সঙ্গে সঙ্গে আপনার একটি লাকজারি গাড়ি এসে | গেল! যদি আপনি আশা করেন বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হওয়ার! আর যদি টপ টেনের মধ্যে আপনার নাম আসে বলুন তাে আপনার কেমন ফিলিং হবে? আর আমি জানি এই মুহুর্তে আপনার কাছে এই কথা গুলি সম্পূর্ন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে! ঠিকই তাে অবিশ্বাস্য হওয়ারই তাে কথা! তাই না?

কিন্তু বন্ধুগন আজ আপনাদের সামনে একদম প্রমান সহ দেখিয়ে দেব যেএটা ও বাস্তব হতে পারে! হয়ত আপনি প্রশ্ন করবেন তাহলে তাে প্রত্যেক ব্যক্তিই কোটিপতি হতে পারত! প্রত্যেকেই দামী দামী গাড়ি চালাত! আমি বলছি হ্যা অবশ্যই পারত!
যদি তারা সেই সিক্রেট গুলি জানত! আজ বিশ্বেও সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন এলন মাস্ক! বা ভারতের ক্ষেত্রে আম্বানী বা আদানিই বলেন, প্রত্যেকেই সেই সিক্রেট টিপস গুলাে ব্যবহার করেছেন আর এখন ও করছেন! আজ এই প্রােগ্রামের মাধ্যমে আপনাদের সামনে এই সিক্রেট টিপস গুলাে নিয়ে এসেছি, যদি আপনার স্বপ্নকে সাকসেস করতে চান তাহলে এই ভিডিওটি মন দিয়ে দেখুন আর মনে রাখুন টিপস গুলি কি কি! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না! এই চ্যানেলে আপনারা যদি প্রথমবার হয়ে থাকেন তাহলে সাস্ক্রাইব বটনে হিট করবেন! তাহলে আমার নতুন যে কোন ভিডিও দ্রুত আপনার কাছে পৌছে যাবে! আমার ওয়েবসাইট লিঙ্ক ডেস্ক্রিপশান বক্সে দেওয়া থাকবে! দেখবেন অনুপ্রানিত হবেন!

টিপসের মধ্যে সব থেকে গুরুত্ব পূর্ন টিপসটি হল ‘ল অব অ্যাট্রাকশান’ শব্দটি শুনেই বুঝতে পারছেন অ্যাট্রাকশান মানে কোন কিছুকে | আকর্শন করা,আজ এই সিস্টেমটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলােচনা করব! কিভাবে কোন পদ্ধতিতে কোন পরিস্থিতিতে এই সিস্টেমটি ফলাে করা উচিত! আজ এই পদ্ধতি ফলাে করে যেমন মানুষ সফলতা পাচ্ছে ঠিক তেমনি সমাজ অধপতনেও যাচ্ছে!কারন এর ভাল দিক যেমন আছে তেমনি খারাপ দিক ও আছে! এখন আপনার স্বপ্নকে ভাল ভাবে বাস্তবে নিয়ে আসবেন না কি সমাজের চোখে খারাপ হবেন তা সম্পূর্ন আপনার উপর নির্ভর! দেখুন যারা বর্তমানে স্টুডেন্ট রয়েছেন তাদের এক ধরনের স্বপ্ন থাকবে এবং যারা পড়াশুনা শেষ করেছেন বর্তমানে হয়তাে সাধারন কোন কর্ম করে যাচ্ছেন তাদের স্বপ্ন একধরনের হবে এমনকি যারা কোন সরকারি সার্ভিস বা ব্যবসা করছেন প্রত্যেকের স্বপ্ন আলাদা হবে!তবে স্বপ্নকে বাস্তবে পরিনত করার পদ্ধতি কিন্তু একই ধরনের, বন্ধুগন আমাদেরকে ভগবান যখন এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তখন শারীরিক বা মানসিক ক্ষমতাকে ১০০% দিয়েই পাঠিয়েছেন! কিন্তু আমরা জন্মের পর ধীরে ধীরে আমাদের পরিবেশের সঙ্গে সম্বন্ধের সম্পর্কের সঙ্গে নিজেকে এমন ভাবে জড়িয়ে ফেলি! ফলে পরিবেশের মানে আশে পাশের ব্যক্তিবর্গের চিন্তা ভাবনা ধ্যান ধারনা ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে প্রবেশ করতে থাকে যার ফলে আমরা আমাদের ১০০% শক্তিকে ইউজ করার সিস্টেমকেই ভুলে। যাই!বন্ধুগন আমাদের চিন্তা শক্তির প্রধান কেন্দ্র হল আমাদের ব্রেইন! আরও স্পষ্ট করে বললে বলতে হয় আমাদের মন! আমরা যখনই কিছু ভাবি বা স্বপ্ন দেখি তখন লক্ষ্য পূরনের দৃশ্য পূর্বেই আমাদেও বুদ্ধির চোখে ভেসে উঠে এবং তা কিভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে আমাদের মন ও বুদ্ধি তার প্রসেস শুরে করে দেয়!তবে ভগবান আমদের মনকে দুই ভাগে ভাগ করে। দিয়েছেন এক হল কনসিয়াস মাইন্ড সচেতন আরেকটা হল সাব কনসিয়াস মাইন্ড মানে অবচেতন মন!আপনি যা হতে চাইছেন, যেমন হতে চাইছেন প্রথমে তা কনসিয়াস মাইন্ডের দ্বারাই চিন্তা করেন,কিন্তু তা বাস্তবায়িত করা কনসিয়াস মাইন্ডের কাজ নয় তা বাস্তবায়িত করবে সাবকন্সিয়াস মাইন্ড। তাই আপনি সৰ্ব্বদাই পজেটিভ ভাবার চেষ্টা করুন!নেগেটিভ চিন্তা হলে সাবকন্সিয়াস মাইন্ড এটিকেই বাস্তবায়িত করে দেবে!যা বর্তমানে প্রাই ব্যক্তির সাথে হচ্ছে, যা খারাপ তাই ঘটচ্ছে আর যা ভাল তা ঘটচ্ছে ! বন্ধুগন এখন আসুন মেইন পয়েন্টে কিভাবে আপনার ইচ্ছা মানে আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবেন। আপনি যেই বিষয়ে টার্গেট সেট করবেন এমন টার্গেট যেন না হয় যে অন্য ব্যক্তির সাথে কম্পিটিশান করে বা রাগ করে আপনি টার্গেট সেট করলেন তাহলে তা অর্ধেক রাস্তাতেই ভেঙ্গে যাবে! কারন আপনার সেই রাগ বা প্রতিযােগিতা কিছু দিন পরে হয়ত আর থাকবে না,তখন আপনি সেই টার্গেটকেই ভুলে যাবেন! তাই এমন টার্গেট সেট করুন যা আপনার ভিতর থেকে আসে!টার্গেট সেট করার সঙ্গে সঙ্গে আপনি তা কোন একটি নােটপ্যাডে লিখে রাখুন! এমনকি যদি সম্ভব হয় তা ড্রয়িং করে বেড রুমে রাখতে পারেন, আপনার অফিসে রাখতে পারেন, এমনকি আপনি যে বাইক বা স্কুটি ব্যবহার করছেন তার মধ্যে ও রাখতে পারেন! এবং এক End of Point সেট করুন কত দিনের মধ্যে আপনার সেই গােল এচিভ হতে যাচ্ছে! তার পর তা ভিজুলাইজেশান অর্থাৎ চিত্রচিত্রন করা শুরু করুন! মানে কল্পনা করুন আপনি যে টার্গেট সেট করেছেন তা আপনার পুর্ন হয়েছে, আপনি তার আনন্দ উপভােগ করছেন! এর পর ধীরে ধীরে অ্যাট্রাকশান শুরু করা, মানে আকর্ষন করা! ধীরে ধীরে গােলকে এমন ভাবে আকর্ষন করতে হবে যেমন আপনার টার্গেট আপনার একদম কাছে এসে গেছে!কিন্তু অনেকে হয়ত বলবে টার্গেট তাে সেট করেছি এবং ভিজুলাইজেশান ও করেছি তার পরও আমাদের স্বপ্ন পূর্ন হয়নি বা হচ্ছে না! বন্ধুগন আপনার লক্ষ্য না পূর্ন হওয়ার পেছনে যে সমস্ত কারন গুলি আছে তার মধ্যে

প্রথমত:- আপনার ভিজুলাইজেশান সঠিক ভাবে সঠিক সময় করতে পারছেন না,আর ভিজুলাইজেশানের সময় আলাদা আলাদা চিন্তা আপনার মনে আসে যা আপনার টার্গেটের বিপরীত হয়ে যায়! যেমন আপনি যদি এক পরীক্ষার্থী হউন আপনার স্বপ্ন হচ্ছে পরিক্ষায় টপ টেনের মধ্যে আপনার নাম থাকবে!আর যখনই ভিজুলাইজেশনে বসলেন সঙ্গে সঙ্গে মনে আসচ্ছে আরে তুইকি । পারবি?তাের পক্ষে কি সম্ভব হবে? তুই পারবি না! আর আপনি ও উঠে গেলেন! এই ভাবে ভিজুলাইজেশান যদি হয় তার কোন রেজাল্ট আপনি পাবেন না!

দ্বিতীয়ত:- আপনার ভিজুলাইজেশানের সঠিক সময় নির্ধারন করতে পারেন নি,যেমন ধরুন আপনি রাত্রিতে খাওয়ার পর যখন বিছানায় যাবেন তখন থেকে আপনার ভিজুলাইজেশান শুরু হতে হবে চোখে যখন তন্দ্রা বা ঘুম আসবে আপনি ঘুমিয়ে পড়লেন! তার পরও সেই প্রসেস চলতে থাকবে! আবার সকালে যখন ঘুম থেকে উঠার সময় চোখ খােলার পূর্বেই আপনি যখন সজাগ হয়ে যাবেন তখন থেকেই আপনার ভিজুলাইজেশান শুরু হতে হবে! সারাদিন সময় সময় করবেন!

তৃতিয়ত:-আমরা সারা দিনে যা কিছু কাজ করি মানুষের সাথে যা কিছু ব্যবহার করি, কথা বার্তা বলি তার মধ্যে যে সব নেগেটিভ বিষয় যেমন ধরুন কেউ আপনাকে খারাপ বলেছে, কেউ আপনাকে ভুল বুঝেছে, কেউ আপনাকে আঘাত করেছে,এসব ভুলে যান! তা না হলে এই সব কিছুই রাত্রিতে যখন বিছানাতে শুতে যান তখন সব গুলি মনে আসবে! এমনকি ঘুম পর্যন্ত ঠিক ভাবে হয় না এই নেগেটিভ চিন্তার কারনে, এর ফলে আপনার মনের ক্ষমতা অনেক কমে যায়,আপনা টার্গেটকে অ্যাট্রাক্ট মানে আকর্ষন করার সেই শক্তি আপনি হারিয়ে ফেলেন!আপনার উচিত সারা দিনে যে সমস্ত পজেটিভ রেজাল্ট আপনি পেয়েছেন তা মনে করা, যাদের কাছ থেকে সম্মান পেয়েছেন,যে সমস্ত কাজ থেকে আপনি আনন্দ পেয়েছেন, সেই বিষয় গুলি মনে মনে চিন্তা করা এবং এর থেকে ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট গুলােকে খােজে বের করা যাতে কিভাবে আগামী দিনেও আপনি খুশি থাকতে পারেন! তাতে আপনার মনের এনার্জি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।

চতুর্থত:- মানুষের ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ না করার পেছনে আরেকটি কারন আছে আর তা হল যখন পরিস্থিতির কারনে। হঠাৎ করে নিজের টার্গেট সেট করে নিলেন তা কিছুদিন হয়তাে কন্টিনিউ করলেন! ভাবলেন কি কি স্টেপ নিতে হবে। কিন্তু কিছু দিন পরে তা হ্রাস পেতে থাকে! এমন এক সময় আসে যখন প্রতিদিন মনে আসার পরিবর্তে সাপ্তাহে একবার সেই লক্ষ্যের কথা মনে পরে! ধীরে ধীরে এমন হয় সেই লক্ষ্য বাদ দিয়ে আবার নতুন এক লক্ষ্য সেট করেন। আবার সেইম প্রসেস চলতে থাকে!

পঞ্চমত:-মানুষ স্বপ্নকে দেখার সাথে সাথে সেই স্বপ্নকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে থাকে, এর ফলে আপনার ল অব অ্যাট্রাকশানের শক্তির স্পিড ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

ষষ্ঠত:- ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ না করার পেছনে আরেকটি গুরুত্ব পূর্ন কারন হল শারীরিক ক্ষমতাকে এবয়েড করে টার্গেট সেট করে বসা! যেমন একদম সহজ উদাহরন! আপনি সব সময় এয়ার কন্ডিশন রুমে থাকা পছন্দ করেন, রৌদে যাওয়া পছন্দ করেন না, আর হঠাৎ আপনার দেশ প্রেম জেগে উঠল আর আপনি টার্গেট সেট করে নিলেন এক সৈনিকের, আপনার কি মনে হয় তা আপনার শরীর সুইট করবে? ধীরে ধীরে সেই টার্গেট ও ব্যর্থ হয়ে পরবে!

তবে হ্যা আপনি যদি একাগ্র চিত্তে সেই চিন্তা করতে থাকেন তাহলে আপনার শরীরকে সেই লক্ষ্য পূর্ন করার জন্য ধীরে ধীরে উপযুক্ত করে তুলবে, তবে একাগ্র চিত্তে করতে হবে!আর ল অব অ্যাট্রাকশানও সেই লক্ষ্যেই কাজ করে আপনাকে ডাইরেক্ট রেজাল্ট এনে দেবে না, কিন্তু সেই লক্ষ্য পূর্ন করার জন্য আপনার শরীরকে উপযুক্ত করে তুলে। আপনি সবসময় যখন একই বিষয়ে চিন্তা করতে থাকবেন তখন সেই মন সেই বিষয়ে কাজ করার জন্য তৈরী হয়ে যায়!তবে বন্ধুগন ল অব অ্যাট্রাকশান। ডাইরেক্ট রেজাল্ট তাে দিতে পারবে না ঠিক আছে কিন্তু আপনার স্বপ্নকে পূর্ন করার জন্য রাস্তা তৈরি করে দেবে।ল অব অ্যাট্রাকশান যদি সঠিক ভাবে ফলাে করতে পারেন আমি মনে করি ১০০% আপনার লক্ষ্য পূর্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বন্ধুগন আশা করি আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার মাধ্যম আপনাদেরকে দিতে পেরেছি! যদি এই ভিডিওটি আপনাদের উপকারে আসবে বলে মনে হয় তাহলে একটি লাইক ও শেয়ার করবেন তাতে আমরা অনুপ্রেরনা পাব!

Saturday, July 23, 2022

Easy Way to crack UPSC Exam:

 



এই বৎসর অর্থাৎ ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশের বিজনােরের ২৩ বৎসরের কন্যা শ্রুতি শৰ্মাজী U.P.S.C(union public commission) তে টপ 1 রেঙ্ক করে দেখিয়েছেন! উনারই এমাজিং সাকসেস স্টরির টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি! এই টিপস ফলাে করলে আপনি ও এই লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন।

ইউ.পি.এস সি পরিক্ষায় বসতে অনেকেরই ইচ্ছা হয়, কিন্তু সফলতার সঠীক উপায় অনেকে জানেন না। অনেকে ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় বসার জন্য ভাবেন মনে হয় হ্যা আপনি ও পারবেন পরিক্ষায় ক্রেক করতে! ভয়ের কোন কারন নেই। কিন্তু যখন পরিক্ষার ফর্ম ফিলাপের সময় আসে ফর্ম ফিলাপ ও করেন , কিন্তু প্রিপারেশান কি করবেন, কোথা থেকে স্টার্ট। করবেন কিছুই ভেবে উঠতে পারেন না!

এক সার্ভেতে দেখা গেছে ভারতবর্ষে ইউ.পি.এসসি পরিক্ষার ফর্ম যদি ১০০% ফিলাপ করে তার মধ্যে ৪০% কেন্ডিডেট প্রিলিমস(prelims) পরিক্ষাতে বসার জন্য তৈরী হয়! আর মেইন পরিক্ষা দেওয়ার জন্য মাত্র ১.৩% সিলেক্ট হয় আর ৩৮.৭% কেন্ডিডেট ব্যর্থ হয়ে যায়! আর মেইন পরিক্ষা ক্রস করে ইন্টারভিউর জন্য ০.০২৪% কেন্ডিডেট সিলেক্ট হয়, আর ফাইনাল সিলেক্ট হয় ০.০৯ % আপনি ভাবতে পারছেন? এই পার্থক্য কেন?  জীবনে যদি কিছু করে দেখাতে চান তাহলে সেই ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় টপ রেঙ্ক করে দেখান! যেখানে শুধু গভর্নমেন্ট চাকরি করে অর্থ উপর্জনই লক্ষ্য নয়। নিজেকে নিজের দেশে প্রতিষ্ঠিত করার এক মাধ্যম বলতে পারেন! হয়তাে অনেকেই ১০০% টার্গেট নিয়ে এর প্রিপারেশন শুরু করেন কিন্তু দেখা যায় মাঝ রাস্তাতেই ব্রেক ডাওন হয়ে যায়! তার একদম প্রকৃত উদাহরন
২০২২ সালের ইউ.পি.এস.সি লিষ্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন, দেখা গেছে ১০,৯৩,৯৮৪ পরিক্ষার্থী ফর্ম ফিলাপ করেছেন এর মধ্যে মাত্র ৫,০৮,৬১৯ জন পরিক্ষার্থী প্রিলিমস পরিক্ষার জন্য তৈরি হয়েছে। তার থেকে মাত্র ৫০% শেষ পর্যায়ে প্রিলিমসে বসেছে এর মধ্যে মাত্র ০.০১% ক্রেক করেছে। তাহলে বুঝতে পারছেন?

এই বৎসর অর্থাৎ ২০২২ এ টপ ওয়ান হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বিজনােরের ২৩ বৎসরের কন্যা শ্রুতি শৰ্মাজী সব থেকে মজাদার বিষয় হল সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা চিন্তা ধারা অর্থাৎ ট্রেডিশানের পরিবর্তন হতে চলেছে!পুরুষদের তুলনায় | মেয়েরা পিছিয়ে থাকবে কারন তারা দৈহিক বা মানসিক উভয় দিক দিয়ে দুর্বল, কিন্তু কয়েক বৎসরের ইউ.পি.এস.সি রেজাল্টে দেখা যায় পুরানাে ট্রেডিশান দিন দিন বদলে যাচ্ছে!

প্রশ্ন হল শ্রুতি শৰ্মাজীর মধ্যে এমন কি আলাদা কুয়ালিটি ছিল যে তিনি ১০ লাখ কেন্ডিডেটের মধ্যে টপ ওয়ান হয়েছেন। তিনি এমন কি স্ট্রেটেজী প্রয়ােগ করেছেন যা অন্যদের থেকে আলাদা! আলাদা এমন কি সিক্রেট আছে? 

শ্রুতি শৰ্মাজী টপ ওয়ান হওয়ার সাথে সাথে সমস্ত নিউজ মিডিয়া,প্রিন্ট মিডিয়া উনার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন!তারা উনার , লক্ষ্য পূরনের কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন! ইন্টারনেটে কিছু ডাটা দেওয়া হয়েছে! রেজাল্ট যা উঠে এসেছে তা হয়তাে জানতে পারলে আপনিও বলবেন যে ভগবান! এই টিপস গুলাে যদি আমি প্রথমে জানতাম তাহলে হয়তাে আমিও লাইফে সাকসেস হতাম! আমার স্বপ্নও পূর্ন হত!

আমি সেই সিক্রেট টিপস গুলােকে সর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বন্ধুগন যা হওয়ার হয়ে গেছে তার জন্য অনুসূচনা করে কোন লাভ নেই আগামী দিনের জন্য অ্যাকশান প্লেন করুন  বাউন্স বেক করুন

চলুন টিপস গুলাে আলােচনা করি:
1) Internal Target set:
2) Focus on Sources:
3) Time Management:
4) Focus on progress:
5) Flexible on the way:
এই পাঁচটি টিপসই আপনাকে আপনার স্বপ্নের দুনিয়াতে পৌছে দিতে পারবে
Internal Target set:- তার মানে ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় বসার ইচ্ছা আপনার অন্তর থেকে আসতে হবে। দেখা গেছে নিউজে কারুর উৎসাহ ও প্রসংসা দেখে হঠাৎ নিজের মনেও ইচ্ছা হয়েছে বা নিজের বন্ধুদের সাথে নিজেকে তাল । মিলিয়ে চলার জন্য ফর্ম ফিলাপ করে নিলেন, অথবা সমাজে দেখানাের জন্য হ্যাঁ আমি ও ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষার ফর্ম ফিলাপ করেছি যাতে সমাজে আমার রেস্পেক্ট বাড়ে! আর যখন পরিক্ষার সময় আসে তখন মন ধিরে ধিরে দুর্বল হতে থাকে, ভয় এসে যায়, মনে নেগেটিভ চিন্তা আসতে থাকে শেষ পর্যায়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন যে আপনি পরিক্ষা দেবেন না! তাই আপনার টার্গেট মানুষকে দেখানাের জন্যই হলে হবে না আপনার নিজের জন্য হতে হবে আপনি যে টার্গেট বা গােল সেট করেছেন ইউ.পি.এস.সির জন্য তার পেছনে কি গােল আছে তার প্রতি লক্ষ্য দিতে হবে!ঠিক শুনেছেন গােলের পিছনে গােল! তা না থাকাতেই ১০০% কেন্ডিডেটের নাম নথিভুক্ত করলেও পরিক্ষা হলে এন্ট্রি হয় মাত্র ৪০ বা ৫০% কেন্ডিডেট।

Focus on Sources:- শ্ৰতি শর্মার সাক্ষাৎকারের তথ্যে দেখা যায় টার্গেট সেট করার পর সেই একজাম পয়েন্ট অব । ভিউতে কি কি সাবজেক্ট কি কি সিলেবাস তার জন্য কি কি ক্রাইটেরিয়া রয়েছে তার বিস্তারিত ডাটা কালেক্ট করা শুরু করতে হবে বর্তমানে ইন্টারনেট এক বিশাল গাইডার হিসাবে কাজ করে এবং নিজেকে নিজে ৪০% ডেভেলপ করার পরে ভারতবর্ষে প্রায় শহরে ইউ.পি.এস.সি কোচিং সেন্টার রয়েছে তাদের সাথে কনসাল্ট করা প্রয়ােজন। তবে নিজেকে ফুল কোর্সের প্রাথমিক নলেজ হওয়ার পরেই কোচিং এ জয়েন্ট করতে হবে! দেখা গেছে প্রথমেই যদি কোচিং এ জয়েন্ট করেন তাহলে কোচিং নির্ভর হয়ে যাবেন, এর ফলে নিজের ইন্টার্নাল পাওয়ারকে বের করতে পারবেন না। এর ফলে ইউ.পি.এস.সি কোর্স এক বিশাল বিষয় বলে মনে হবে।

এর পর ইম্পর্টেন্ট টিপস হচ্ছে
Time Management:- শুধু ইউ.পি.এস.সি নয় জীবনে প্রতি মুহুর্তে এই Time Management বিষয়টি এক বিশাল গুরুত্ব পূর্ন ভুমিকা পালন করে! বেশির ভাগ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় স্টুডেন্টের মধ্যে এক বিশ্বাস তৈরি হয়ে যায় যে যত বেশি সময় পড়তে বসে সে তত বেশি নাম্বার পাবে! কিন্তু যারাই ইউ.পি.এস.সিতে সাকসেস হয়েছে তারা প্রত্যেকেই কমেন্ট করেছেন যে ১৫-১৬ ঘন্টা পড়তে হবে না ৮ থেকে ৯ ঘন্টা পতিদিন পড়লেই হবে! তবে তা ১০০% মনােযােগের সাথে পড়তে হবে। পড়ার পূর্বে একটু সময় মেডিটেশান করলে রেজাল্ট অনেক ভাল হবে! এমন যেন না। হয় যে ৮ ঘন্টা পড়তে হবে তাই কিছুক্ষন পর পর হিসাব করতে থাকলেন যে ৮ ঘন্টা হওয়ার আর কত বাকি? না বন্ধুগন তা প্রকৃত স্টুডেন্টের লক্ষন নয়! আপনার সাবজেক্টগুলােকে টাইমের সাথে মিলিয়ে এক রুটিন করে নিন, এতে কি হবে আপনাকে সেই রুটিনই এগিয়ে নিয়ে যাবে পারিক্ষার জন্য! আপনি স্টেপ বাই স্টেপ উপরে উঠতে থাকবেন যা আপনি ভাবতেই পারবেন না টাইম ম্যানেজমেন্টের আর ও ইম্পটেন্ট বিষয় হল ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৮৬,৪০০ সেকেন্ড! যা ভগবান প্রতিদিন সকালে আমাদেরএকাউন্টে ডিপােজিত করে দেন আর তাকে কোথায় কিভাবে ইউজ করবেন তা সম্পূর্ন আপনাকে ডিসাইড করতে হবে! কোন কাজকে কতটা গুরুত্ব দিতে হবে আর কতটা সময় দিতে হবে,

চতুর্থ পয়েন্ট Focus on progress :-
অর্থাৎ একজাম কেন্ডিডেটের কাছে এই বিষয়টি খুবই গুরুত্ব পূর্ন কারন টার্গেট সেট করে তা এচিব করার জন্য অ্যাকশান করতে থাকলেই চলবে না, ডে বাই ডে কি ডেভেলপ হচ্ছে তার ও পর্যবেক্ষন করতে হবে আর তা আপনার টার্গেট এচিভ করার ক্ষেত্রে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করবে! আপনি নােট পেডে প্রত্যেক দিনের কত % ডেভেলপট হয়েছে তা নােট করতে পারেন তার উপর নিজেকে নিজে মার্ক দিতে পারেন। এতে দুই দিকেই আপনার বেনিফিট হবে! এক আপনার কোন জায়গাতে দুর্বলতা রয়েছে তার সমাধান আপনি পেয়ে যাবেন! দুই আপনি যখন অনুভব করতে পারবেন যে আপনার ডেভেলপ হচ্ছে তাতে আপনার মধ্যে এক উৎসাহ তৈরি হবে যা আপনার ইন্টারনেল এনার্জিকে আরও ডেভেলপ করবে!

৫ম বা লাস্ট পয়েন্টটি হল Flexible on the way
তা কেন গুরুত্ব পূর্ন আশা করি আপনারা অবশ্যই বুঝতে পারছেন! কারন আপনি যদি একজাম কেন্ডিডেট হন তাহলে আপনি যে কোন একটি মাধ্যমকেই যদি আক্রিয়ে ধরে রাখেন তার যদি কোন বিচার বিশ্লেষন না করেন তাহলে দেখা যাবে যখন পরিক্ষার সময় আসবে তখন ১০০% অ্যাকোরেসিতে পৌছাতে পারবেন না! এমন ও দেখা যায় এক এক কোচিং বা এক এক টিচারের প্রভাব এমন ভাবে স্টুডেন্টের উপর পরে স্টুডেন্ট ভাবে উনিই আমাকে এই টার্গেটকে এচিভ করে দেবে! আমি বলছিনা যে সেই টিচার খারাপ বা উনার কোচিং আপনাকে সাকসেস দিতে পারবে না! প্রবলেম হল টিচার তাে লেকচার দেবে এক ভাবে কিন্তু সেই নলেজ প্রত্যেক স্টুডেন্ট নেবে আলাদা আলাদা ভাবে! যার জন্য আপনাকে ভ্যারাইটিজ টিচারের সাথে কনসাল্ট করতে হবে যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার মনের জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন বিষয়ক কৌতুহলের সমাধান না হচ্ছে!

শ্রতি শৰ্মাজীর ইউ.পি.এস.সি ২০২২ একজামের টপ ওয়ানে আসার ট্রিক্স এন্ড টিপস আশাকরি আপনাদের অনেক ইন্সপ্রেশান যুগিয়েছে! উপকৃত হলে ভিডিওকে লাইক করবেন আর দুর দুরান্তে শেয়ার করবেন! আজকে এপর্যন্তই আবার  দেখা হবে আগামী ভিডিওতে! ততদিন পর্যন্ত সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন!

ধন্যবাদ!

rajyogpathshala

 www.rajyogpathshala.com