Sunday, August 28, 2022

SOLUTION OF ALL YOUR PROBLEMS |SUCCEED IN BALANCING LIFE | সমস্যার সমাধান করে জীবনে খুশিতে থাকুন

 


আজ কাল তাে মানুষ এতই মর্ডান হয়ে গেছে, বুদ্ধিমান হয়ে গেছে যে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই কোনটি সঠিক কোনটি ভুল, কোনটি উচিত কোনটি উচিত নয় তা বিচার করার চেষ্টা করতে গিয়ে এই স্বংসারে সৃষ্টি প্রায় সব কিছুই খারাপ বলে মনে হয়, সব কিছুতে শুধু দোষই চোখে পরে,

বন্ধুগন যদি এই সংসারের সৃষ্টিতে সব কিছু খারাপই হয় তাহলে ইহা যিনি তৈরি করেছেন তিনিও খারাপ হবে!আর যদি না হয় তহলে সব কিছুই যেহেতু তিনিই তৈরি করেন তাহলে সব কিছুই পাফেক্ট হওয়ার কথা, কিন্তু কেন তার পরও মানুষ দুঃখ, যন্ত্রনা, আর অশান্তির শিকার হচ্ছে, এর পেছনে কি কারন রয়েছে? এর মধ্যে যে সব কারন রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখ যােগ্য কারন হল আশা, প্রত্যাশা বা বলতে পারেন আকাঙ্খ, যেমন আমাদের জীবন ভাল হতে হবে, উন্নত হতে হবে, আমার এই এই স্বপ্নগুলি পূর্ন হতে হবে, যদি পূর্ন হয় তাহলেই আমরা খুশিতে থাকতে পারব আর ঐ সামনের চিন্তা করতে করতে আজকের যে আনন্দ যে সুখ তা ভােগ করতে পারছি না, ইহাই তাে আমাদের দুঃখের কারন হবে, আমরা ভুলে যাই যে ইনপাফেকশানের মধ্যেই ভগবানের পাফেকশান লুকিয়ে আছে,

আসুন এক উদাহরন দিচ্ছি, দিন আছে তাে রাতও আছে, জন্ম যেমন আছে তেমন মৃত্যুও আছে, প্রত্যেক জায়গাতেই ভগবান এক বেলেন্স দিয়েছে, কোথাও এমন কিছুই করেন নি যে ভারসাম্য নেই, যদি এই সংস্বারকে চালানাের জন্য আমাদের দেওয়া হয়, তাহলে আমরা তাে ২৪ ঘন্টাই দিন রাখব বা জন্মই দিব কিন্তু মৃত্যু তাে দিবই না। আর এই ভাবে হয় তাে স্বংসারকে আমরা শেষই করে দেব, আর এই জন্য বেলেন্স অনেক বেশি প্রয়ােজন।

বন্ধুগন কোন কোন সময় আমরা যখন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি সবাইর যাতে টাকা পয়সা পায় সবাই যাতে সুখী হয়, আপনি হয়তাে ভুলে যাচ্ছেন যেই দিন সবাইর কাছে টাকা পয়সা এসে যাবে, সেই দিন পয়সার কোন মহতুই থাকবে না, | যেই দিন সকলের কাছে মার্সেডিস এসে যাবে, সেই দিন মার্সেডিসের কোন মহত্বই থাকবে না, ভগবান এই যে আলাদা আলাদা তৈরি করেছেন ইহাতে তাে আমরা খুশিতেই থাকতে পারি।
উদাহরন কোন ব্যক্তি যত খারাপ অবস্থাতেই থাকুকনা এই দুনিয়াতে, এর থেকে ও খারাপ অবস্থার লােক পাবেই পাবে, আর তা দেখে সে খুশি হতে পারে। যেমন আপনি যতই মােটা হন না কেন, আপনার থেকেও অনেক বেশি মােটা ব্যক্তি আবশ্যই থাকবে, আর তা দেখে আপনাদের খুশি অবশ্যই হবে , যে আরে না না। আমার থেকেও তাে অনেক মােটা রয়েছে আমি তাে ঠিকই আছি, অথবা আপনি যদি কোন রােগের স্বিকার হন, আর আপনার থেকেও যদি বেশি রােগী দেখতে পান, তাহলে আপনার মনে হবে আরে আমি তাে ঠিকই আছি, আপনি দেখবেন সব সময়ই মানুষ এক রেফারেন্স নিয়ে চলে, মানে আলাদা আলাদা দৃশ্য দেখে আপনি সব সময় খুশি থাকতে পারেন, আপনার টাকা পয়সা কম থাকতে পারে কিন্তু এর থেকেও গরিব আপনি পেয়ে যাবেন। তাদের কম দেখে আমাদের এমন মনে হয় আমাদের কাছে অনেক কিছু আছে, আর আমাদের থেকেও উপরের ব্যক্তিও আছে যারা জীবনে অনেক সফল হয়ে আছে, যাদের দেখে অনেক মােটিভেশান হতে পারি, হা আমি অনেক ভাল হতে পারি, এই বিভিন্নতার কারনেই তাে আমরা বাঁচতে পারছি, এই ইনপাফেকশানের মধ্যেই তাে পাফেকশান রয়েছে, কারন পজেটিভ আর নেগেটিভ দুইটিই যদি থাকে তখনই তাে বিদ্যুৎ জ্বলবে! শুধু পজেটিভ রেখে দিলেন তখন দেখবেন কোন ইলেক্ট্রিক লাইট জলানাের সম্ভব না। যেই শক্তি বােদ্ধকে তৈরি করেছেন সেই শক্তিই তাে লাদেনকে তৈরি করেছেন, আপনি হয় তাে বলবেন আরে লাদেনকে তৈরি করার প্রয়ােজন কি ছিল? সেই ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন যদি লাদেন আপনার আশে পাশে নাই থাকে, তাহলে বােদ্ধের কাছে কে যেত? চিন্তার বিষয় এটি, যখন আপনাকে দুঃখ দেওয়ার মত কেউ থাকে, যখন আপনাকে কাঁদানের মতাে কেউ থাকে, তখনই তাে আপনি ভগবানের কাছে যাবেন, তখনই তাে আপনার দয়া, ভাবনা বা প্রেমের প্রয়ােজন পরবে, তা না হলে কেন আমরা ভগবানের কাছে যাব!

সুতরাং বুঝার চেষ্টা করুন ভগবান ভারসাম্য তৈরি করেছেন, আর এই ভারসাম্যের মধ্যেই রহস্য লুকিয়ে আছে, মানে এই ভারসাম্যের মধ্যে সব কিছু, সম্পূর্নতা এই ভারসাম্যের মধ্যেই আছে।  আর এই জন্যই আমি বলি শুন্যই হল পূর্ন, শুন্য মানে যা মাইনাসেও নাই বা প্লাসেও নাই এক ভারসাম্যের মধ্যে থাকে, যখন ভারসম্য আছে পজেটিভ নেগেটিভ তার জন্যই এই স্বংসার চলতে পারছে, অনেক জায়গাতেই আমার সাথে যখন মানুষের দেখা হয় তখন বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে, তখন তাদের বলি ভাই সলিউশান তাে আমি দিতে পারি কিন্তু আপনি কি সত্যিই চান আপনার জীবন থেকে সব সমস্যার সমাধান হউক, তারা বলে হাঁ, আমি বললাম ধরেন আপনার সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে তাহলেতাে আপনার কিছু করারই থাকবে না, সমাধান তাে প্রত্যেক সমস্যারই আছে এই রকমও তাে আমরা শুনেছি যে তালা তৈরি হওয়ার আগে চাবী তৈরি হয়ে যায়, আমি এও বলতে পারি স্পিড ব্রেকার পরে তৈরি হয় প্রথমে রাস্তা তৈরি হয়, সুতরাং বিষয়টি বুঝার চেষ্টা করুন, প্রত্যেক সমস্যারই তাে সমাধান রয়েছে শুধু এই সমস্যার সমাধান পযন্ত আমাদের যেতে হবে, আমাকে কোন কোন সময় মানুষ এই কথাও বলেন চন্দন যদি সমাধান প্রথমে তৈরি হয় সমস্যা পরে হয় তাহলে সমস্যাই তৈরি হয় কেন?
আপনি দেখুন আপনাকে ১০০ বৎসর ব্রেকেসান পালন করতে পাঠিয়েছে যদি, সমস্যাই না তৈরি হয় তাহলে এই ১০০ বৎসর কি করবে, আপনি তাে টুটালিই ফ্রি হয়ে পরতে, কি করতেন তখন? করার মত কিছুই থাকত না, আর লাইফে কোন। ইন্টারেষ্টই থাকত না, আপনি দেখুন এই ধরনের সমস্যা আমাদের জীবনকে কতটা ইন্টারেস্ট তৈরি করে।
তাই সমস্যা যদি তৈরি হয় তাহলে আনন্দের সাথে সমাধান খােজার চেষ্টা করুন, দুঃখ বা টেনশানের কোন প্রয়ােজন নেই, সম্যা যদি আসে তাহলে মনে রাখবেন ভগবান আপনাকে কিছু পরিক্ষা করছে, আর সেই পরিক্ষাতে আপনাকে জয়ী হতেই হবে, যদি হতে পারেন তাহলেই ভগবান আপনাকে প্রিয় ছাত্র করে নেবে, আমরা জানি স্কুলের শিক্ষক প্রথমে শেখায় তার পর পরিক্ষা নেয় আর ভগবান প্রথমে পরিক্ষা নেয় তার পর শেখায়, তাই সমস্যাকে প্রথমে আনন্দের সাথে স্বিকার করুন আর তিক্ষ্ণ বুদ্ধির সাথে সমাধানের রাস্তা খােজার চেষ্টা করুন,

Friday, August 26, 2022

OVER THINKING কমানোর 5টি সহজ উপায় | BY BK CHANDAN | CHANDAN NEW WORLD


 


চিন্তা করা ভাল, কিন্তু অতিরিক্ত চিন্তা করা খারাপ, আর এই অতিরিক্ত চিন্তা ভাবনার সমস্যা অনেক সময় ধরেই হয়ত আপনারা ভােগ করে আসচ্ছেন, প্রত্যেক খারাপ অভ্যাসকে ছাড়তে একটু সময় লাগে এমনকি অনেক প্রেক্টিস ও তার জন্য প্রয়ােজন হয় আজ ৫টি প্রেক্টিস আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই, যেই প্রেক্টিস গুলি করলে আপনি এই ধরনের অভার থিঙ্কিং থেকে বাঁচতে পারবেন,

১.অভ্যাসে মনােযােগ :-চিন্তা তাে সবাইর হয়, আর চিন্তা তাে হবেই কিন্তু যখন সেই চিন্তা আপনার মানসিক শান্তিকে নষ্ট করে তখন তাকে অভার থিঙ্কিং বলে, সুতরাং আপনি যখন অনুভব করতে পারবেন সাধারন চিন্তা থেকে অভার থিঙ্কিং এ চলে যাচ্ছেন আর তখনই সেই ধ্যানকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করুন, কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন হতে পারে তা কি ভাবে সম্ভব?

বন্ধুগন তা সম্ভব হতে পারে আপনার আলাদা আলাদা অভ্যাসের দ্বারা, আর তা হতে পারে হয়তাে আপনার পরিবারের সাথে সময় ব্যায় করে বা বন্ধুদের সাথে ঘুরা ফেরা করে বা আপনি যদি গান শুনতে ভালবাসেন তাহলে আপনার পছন্দের গান শুনে, এতে কি হবে আপনার ধ্যান অন্য কোন জায়গাতে থাকবে তখন অভার থিঙ্কিং এর সমস্যা আপনার মনে আসবে না, এই জন্য চেষ্টা করুন। যখনই অভার থিঙ্কিং হওয়া শুরু হবে তখন নিজের মনকে অন্য বিষয়ে আকর্ষন করার।

2. মেডিটেশান:- আমরা এই দুনিয়ার প্রত্যেকটি বিষয়কে কন্ট্রোল করতে চাই কিন্তু আমরা ভুলে যায় যে যদি নিজের মনকে কন্ট্রোল করতে না পারি তাহলে দুনিয়ার সব কিছু পেয়েও না পাওয়ার মতই হয়ে যাবে, আর যদি মনকে কন্ট্রোল করতে হয় তাহলে মেডিটেশানের মত এত ভাল প্রেক্টিস আর কিছুই নেই, এটিকে আপনি যােগা হিসাবেও করতে পারেন বা প্রক্রিতির সাথে সময় ব্যায় করেও করতে পারেন এমনকি একাগ্রতার সাথে ঈশ্বরকে স্মরন করার মাধ্যমে ও করতে পারেন এই সব কিছুই মেডিটেশানেরই মধ্যে আসে, আর ইহাই আপনার মনকে কন্ট্রোল করার সর্বোত্তম প্রেক্টিস।

3.স্বিকার করা:-স্বিকার করা = শান্তি অনােভব করা, বন্ধুগন আপনার অতিতকে স্বিকার করুন, অনেকবার আমরা নিজের ভুলকে স্বিকার করতে চাই না, আমরা অতিতকে স্বিকার করতে চাই না, তাই আমরা এগিয়ে যেতে পারি না, আর যখনই নিজের সাথে হওয়া প্রত্যেকটি ঘটনাকে স্বিকার করে নিতে পারবেন তখনই অভার থিঙ্কিং থেকে রক্ষা পাবেন।

4.ব্যস্ত থাকা:-নিজেকে ব্যস্ত রাখুন, কারন আমরা সবাই হয়তাে আমাদের পিতামাতা থেকে বা আমাদের বয়জেষ্ঠদের থেকে অনেক শুনেছি অলস। মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা, যখন আমরা কাজ ছাড়া বসে থাকি তখন। আমাদের মনে উলটা পাল্টা চিন্তা চলে আসে, যা ধিরে ধিরে অভার থিঙ্কিং এর দিকে নিয়ে যায়, তাই চেষ্টা করুন হয়তাে আপনার অভ্যাসের দ্বারাই হউক বা কোন কাজের দ্বারাই হউক বা বই পড়ার দ্বারাই হউক পরিবারের সাথে সময় ব্যায় করেই হউক বা নিজের কাজে ব্যস্ত থেকেই হউক যে কোন ভাবে নিজের মনকে ব্যস্ত রাখা যাতে মন কোন খারাপ দিকে না যায়।

5 লেখার অভ্যাস করা:- আমার জানা নেই আপনারা শুনেছেন কি না লেখা এক ভাল অভ্যাস নিজের মনকে ভাল রাখার জন্য, নিজের ইমােশানকে কন্ট্রোল করার জন্য, কারন আমরা প্রত্যেকবার মানুষ পায়না যাকে আমাদের মনের কথা বলতে পারি, আর হয়তাে প্রত্যেকবার প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের মনের কথা বলাও ঠিক না, তাহলে কি করব? কোথাও না কোথাও তাে বলতে হবে তার থেকে ভাল লেখা শুরু কর, যে কথা গুলি আপনার ভাল না লাগবে সেই কথা গুলিও লিখে রাখুন যে সব খারাপ অভ্যাস আছে তাও লিখুন যে গুলি আপনার গ্রোথকে বাধা দিচ্ছে তাও লিখুন যেই সব চিন্তা গুলি আপনার মানসিক শান্তিকে খারাপ করছে তাও লিখুন আবার যেই গুলি ভাল বিষয় যেই গুলি আপনার ভবিষ্যতের জন্য চাইছেন তাও লিখুন, আপনি যাই কিছু শেয়ার করতে চাইছেন তাও লিখে তার পর শেয়ার করুন,

ধিরে ধিরে আপনি দেখবেন আপনার ইমােশানকে আপনি হ্যান্ডেল করতে পারবেন আপনার মাইন্ডকে আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন আর সিদ্ধান্ত খুব ভাল ভাবে নিতে পারবেন সুতরাং চেষ্টা করুন এই ৫টি বিষয়কে আপনার জীবনে প্রেক্টিস করতে পারেন আর আপনি দেখবেন কত তারা তারি যে ওভার থিঙ্কিং এর সমস্যা রয়েছে তা কমতে শুরু করেছে।


Thursday, August 18, 2022

Krishna Janmastami 2022/ Celebration of Janmastamai

 



সবাইকে সুস্বাগতম, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন, আজকে আমি জানি আমার মত আপনারাও খুব এক্সাইটেড হয়ে রয়েছেন, এই কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠানকে ধুম ধাম ভাবে পালন করার জন্য, আর এই শুভ মুহুর্তে আপনাদের সামনে আমি এসেছি এই একবিংশ শতাব্দীতে সত্যিকারের মার্গদর্শী শ্রী কৃষ্ণের জীবন চরিত্র নিয়ে আলােচনা করতে।

এই দৈবী, অলৌকিক, অসাধারন, ১৬ কলা জ্ঞান। সম্পূর্ন,সৰ্ব্বগুন সম্পন্ন শ্রীকৃষ্ণের মহিমা সার্বিক ভাবে আলােচনা করা, সাধারন জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তির পক্ষ্যে কখনাে সম্ভব নয়, তবে আমি পরমপিতা পরমাত্মার এই সঙ্গমে ব্রহ্মার মুখকমল দ্বারা যে শ্রেষ্ঠ ঈশ্বরীয় জ্ঞান প্রদান করে ছেন আর বিভিন্ন সন্ত মহাত্মা ও সর্বোপরি মহাভারত, ভাগবদ গ্রন্থে কৃষ্ণের জীবন ও চরিত্রকে নিয়ে যে সব তথ্য রয়েছে,এই দুইয়ের এক সুন্দর কম্বিনেশান করার চেষ্টা করেছি, যা বর্তমানে প্রত্যেক ব্যক্তির জীবনে টিকে থাকার জন্য এক মার্গ দর্শন হতে পারে, তা কিভাবে হতে পারে, তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাইছি,চলুন শুরু করা যাক!

আমি কোন সন্ত,মহাত্মা নই, না আমি কোন গুরু আমি যে কৃষ্ণ জ্ঞান শুনাতে যাচ্ছি, তা কৃষ্ণের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত উনার চরিত্র থেকে যে যে মেসেজ পেয়েছি, যা বর্তমান সমাজে বিভিন্ন টেনশান ডিপ্রেশানে স্বিকার হওয়া, সঠিক সময়ে সঠিক রাস্তাকে খােজে না পাওয়া, সমাজের চোখে অবেহেলিত হওয়া থেকে শুরু করে পরিবার, সংসার, প্রত্যেকটি জায়গাতে শ্রীকৃষ্ণকে লক্ষ্য করে , কিভাবে বেঁচে থাকার সহজ উপায় খােজে পাওয়া যায়, তার আলােচনাই করব, আমি কোন কৃষ্ণ লীলা বা কির্তন শুনাব না, কৃষ্ণর জীবন থেকে যে যে মেসেজ গুলি চোখে পরেছে তার মধ্যে

প্রথমত: কৃষ্ণের জন্ম:- আমরা সবাই জানি যে কৃষ্ণের জন্ম কোথায় হয়েছে? কৃষ্ণের জন্ম হয়েছে এক কারাগারে যা এক ভিখারীর সন্তানেরও হয়না, আর কেমন পরিস্থিতিতে কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল? মা দৈবকী ও পিতা বাসুদেবের মনে কৃষ্ণের জন্মের পূর্ব থেকেই এক ভয় বিরাজ করছিল, ভাবছিল এইবার কি জানি হয়, হয়তাে এইবারও কংস এই সন্তানকে ও মেরে ফেলবে, আর সব থেকে উল্লেখ যােগ্য বিষয় কি ছিল জানেন? সন্তান যখন জন্ম হয়, তখন দেখা যায়, সন্তান চিৎকার করতে থাকে, মায়ের মনে খুশি থাকে, কিন্তু কৃষ্ণের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে দেবকীর চোখে জল, মনে অনেক ভয় , কিন্তু বর্তমান একবিংশ শতাব্দিতে এমন ও দেখা যায়,

যদি কোন ব্যক্তি গরিব ঘরে জন্ম নেয় তাহলে সে নিজের ভাগ্যকে দোষ দেয় এমনকি মা বাবাকেও এই গরিব হওয়ার দায়ভার চাপিয়ে, অপমান ও করে , কিন্তু কৃষ্ণকি একবারও নিজের পিতা বাসুদেব বা মা দৈবকীকে বলেছে, যে আমার ভাগ্যই খারাপ, আমার জন্ম এক কারাগারে হয়েছে? না নিজেকে দোষি মনে করেছে? দ্বিতীয়ত মাতৃ বিয়ােগ: কৃষ্ণের যখন জন্ম হয়েছিল তখন যে করুন দৃশ্য চোখে পরে তা হল কৃষ্ণের জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই নিজের মায়ের কাছ থেকে আলাদা হওয়া, কংস কৃষ্ণকে মেরে ফেলবে তার ভয়ে, নন্দরাজের ঘরে কৃষ্ণকে দিয়ে আসে, মা দৈবকীর মনে এই বিয়ােগের যন্ত্রনা কতটা! তা সহ্যকর হবে? আর কৃষ্ণতাে ছােট হলেও তাে সবই বুঝতে পারত, তাহলে কৃষ্ণের মনে কেমন অনুভব হবে? কিভাবে কৃষ্ণ সহ্য করে নিল?

যে তার জন্মদায়ীনি মা তার কাছ থেকে চলে যেতে হচ্ছে প্রত্যেক সন্তানই জন্মের পর নিজের মায়ের কোলে খুব আনন্দে খেলা দোলা করে, কিন্তু কৃষ্ণের ভাগ্যে কি এটি সম্ভব হয়েছে? না! যাই হউক কৃষ্ণ ধীরে ধীরে বড় হল মা যােশােদার কাছে, যােশােদা মা হয়তাে জানেন না যে, কৃষ্ণ দৈবকীর সন্তান! কিন্তু কৃষ্ণ ত জানত, কৃষ্ণের আসল মা কে? তার পরও কি যােশােদাকে বুঝতে দিয়েছে? কৃষ্ণ তাে প্রতি মূহুর্তেই সেই বিষাদের যন্ত্রনা, বিষাদের কষ্ট ভােগ করে গেছে, কিন্তু তার পরও রাখাল বালকদের সাথে নিজের বন্ধুত্ব তৈরি করল হাসি খুশি খেলা দোলার মাধ্যমে লীলাতাে তাে কোন অংশে কম করেন নি,

তবে অদ্ভুত বিষয় হল তিনি যেই বালকদের সাথে খেলা করতেন তারা কেউ কৃষ্ণের সাথে মিল খেত না, পারিবারিক স্টেটাসই হউক, বা মানসিক লেভেলেই হউক, কোন অংশেই কৃষ্ণের সাথে মিলানাে যেত না, কিন্তু মজাদার বিষয় হল কৃষ্ণ কোন ব্যক্তিকেই এই বিষয়টি অনুভব করতে দেয়নি, প্রত্যেক রাখাল বালককে বন্ধু বানিয়ে নিয়েছেন,  অনেক ছেলে মেয়েদের দেখা যায় নিজের বন্ধুবান্ধব | তৈরি করার আগে স্টেটাস চেক করে , যে আমার সাথে ঐ ব্যক্তির স্টেটাস মিল আছে কিনা? সমাজে আমার বাবার যে সম্মান রয়েছে তার বাবার সেই সম্মান আছে কিনা? যদি না থাকে তাহলে বন্ধুর মর্জাদা তাে সম্ভব হবে না, আর যদি তার পরও আমার সাথে থাকতে চায় তাহলে। আমি যা যা বলব তাই তার করতে হবে, যদি আমার জন্য কোন অন্যায় করতে হয় তাহলেও করতে হবে, কারন তােমার স্টেটাস আমার থেকে নিচে! কিন্তু কৃষ্ণ কি করে ছেন? তার ব্যতিক্রম করে ছেন, আচ্ছা,

কৃষ্ণের পরিবারে তথা নন্দরাজের পরিবারে কি ধন সম্পদের অভাব ছিল বলে কোথাও পেয়েছেন? দুধ বা মাখনের কোন অভাব ছিল? নন্দরাজের পরিবারে কৃষ্ণের মত একটি ফুটফুটে সন্তান যদি মাখন খেতে চায় তাহলেকি তাদের অভাব পরবে? কিন্তু তার পরও কেন মাখন চুরি করতে গেছে? কৃষ্ণের নিজের জন্য না, তার বন্ধু মানে সখাদের জন্য! কারন বন্ধুদের পরিবার ততটা ধন সম্পদের অধিকারী ছিলনা, তাই তাদের জন্য মাখন চুরি করতেন, কিন্তু সব দোষ কার উপর পরত কৃষ্ণের উপর, সবাই মাখন চোর । বলতেন, আপনার মনে হয়না কৃষ্ণের মনে এই মাখন চোর শব্দটি কতটুকু খারাপ লাগবে? তার পরও সখাদের জন্য চুরি করতেন, আর সব দোষ নিজের ঘরে নিতেন, কিন্তু বর্তমানে নিজে দোষ করে অন্যদের উপর দোষ চাপিয়ে নিজে খালাস হতে চায়!

তার পর আসছি কৃষ্ণ যখন আর কিছু বড় হল তখন উনার সখী হিসাবে কাছে আসল রাধা, যদিও ভাগবতে কৃষ্ণের অনেক সখী দেখিয়ে ছিল, কিন্তু তার পরও একদম কাছের সখী ছিল রাধা, কাছের এই জন্যই বলছি, যখন মথুরা থেকে কৃষ্ণকে নিতে কংস তার মন্ত্রি অক্রোরকে পাঠিয়েছিল, আর কৃষ্ণও যখন মথুরাতে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে রথে বসল, তখন রাধা শুনতে পেয়ে রথের সামনে এসে দাড়ায়, রথকে থামিয়ে দেয়, তখন সেই মন্ত্রি অক্রোর কৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করে ন সে কে যে তােমার রথকে বাধা দিয়েছে? তখন কৃষ্ণ কি উত্তর দিয়েছে জানেন? তিনি বলেছেন মানুষ যখন দু:খ, যন্ত্রনা, আর কষ্ট পায় তখন সবাই এসে আমার সাথে শেয়ার করে , আর যখন আমি কোন বিষয়ে। যন্ত্রনা কষ্ট পাই তখন তার কাছে শেয়ার করি, আর সে হল রাধা, আর সব থেকে মজার বিষয় হল রাধা কি বলেছে জানেন? রাধা বলেছে হে কৃষ্ণ! আমি তােমাকে বাধা দিতে আসি নি আমি তােমাকে শেষবারের মত দেখতে এসেছি, আমি জানি এই বিশ্ববাসি তােমার সাহায্য পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে, শুধু আমার ভালবাসা পাওয়ার জন্য আমি স্বার্থপরের মত তােমাকে আটকাতে পরি না, কিন্তু বর্তমানে দেখুন, মানুষ ভালবাসার অভিনয় করে , একজন অন্যজনকে আপন করার অভিনয় করে, আমি অভিনয় এই জন্যই বলছি বিয়ের আগেতাে খুব আপন খুব কাছের অভিনয় করে, কিন্তু যখন বিয়ে হয় আর নিজের বাবার বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়িতে যায় তখন কি করে ? এক সিল মেরে দেয় যে, আজ থেকে আমার কথা ছাড়া এক পাও বেড় হতে পারবে না, এই হল আমাদের ভালবাসা! যেই ভালবাসার স্বাধীনতা থাকবে না, যেই ভালবাসা পায়ে শৃঙ্খল পড়িয়ে দেয়, তাহলে এটি কেমন ভালবাসা? ভালবাসা তাকেই বলে যে ভালবাসা সামনের ব্যক্তির খুশির জন্য নিজের ত্যাগ স্বিকার করতে পারে,

যাই হউক কৃষ্ণ যখন মথুরা গিয়ে কংসের সাথে যুদ্ধ করে কংসকে বধ করলেন, আর নিজের মা বাবাকে তথা মাতা দৈবকী আর পিতা বাসুদেবকে বন্ধীমুক্ত করলেন, তখন সেই মথুরার সিংহাসনে তাে বসার অধিকার স্বয়ং কৃষ্ণেরই তাইনা!কিন্তু কৃষ্ণকি সেই সিংহাসনে বসেছেন? না! বসিয়েছেন উনার পিতাকে, আজ যদি কোন সন্তান নিজে পরিশ্রম করে কোন অ্যাওয়ার্ড বা পুরুস্কার অর্জন করে তাহলে তার সম্পূর্ন ক্রেডিট নিজেই নিতে চায়, সে বলতে থাকে যে সে কত পরিশ্রম করে এই অ্যাওয়ার্ড এচিভ করতে পেরেছে, তার অহংকার আসতে থাকে।

এর মাঝখানে অনেক ঘটনা রয়েছে সেই গুলিতে আমি যাচ্ছিনা, এরই মাঝে কৃষ্ণের বিয়ে হয় রুকমনির সাথে, যাকে কেন্দ্র করে বিবাধ তৈরি হয় শিশুপালের সাথে জরাসন্দের সাথে, যার ফলে কৃষ্ণকে দ্বারিকাতে গিয়ে দ্বারিকা নগরী তৈরি করতে হয়েছে আর সেই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বয়ং বিশ্বকর্মাকে, বিশ্বকর্মা যখন কাজে হাত দেবেন, তখন কৃষ্ণকে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করে ন আমিতাে দ্বারিকা নগরী শুরু করতে যাচ্ছি, কিন্তু এই দ্বারকা নগরী তৈরির ক্ষেত্রে আপনার কোন ডিরেকশান আছে কিনা? যদি থাকে তাহলে বলতে পারেন, কৃষ্ণ তেমন ডিরেকশান দেন নি। শুধু এই টুকুই বলেছেন যদি সম্ভব হয় বৃন্দাবনের দিকে কোন জানালা বা দর্জা রাখবে না, বৃন্দাবনের দিকে কেন জানালা বা দর্জা না রাখার কথা বলেছেন? বৃন্দাবনে তাে কৃষ্ণ বড় হয়েছেন, সেখানে অনেক খেলাদোলা করে ছেন, অনেক বন্ধুবান্ধব উনার রয়েছে, যে মা কৃষ্ণকে লালন পালন কওে ছেন বড় করে ছেন সেই মা যােশদা রয়েছেন, কিন্তু তিনি সেই দিকেই দরজা জানালা রাখতে চাইছেন না? কারন তিনি অতীতে যা কিছু হয়েছে, তা আর মনে করতে চাইছেন না, আজ যা চলছে তার উপর ফোকাস করতে চাইছেন, আর ভবিষ্যতের জন্য রনকৌশল করতে চান, কিন্তু আজকাল মানুষ কি করে শুধু অতীতকে নিয়েই বাঁচতে চায়, অতীতে কি ভুল করে ছে, কি হাড়িয়েছে তার জীবন থেকে কি চলে গেছে, তার মধ্যে ডুবে থেকে বর্তমানের যে আনন্দ যে খুশির পরিস্থিতি তাকে ভােগ করতে পারছে না,


কৃষ্ণের জীবন কাহিনিটির দিকে যদি ফোকাস করি তাহলে দেখা যায় কৃষ্ণের লাইফে ছিল কষ্ট যন্ত্রনা আর বিষাদ, কিন্তু কখনােই অন্যদেরকে বুঝাতে দেয়নি যে তিনি কতটা কষ্টে রয়েছেন। কিন্তু তা সব কিছু ভুলে গিয়ে হাসি খুশিতে থাকতে ভালবাসতেন আনন্দে থাকতে ভালবাসতেন, আর আপনি দেখবেন কৃষ্ণের যত ছবি রয়েছে সেই ছবিতে বা মুর্তিতেও দেখা যায় কৃষ্ণ এক মুসকি হাসি দিয়ে রয়েছেন, আমি প্রথমেই বলেছি কৃষ্ণের চরিত্র এই একবিংশ শতাব্দিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের এক মার্গ পাওয়া যায়!

আর আমি উনার জীবন কাহিনি থেকে ক্ষুদ্র কিছু কিছু পার্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করে ছি, যদিও উনার আরও চরিত্র রয়েছে, মহাভারতে পান্ডব ও কুরুদের মধ্যে কৃষ্ণের অনেক ভুমিকা ছিল, ভাগবদগীতার রচনায় | এমন অনেক চরিত্র কৃষ্ণের রয়েছে যা আমাদেরকে জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য এক মার্গ বা রাস্তা বলতে পারে, কৃষ্ণের এই জীবন থেকে যে যে গুরুত্ব পূর্ন মেসেজ গুলি পেয়েছি তা আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি,


ধন্যবাদ!















Thursday, August 11, 2022

God Sent a Letter to you


আজকে আমি ছােট্ট একটি চিঠি নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি, আসলে। চিঠিটি আপনাদের কারুর না কারুর হতে পারে তা আমি ঠিক জানি না, কিন্তু চিঠিটা ভুলে হয়তাে আমার ঘরে এসে গেছে, আর আমি জানি অন্যের চিঠি পড়া উচিত না তার পরও ভুল ক্রমে চিঠিটা খুলে ফেলেছি এবং পড়েও ফেলেছি আর তা পড়ে যে অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে তা আপনাদের কাছে শেয়ার করার জন্য আমি নিজেকে মনস্থির করেছি কারন চিঠিটি আপনাদের আমার না, তার জন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই চিঠিটাকে আপনাদের কাছে পরিবেশন করব এবং তার ভিতরের যে খবর টুকু তা আপনাদের কাছে তুলে ধরব,

এই চিঠিটির শুরুতেই লেখা আছে, আমি অপেক্ষা করে থাকব, সারা জীবন। আমি অপেক্ষা করে থাকব, হয়েছে এমন তুমি যখন ঘুম থেকে উঠলে আমি তুমার বিছানার পাশে দাড়িয়ে ছিলাম এবং ভাবছিলাম তুমি ঘুম থেকে উঠেই আমাকে ধন্যবাদ দিবে আমাকে স্মরন করবে, তুমি তারা তারি ঘড়ির দিকে দেখলে এবং দৌড়ে চলে গেলে ফ্রেস হতে স্নান সেরে ড্রেস পরলে তার পর তােমার প্রচন্ড খিদা পেয়েছে চলে গেলে দৌড়ে কিচেনের দিকে তখন তােমার খাবার পরিবেশন করা হল তুমি তারা তারি খেতে থাকলে এবং তুমার উদর যখন পুর্তি হল তখন আমি ভাবলাম এখন হয়তাে তুমি আমাকে

স্মরন করবে, কিন্তু তখনও আবার তাকালে ঘড়ির দিকে তােমার অনেক | বেলা হয়ে গেছে অফিসে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে তুমি দৌড়ে বের হচ্ছ ঘর থেকে, ব্যাগ নিচ্ছ ফাইল নিচ্ছ আর দৌড়ে তুমি ছুটছ তার পর হতাৎ

দৌড়ে এসে দরজায় এসে দাড়ালে ভাবলাম হয়তাে এইবার তুমি আমাকে স্মরন করবে তুমি তারা তারি ঘরের বাইরে চলে গেলে এবং গাড়ির কাছে গিয়েও আবার দৌড়ে তুমি ঘরে ফিরলে আমি ভাবলাম আগে তাে ভুলে গেছ স্মরন করতে এইবার হয়তাে আমার কথা স্মরন করতে ঘরে এসেছ, নিশ্চয় তুমি আমাকে স্মরন করবে কিন্তু তুমি তাও করলে না, তুমি ঘরে আসলে ঘরে এসে তােমার ফেলে যাওয়া মােবাইলটি নিয়ে ঘর থেকে সুজা


বেড় হয়ে গেলে, তারা তারি গিয়ে গাড়িতে বসলে আর ড্রাইবারকে বলচ্ছ তারা তারি চল, আমার অনেক বেলা হয়ে গেছে তার পর যথা রিতি অফিসে গিয়ে পৌছলে আর সঙ্গে সঙ্গে অফিসের বিভিন্ন ফাইল পত্র নিয়ে তুমি অনেক ব্যস্ত হয়ে পরলে, তখন তাে আমাকে স্মরন করার কথা তুমি ভুলেই গেলে, তার পর যখন লান্সের সময় আসল তখন যথা রিতি লান্সও সেরে নিলে আর লান্স সেরে যখন রেস্ট রুমে বসলে তখন ভাবলাম এইবার নিশ্চই আমাকে স্মরন করবে কিন্তু তখন তুমি কি করলে তােমার কলিগদের ডেকে গত রাতে যে আই.পি.এল খেলা হয়েছে তাকে নিয়ে তুমি সময় নষ্ট করতে থাকলে আলাপ আলােচনাতে ব্যস্ত হয়ে পরলে তার পর ধিরে ধিরে তােমার অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলে আর যখন অফিসের কাজ সেরে ঘরের উদ্দ্যেশে রৌনা হলে ফেরার পথে আমি ভাবলাম হয়তাে এখন তুমি আমাকে

ধন্যবাদ দেবে আমাকে স্মরন করবে না তারা তারি করে তুমি বাড়িতে ফিরলে তখন তুমি খুব ক্লান্ত হয়ে গেলে তার পরও আমি আসা করেছি তুমি আমাকে ধন্যবাদ দেবে আমাকে স্মরন করবে তুমি দৌড়ে গেলে ফ্রেস হতে ফ্রেস হয়ে আসলে তােমার ক্লান্তিটা অনেক দূর হল তখন আমি ভাবলাম এইবার হয়তাে আমাকে স্মরন করবে কিন্তু না তখন তুমি কি করলে তুমি রিমােট নিয়ে বসে গেলে তােমার প্রিয় টিবির পর্দায় তখন তুমি এক এক | করে চেনেল ঘােরাতে লাগলে তােমার প্রিয় সিরিয়েল তােমার নিউজ চেনেল তােমার ক্রিকেট ম্যাচ এই ভাবে পর্দা ঘুরাতে ঘুরাতে ১০টা ১১টা বেজে গেল আর তুমি এই টিবির সামনেই তুমি ডিনারকে সেরে নিলে তার পর তুমার ১১টা বেজে গেল এই বার ভাবলাম অবশ্যই তােমার সারা দিনে একাবার ও

স্মরন করনি এইবার তুমি আমাকে অবশ্যই স্মরন করবে না তােমার খুব | ক্লান্তি এসে গেছে তুমি ঘুমে আচ্ছন্ন তার পর তুমি চলে গেলে বেড রুমে


তার পর তুমি কখন যে শুয়ে গেল তুমি নিজেই জান না, তার পর আমি দূর। থেকে মুচকি হাসলাম এবং আমার যে অভিমান সব কিছু ভুলে গেলাম আবারও আমি পরের দিনের জন্য অপেক্ষা করে রইলাম, আবারও পরের

দিন তুমি উঠলে একই ভাবে তুমি ব্যস্ত হয়ে পরলে সারা দিন এই ভাবেই চলে গেল কিন্তু আমি আশা ছারি নি আমি এখনও অপেক্ষায় আছি, | প্রয়ােজনে আমি সারা জীবন অপেক্ষা করতে থাকব, তাে বন্ধুগন এই চিঠিটা আপনাদের মধ্যে কার আমি জানি না, আশা করি যার উদ্দ্যেশে এই চিঠিটা আপনারা বুঝে গেছেন। | আসলে যিনি আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীতে পাঠানাের আগে থেকেই আপনার যা যা প্রয়ােজন কখন কোন কোন পরিস্থিতিতে কি কি ভাবে মােকাবিলা করবেন তার তার সব ব্যবস্থা করে রেখেছেন,আর জন্মের পর আমাদের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এমন হয় উনাকে স্মরন করে ধন্যবাদ দেওয়ার | পরিবর্তে নিজের কর্মের দোষ উনাকেই দিচ্ছে।

তাই বন্ধুগন আপনাদের অনুরােধ করে বলব যদি ৩০ সেকেন্ড ও আপনারা বের করে তাকে স্মরন করেন আর সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন আপনি ভােরের আলােটি দেখেন তখন তাকে একবার ধন্যবাদ দেন তাহলেই তাে উনি খুশি। উনিতাে সবসময় আমাদের সাথে থাকতে চায় আমাদের সব ধরনের কষ্ট, যন্ত্রনা নিজে হজম করে আমাদের মুখে হাশি ফুটাতে চায় কিন্তু আমরা তাকেই দুরে সরিয়ে রাখি।

rajyogpathshala

 www.rajyogpathshala.com