Thursday, July 28, 2022

Fasting And Prayer | সঠিক উপবাস কিভাবে করবেন? Rajyog Pathshala

 



১২ মাসের ১৩ পার্বন, এই কথাটি হিন্দু সনাতন ধর্মে প্রাই শুনে থাকি, ছােট থেকে বড় প্রত্যেকেই একটি অনুষ্ঠান শেষ হতে না হতে অন্যটির জন্য আশায় থাকে কখন আসবে আর আনন্দ উপভােগ করবে, কিন্তু সেই পূজা বা অনুষ্ঠানে সব থেকে উল্লেখ যােগ্য বিষয় যেইটি চোখে পরে তা হল ভগবানকে সন্তুষ্ট করা, ভগবানকে সন্তুষ্ট করার অর্থ হল মানুষ যে দেব দেবীর পূজা করে তাদেরকে খুশি করা যাতে ভগবান খুশি হয়ে ভক্তদের খুব আর্শিবাদ করে এবং ভক্তরা ধন, সম্পদ, ঐশ্বৰ্য্য, বিদ্যা বুদ্ধিতে | যেন ভরপুর করে দেয়।কিন্তু ভগবানকে খুশি করবে কি ভাবে? মানুষ তার জন্য পূজারী বা ব্রাহ্মনের কাছে পূজার উপাচার বিষয়ে জানতে চায় বা বিভিন্ন পন্ডিতদের তৈরি বই থেকে ও জানার চেষ্টা করে, কিন্তু পূজার উপাচারই বলুন বা রিতিনীতি গুলিই বলুন এই রিতিনীতি গুলির মধ্যে যেমন আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করে তারপর পূজা অর্চনা করা, আর তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখ যােগ্য বিষয় হল উপবাস থেকে ভগবানকে সন্তুষ্ট করা,

আমি দেখেছি ধর্মকে কেন্দ্র করে কোন কোন সময় মানুষ এমন চড়ম পর্যায়ে চলে যায়, আমরা ভুলে যায় যে আসলে সঠিক কি? আসুন আমরা জেনে নেই চড়ম পর্যায় বলতে কি বুঝায়! সর্ব প্রথম আমরা আলােচনা করব খাওয়া দাওয়া নিয়ে, অনেক মানুষকে দেখেছি যারা ধর্মের রিতি নিতি পালন করতে গিয়ে সারা দিন উপাস থাকে মানে সারা দিন না খেয়ে থাকে, কোন কোন সময় সাপ্তাহ কি সাপ্তাই উপাস থাকে, কিন্তু উপাস ভাঙ্গার পর যদি একবার খাওয়া শুরু করে তাহলে তাে আর বলার মতাে কোন শব্দই থাকে না, ধরেন আমাদের দুইটি পাউরুটি খেলেই চলে কিন্তু আমি এমন মানুষকেও দেখেছি সাত ,আট পাউরুটির পরও জিজ্ঞাসা করেন এর থেকে বড় আছে কি না! মিষ্টি পছন্দ এক দুই পিচ নিতে পারত, গােলাবজাম অন্য আইটেম ১২,১২ পিচ ও ভিতরে দিয়ে দেয় এর পরও জিজ্ঞাসা করে আর কিকি আইটেম আছে।

অনেক সময় আমাদের এখানে যখন কোন মহারাজ বা সন্ত, গুরু আসে তাদের জন্য স্পেশাল খাবার তৈরি হয়, তারা আলাদা খাবার যখন নেয় তখন আমাদের এমন মনে হয় যেন তারা স্পেশাল লােক, আসলে তারা ভাল কাজ করার লােক, মানুষকে জ্ঞান দান করার মত লােক, এই জন্যই তারা খাবারের উপর লক্ষ্য দেয়, প্রত্যেক সন্ত মহারাজ বা গুরু যারাই আছে তাদের শুদ্ধ। খাবার খাওয়া এই জন্যই প্রয়ােজন যাতে তারা সু সাস্থ্যবান থাকে, আর ভাল কাজকে এগিয়ে নিতে পারে, যত ফিট থাকবে তত বেশি দিন মানুষকে দিতে পারবে, এমন কিছু মানুষ যারা নিজে সন্ত বা মহাত্মা তৈরি হতে তাদের খাওয়া দাওয়ার সিস্টেমকে পরিবর্তন করতে চায়।

কিন্তু খাওয়া দাওয়ার পদ্ধতিকে পরিবর্তন করলেই সন্ত বা মহাত্মা হওয়া যায় না, একবার আপনি সন্ত মহাত্মার মত কাজ যদি করতে পারেন তাহলে খাবারের পরিবর্তন করতে পারেন, আপনি ভাল খাবার যদি খেতে পারেন তাহলে স্বাস্থ্যবান থাকতে পারবেন। যখন খাবারের কথা আলােচনা হচ্ছে আর সেই প্রসঙ্গে আমি এক ওয়ার্ড ব্যবহার করছি উপাস দেখা যায় অনেক। লােক উপাস সােমবারে করে বা কেউ মঙ্গলবারে করে বা আলাদা আলাদা বিশেষ কোন দিনে উপাস থাকে আমার একটি প্রশ্ন | উপাসের মানে কি? এতদিন পর্যন্ত হয়তাে কেউ এর অর্থই দিতে পারে নি।

বন্ধুগন উপাস এক সংস্কৃত শব্দ, উপ এর অর্থ হল খুব কাছে, যেমন উদাহরন রাষ্ট্রপতির একদম কাছের উপরাষ্ট্রপতি, অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির কাছে যিনি থাকেন তিনিই হলেন উপরাষ্ট্রপতি,তার মানে উপবাসকে যদি ভেঙ্গে ভেঙ্গে আলােচনা করি তাহলে দেখা যায় উপ মানে কাছের, বাস মানে থাকা, আমরা অনেক সময় বলি এখানে বাস করি মানে আমি এখানে থাকি এটিকে এই ভাবেও বুঝতে পারেন বনবাস মানে বনে থাকা,উপ কথার অর্থ হল কাছে, আর বাস কথার হল থাকা। উপবাস মানে কাছে

থাকা, এটিই হল উপবাস থাকার উদ্দেশ্য, আচ্ছা কার কাছে থাকার জন্য মানুষ উপবাস থাকে? ভগবানের কাছে থাকার জন্য | যখন হাজার হাজার বৎসর আগে মানুষের এক ধারনা ছিল ভগবান ৭ বা ১০ বা ১৫ দিনের জন্য এত সব কিছু করেন তাহলে একদিন তাে আমাদেরও উচিত ভগবানকে স্মরন করার।

তখন এমন একদিন উনাকে স্মরন করার জন্য পরিবারের সভাই একসাথে আসে, কিন্তু যদি ব্যক্তি তার কাজে দোকানে বা ক্ষেতে না যায়, তখন কি তারা ভগবানকে স্মরন করতে পারবে? তাদের কাছে কি এতটা সময় আছে? হয়তাে নেই। সিদ্ধান্ত হল আমরা ছুটি নেব, ফ্রি হব তাহলে ভগবানকে স্মরন করতে পারব, তার কাছে থাকতে পারব।আপনি বলেন তাে আমরা ভারতে কোন ধরনে ছুটি নিয়ে থাকি, যেমন রবিবার কিন্তু আপনি কি জানেন রবিবার তাে বৃটিশের দ্বারাই আমরা পেয়েছি, কারন। বৃটিশরা প্রত্যে রবিবারে চার্চে যেত।ইহাতাে তাদের জন্য সঠিক ছিল, কিন্তু ভারতে হয়তাে এক সময় ছুটি নিত পূর্নিমা তিথিতে বা আমাবস্যা তিথিতেও বলতে পারেন বা একাদশি সেই দিন আমরা ছুটি নিতাম আর ঘরে থাকতাম যাতে ভগবানের কাছে থাকতে পারি, যখন ভগবানের কাছে থাকতাম আর মানুষ যখন কাজ কর্ম ছেড়ে দিয়ে ঘরে থাকত আপনি দেখবেন যখন মানুষ কাজে থাকত তখন সঠিক সময়ে

খাবার খেত, মানে প্রত্যেকদিন রুটিন মাফিক খাবার খাবেন,আর যখন আর টুটালি ফ্রি হয়ে ঘরে থাকে আর ঐ সময়ে তাে কোন টিবিও ছিল না এন্টার টেন্টম্যান্টের জন্য মােবাইলের মত কোন মেশিন ও ছিল না, তাহলে আপনি আমাকে বলুন তারা। ঘরে বসে বসে কি করবে, তখন কিছুক্ষন পরে পরে তাদের খিদা লাগত, কিছুক্ষন পরে পরে হয়তাে তাদের স্ত্রিকে বলবে কিছু খাবরের ব্যবস্থা করে দাও না, তখন মহিলারা কি বলত তুমি আজ কাজ কর্ম ফেলে দিয়ে দোকান বন্ধ করে ছুটি নিয়ে ঘরে বসে আছ,

তাহলে আমরা কেন কাজ কর্ম বাদ দিয়ে বসে থাকতে পারব না, আমাদেরও তাে উপাস থাকতে হবে আমাদেরও তাে ভগবানের কাছে থাকতে হবে, যদি আজ আপনি দোকান বন্ধ করতে পার তাহলে আমাদের রান্না ঘরও বন্ধ থাকবে। আপনারা আমাকে বলুন ব্যক্তির পক্ষে কি সম্ভব সারা দিন না খেয়ে থাকা, হয়তাে না।যখন খিদা লাগত তখন ঘরের মহিলারা বলত ঠিক আছে দুধ খেয়ে নাও, ইহাতে আমাদের কোন পরিশ্রম করতে হবে না, আর যদি এই দুধে পেট না ভরে তাহলে এক কাজ করুন কলা খেয়ে নাও আজ উপবাসের ধারনাটিই পরিবর্তন করে দিয়েছে, আসলে উপবাসের আসল অর্থ হল কাছে থাকা, ভগবানের কাছে থাকা যাতে কাজ কর্ম ছেড়ে দিয়ে ফ্রি থাকতে পারেন, আর বেশি যাতে না খান এই জন্যই ধারনা তৈরি হয় যে ফল আহাড়। মানে ফল ভােজন করা,সারা দিন দুধ বা জুস খাওয়া, সাইন্টেফিকেলি ও ইহা বলতে পারেন আপনার স্টমাক কেউ আরাম দিবে বা ভাল ডাইজেস করবে,ইহা এই জন্যই মান্যতা ছিল কারন যদি আপনি বেশি খাবার যদি খান আর ভগবানের ধ্যন করেন তাহলে আপনি শুয়ে পরবেন, আর এই জন্যই যদি। আপনার স্টমাক হাল্কা থাকে তাহলে ভগবানের ধ্যান করাও অনেক সহজ হয়ে যাবে, এই ভাবে উপবাসের ধারনাটি তৈরি হয়েছিল। আর আপনি চিন্তা করে দেখুন আজ কি হচ্ছে উপবাসের নামে কম্পিডিশান হচ্ছে, এমনও বলতে শুনা যায় তুমি দুইদিন উপবাস করেছ আমি চারদিন উপবাস করব, তৃতিয় ব্যক্তি বলবে আমি ৭,৮ দিন উপবাস থাকব।

কেউ ২১দিন কেউ ১ মাস, বন্ধুগন সত্যি বলতে গেলে আমার এক বন্ধু যে আমাকে এসে বলে বন্ধু আমি এক দিন উপবাস থেকেই ২ কেজি কম করতে পেরেছি, আমি তাকে বললাম ও খুব ভাল ৩০দিন উপাস থাক সব শেষ হয়ে যাবে, সুজা উপরেই পৌছে যাবে কি হয় জানেন মানুষ সব কিছু একদম চড়ম পর্যায়ে নিয়ে যায়। এক দিন ঠিক আছে ৭দিন ১০ দিন ১৫ দিন | উপবাস, এক একদিন ঠিক আছে কিন্তু তাকে চড়ম পর্যায়ে নিয়ে যাবেন। আরে এই চড়ম পর্যায়তাে ব্যক্তি তৈরি করেছে, কোন ধর্মেই এই ধরনের কথা নেই, আমি এক উদাহরন দিচ্ছি কেউ ফল খায় আবার কেউ বলে আমি ফল ও খাব না কেউ বলবে।

আমি আমও ধরব না, হয়তাে আরেক জন আসবে আর বলবে আমি জল ও স্পর্স করব না। আপনি কি জানেন, আপনার ব্রেইনে যে টিসু আছে এটি ৭০ থেকে ৮০% জলের দ্বারাই তৈরি হয়েছে, আর যখন আপনার শরীরে জল না পায় তাহলে কতটা ক্ষতি হবে! আপনি হয়তাে ইহা জানেনই না। আর বন্ধুগন আজকাল কম্পিটিশানের কারনে মানুষ এতটা এগিয়ে গেছে যা বলে বুঝানাে যাবে না। কে কত উপাস থাকবে তার উপরও কম্পিটিশান করতে থাকে আর ভগবানকে তাে পাওয়া দূরের কথা নিজেকেই দুর্বল করে ফেলে।সুতরাং এই বিষয়টি অবশ্যই লক্ষ্য দিতে হবে কোন জিনিসই চড়ম পর্যায় ভাল না মানে অতিরিক্ত কিছুই ভাল না, আমি ইহা বলছিনা বেশি খাবার খাও আমি ইহাও বলছি না যে ক্ষুদার্থ থাক, বেলেন্স নিয়ে আস। ভগবদ গীতাতে এক শব্দ দিয়েছে ভারসাম্য যুক্ত খাবার, ভারসাম্য যুক্ত আরাম।

যে খাবার না খায় সে খুব বেশি খায়, যে অনেক ঘুমায় আবার যে না ঘুমায় তারও কোন কাজ হবে না, প্রত্যেকটি তে। ভারসাম্য। যখন সবকিছুতে ভারসাম্য নিয়ে আসবে তখন দেখবেন সব কিছু আপনার জীবনে সহজ হয়ে যাবে, সুতরাং ভােগী হবে না, ত্যাগী হবেন না, সুতরাং জীবনে চলার ক্ষেত্রে ভারসাম্য নিয়ে আসুন।আজকে আপনাদের উপাসের এক আলাদা ধারনা দিচ্ছি আগের দিনে খাওয়া দাওয়াকে এই জন্যই দুরে রাখা হয়ে ছিল কারন যদি আপনি খাওয়া দাওয়া থেকে দুরে থাকেন আপনি দেখবেন আপনার ফ্রি টাইম পাবেন। কিন্তু আজ আমরা তার পরও কি টাইম দিতে পারি! না টিভিতে ব্যস্ত, মােবাইলে ব্যস্ত কেউ কম্পিউটারে ব্যস্ত।

টাইম ই নাই ফ্রি টাইম পেলেতাে সূজা মােবাইলের মধ্যেই ঢেকে যায়, কিন্তু আজ উপাসের নতুন ধারনা হল মাসে এক দিন বা দুই দিন সময় বেড় করলেন আর আপনি মােবাইল থেকে দুরে থাকবেন, টিবি থেকে দুরে থাকবেন বা নিউজ পেপার থেকে। দুরে থাকবেন বা আমি বলব ইন্টারনেট থেকে দুরে থাকবেন।

তখনই তাে আপনি নিজেকে নিজের সাথে থাকার সময় পাবেন, নিজের কথা শুনার সময় তাে পাবেন। আর এই জন্য আপনি মাসে একদিন বা দুই দিন সময় বের করুন যখন আপনি একটিও যন্ত্র আপনার কাছে থাকবে না, তা হবে টিবি, কম্পিউটার, বা ইন্টারনেট বা মােবাইল যদি সম্ভব একদিন বের করুন আর ইহার লাভ লেখেন কোন দিন ছিল যে আপনি এই কাজটি করেছেন, তার পর মাসে দুইদিন সময় বের করুন যেই দিন শুধু ফলই খাবেন এতে আপনার ডাইজেস্টের জন্য ভাল হবে আপনাকে | ফাইবারস দিবে,আপনার যতগুলি ভিটামিনের দরকার ঐগুলির পূর্ন হবে আপনি দেখবেন ইহা এক অদ্ভুত রেজাল্ট দিবে। আচ্ছা এই আলােচনার পর আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি এখনও কি আপনি উপাস করতে পারছেন! আপনি ভগবানের কাছে পৌছাতে কি পারছেন? বা সারা দিনে এমন কি সময় বের করতে পারছেন, এর সাথে ইহাও বুঝতে পারবেন জন্মাষ্টমী বা শীবরাত্রি এই সব দিন গুলিতে আমরা উপবাস করি ইহার একই অর্থ ঐই দিনে আমরা ভগবানের শক্তিতে সময় দিতে পারি, উনার কাছে থাকতে পারি।ইহাই হল উপাসের মেই অর্থ।

Monday, July 25, 2022

System of health management || Nutrition food for health || Health service


 সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন!

বর্তমান শতাব্দিতে আমাদের কাছে স্বাস্থ্য সত্যিই এক বড় সমস্যা!সঠীক সমাধান না পাওয়ায়। আমরা শুধু ভােগছি আর ভােগছি! সকলের কথা চিন্তা করে শার্পওয়ার্কের হ্যাঁ শাপওয়ার্কের মাধ্যমে কিভাবে আমরা হেলডি হতে পারি । তারই আলােচনা!নতুন মাত্রায় নতুন সমাধান! অর্থাৎ স্বাস্থ্য সমাধানের এক সুন্দর ভিডিও আজকে পরিবেশিত হতে যাচ্ছে! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও কে স্কিপ না করে শেষ পর্যন্ত দেখবেন! আজ বেশিরভাগ মানুষকেই অনুসূচনা করতে দেখা যায়! হে ভগবান আমারতাে টাকা পয়সা ধন সম্পদ কোন কিছুরই অভাব রাখনি! কিন্তু আমি সেগুলাে ভােগ করতে পারছি না কেন?

যখন আমার ভাগ্যে খাবার ছিল না তখন খাবারের সন্ধানে ঘুরতাম!আর এখন খাবারের অভাব নেই কিন্তু খেতে পারছিনা!হায়রে দুর্ভাগা জীবন! হয়তাে সেই খাবারকে আপনার শরীর এলাও করছে না বা ডাক্তারের পরামর্শকে মানতে গিয়ে আজ সেই ইচ্ছা মতাে খাবার খেতে পারছেন না।

কিন্তু এমন ভাগ্যবান লােকও তাে দেখা যায় যাদের খাবারের সঙ্গে বয়সের কোন ফেক্টার নেই, ৬০ বা ৭০ বৎসরের ব্যক্তির চলা ফেরা দেখে মনে হয় ৪০ বা ৪৫ বৎসরের মত! হেলথ কেয়ারের জন্য ডাক্তারের উপর নির্ভর করতে হয় না মেন্টাল হেলথ প্রবলেমের জন্য আমরা ভগবানকে দোষ দিচ্ছি! এমনটা কেন? তাহলে কি ভগবান আমাদের তৈরী করার সময় পার্শিয়ালীটি করেছেন? প্রত্যেক মানুষই তাে উনারই সৃষ্টি তাহলে একজনের দেহকে সুন্দর সুস্থ ও রােগ মুক্ত রেখেছেন! আর অন্যজনকে? রােগে জড়াগ্রস্থ করে রেখেছেন! এ কেমন ধরনের বিচার? বন্ধুগন নিজের অজানা ভুলকে নিজে খােজে বের না করে ভগবানকে দোষ দেওয়ার কি মানে আছে বলুনতাে? ভগবান তাে প্রত্যেকে ব্যক্তিকে নিজের বেষ্ট দিয়ে তৈরি করেছেন!

বাইবেলের জেনিসাস চাপ্টার টুতে আছে যে GOD CREATES HIS CREATURES ON HIS OWN IMAGE. যাতে উনার তৈরী প্রােডাক্ট ১০০ বৎসরের পূর্বে এক্সপেয়ার না হয়! কিন্তু দুর্ভাগ্যতাে আমাদের কারন আমাদের এই হেলথকে আমরা ম্যানেইজ করতেই পারছি না! আমরা টাকার পেছনে দৌড়াছি, হার্ডওয়ার্ক ও করছি, দেহকে যত সম্ভব ইউজ ও করছি কিন্তু সেই দেহকে সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে সার্ভিস করছি না!! এটাই তাে প্রবলেম!

কোম্পানী থেকে যখন একটি গাড়ি ডেলীভারি করে তখন তারও এক সার্ভিস টাইম সেট করা থাকে কোম্পনী থেকে কার ডেলিভারি। সার্ভিসের বিষয়ে বলা হয়, আপনি যত দামী গড়িই কিনুন না কেন,হয়তাে বি.এম.ডাব্লিউ হউক না কেন, আপনাকে কার সার্ভিস করতে! কিন্তু আমরা যদি সঠিক সময়ে গাড়িটি সার্ভিস না করি বা পেট্রোলের পরিবর্তে কেরসিন তেল ঢুকিয়ে চালাতে চাই তাহলে কি ইঞ্জিন সঠিক ভাবে কাজ করবে? আমি বুঝাতে চাইছি গাড়িকে যেমন সঠিক সময়ে সার্ভিস করার প্রয়ােজন তেমনি ঈশ্বরের দেওয়া আমাদের এই শরীর রুপী গাড়িকে ও শুধু হার্ডওয়ার্ক করালেই হবে না তাকে সাভিসিং বা শার্প ওয়াকও করা প্রয়ােজন!তা নাহলে শরীর রুপী গাড়ী বেশিদিন চলবে না।

আসুন আমরা এখন আলােচনা করি শার্পওয়ার্ক কি? এই প্রসঙ্গে একটি ছােট্ট গল্প এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই!

একবার এক যুবক কাজের খােজে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছােটে বেড়াচ্ছে কিন্তু সে কোথাও কোন কাজ পাচ্ছে না! আর সে এক লাকড়ির মিলের পাশ দিয়ে যাচ্ছে আর দাড়িয়ে ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে! আর এই মুহূর্তে এই টিম্বারের ম্যানেজার তাকে দেখেন আর বলেন যে ভাই তুমি এখানে কি করছ? তখন যুবক বলেন স্যার আমি কাজের খােজে বেড়িয়েছি! এখানে কি কোন কাজ পাওয়া যাবে? তখন ম্যনেজার বলেন হ্যাঁ পাবে! অবশ্যই পাবে!

তবে তুমি কি লাকড়ি কাটতে জান? পারবে লাকড়ি কাটতে? যুবক বলেন অবশ্যই! আমি যে কোন কাজ করতেই রাজি! তখন ম্যানেজার এক নতুন কুড়াল দিয়ে বলেন তুমি আজ এখানে থাক!কাল থেকেই কাজে লেগে পর! সে দ্বিতীয় দিন সকালে কুড়ােল নিয়ে গাছ কাটতে শুরু করে আর সে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭টি বড় বড় গাছ কেটে ফেলল!

পর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬টি গাছ কাটতে পারলাে,তৃতিয় দিন ৫টি কাটতে পারলে! চতুর্থ দিন ৪টি এই ভাবে ডাওনের দিকে চলল!

আট দিনের মাথায় যখন ম্যনেজার সেই কাঠুরিয়ার পাস দিয়ে যাচ্ছেন তখন উনি দেখতে পান যে সে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিশ্রম। করে যাচ্ছে! কিন্তু সে আজ একটি ও গাছ কাটতে পারল না! তখন ম্যানেজার তাকে প্রশ্ন করেন এমন কি হল তােমার দিন দিন রেজাল্ট খারাপই হচ্ছে? কি ব্যাপার? তখন যুবক বলে স্যার আমিও তাে বুঝতে পারছিনা? এমন কেন হচ্ছে? আমিতাে আগের মতােই পরিশ্রম করছি! তখন ম্যানেজার যুবককে প্রশ্ন করেন আচ্ছা বলতাে তুমি কি এই আটদিনের মধ্যে এই কুড়ােলকে ধার দেওয়ার জন্য সময় দিয়েছ? যুবক বলল না স্যার! আমি কাজে এতই ব্যস্ত ছিলাম যে কুড়ােল ধার দেওয়ার সময়ই পাইনি! তখন ম্যানেজার যুবককে বলেন মনে রাখবে জীবনে হার্ডওয়ার্ক করাতাে প্রয়ােজন তবে শার্পওয়ার্ক করাও প্রয়ােজন!ধার দেওয়া প্রয়ােজন!

বন্ধুগন! আমার প্রশ্ন আপনাদের প্রতি আপনারা কি হার্ডওয়ার্ক করছেন না কি শার্পওয়ার্কও করছেন? | আপনারা হয়তাে বলবেন যে আমাদের কাছেতাে কোন কুড়ােল নেই? তাহলে আমরা কিভাবে শার্পওয়ার্ক করবাে?আর আমিতাে লাকড়িও কাটিনা তাহলে আমার কুড়ােলের ধারের প্রয়ােজনই বা কি ? হ্যা আমি জানি আপনারা হয়তাে গাছ কাটেন না বা কুড়ােল আপনাদের কাছে নেই! কিন্তু বন্ধুগন ভগবান কিন্তু আমাদেরকে দুটি কুড়ােল দিয়ে পাঠিয়েছেন! যার দ্বারা আমরা আমাদের জীবনকে এগিয়ে নিতে পারি! এক হল আমাদের শরীর আর দ্বিতীয়টি হল আমাদের মন! আমরা শরীরকে তাে সর্বক্ষেত্রেই ব্যবহার করি, কিন্তু আমরা কি সেই শরীরকে ধার দিচ্ছি? ভগবান আমাদের শরীর রুপী যে কুড়ােল দিয়েছেন তা হয়তাে ১০০ বৎসরের জন্য দিয়েছেন! কিন্তু আমরা সেই কুড়ােলকে

শার্পওয়ার্ক না করে তা এক্সপেয়ার করে দিচ্ছি মাত্র ৫০ আর ৬০ বৎসরের মধ্যে! যদি দীর্ঘ জীবি হতে চান তাহলে এই শরীর রুপী কুড়ােল যা ভগবান আমাদেরকে দিয়েছেন তাকে ও ধার দেওয়া প্রয়ােজন! | তবে আসল কথা হল এই শরীর নামে যে কুড়ােল তার ধার কিভাবে দেওয়া যায়? বন্ধুগন তার জন্য কোন। মেশিনের প্রয়ােজন হবে না,তার জন্য আমাদের হােম হেলথ কেয়ারই যথেষ্ট,যাকে আপনি ফেমিলি হেলথ সেন্টারও বলতে পারেন।
আর তা হল
১) নিউট্রিশানের উপর!
২)এক্সারসাইজ বা ফিজিকেল এক্টিভিটি
৩)এনাফ রেষ্ট!

নিউট্রিশান মানে হেলডি ফুড অর্থাৎ হেলডি ফুড, এমন খাবার যার থেকে ভাল পুষ্টি পাওয়া যায়। আমরা খাই | তাে ঠিক আছে তবে প্রশ্ন হল আসলে আমরা খাওয়ার সময় কি খাচ্ছি? এ হল সব থেকে বড় প্রশ্ন! আমরা বেশির ভাগ সময় জিহ্বার টেস্টের জন্য ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের উপর বেশী ধ্যান দিচ্ছি! তা আমাদের শরীরের ভালই হােক আর খারাপ তার উপর কোন লক্ষ্য দিচ্ছি না,কিন্তু বন্ধুগন হেলথ ফাস্ট | তাে অল ফাস্ট!

আর আমরা ঘরের খাবার তাে খাই তবে বেশীর ভাগই দেখা যায় অনেকে খুব বেশি দ্রুত খাবার খেয়ে ফেলি! আবার দেখা যায় অনেকে খাবার খাওয়ার সময় তার খাবারের প্রতি ধ্যানই থাকে না আর খেতেই থাকে খেতেই থাকে.... এত খাবার কেন খাচ্ছেন! নিজেকে একবার জিজ্ঞাসা করুন? আমাদের শরীরকে ২৪ ঘন্টা চালানাের জন্য ২৪টি গ্রাসই যথেষ্ট! কিন্তু আমরা সারা দিনে ২৪০ গ্রাস খাবার মুখে দিই!

আর আমরা যত খাবার বেশি খাই তা আমাদের পেটের জন্য নয় তা আমরা খাই টেষ্টের জন্য! আর সব থেকে গুরুত্ব পূর্ন বিষয় হল আপনি যখন খাবার খাবেন তখন ভালভাবে চিবিয়ে খাবেন। আমরা তা করি

আসলে আপনি যখন ভাল ভাবে চিবিয়ে খাবেন তখন তার দুই দিকেই লাভ ১ম ডাইজেশান খুভ ভাল হবে, আর দ্বিতীয়ত আপনার তৃপ্তি ও হবে খুব তারা তারি। আর এই ভাবে যদি আপনি চান তাহলে কিছু খাবার কম খেয়ে ও অধিক শক্তি সঞ্চয় করতে পারেন! আর একটি ইম্পর্টেন্ট বিষয় হল আমাদের কোন বেলা কতটা খাবার খেতে হবে তার কোন সিস্টেমই জানা নেই!

বৈজ্ঞানিক সিস্টেম অনুসারে সকালে যে খাবার খাবেন তা হল ব্রেইন ফুড! তার পরিমান কম যেন না হয়! দ্বিপ্রহরের খাবার হবে মিডিয়াম!আর রাত্রিতে খুব কম!কিন্তু আমরা কি করি সম্পূর্ন উল্টো! আরেকটি বিষয় ডাক্তারের পরামর্শ হলাে যারা ওভার ওয়েট তারা ১১ টা বা ১২ টা পর্যন্ত কিছু না খেলেই ভাল! নিউট্রিশানের পর আমাদের দেহকে সুস্থ রাখার জন্য এক্সারসাইজ করাও অনেক প্রয়ােজন! প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে কোন অঙ্গকে ব্যবহার না করলে তাকে অকেজো হয়ে যায়!

যাকে বলা হয় ইউজ ইট অর লােজ ইট! | উদাহরন আপনার ভেঙ্গে যাওয়া হাতকে ১মাস ধরে যদি প্লাস্টার করে রাখেন আর ১ মাস পরে যদি সেই হাতকে খুলে কিছু কাজ করতে যান তাহলে বুঝতে পারবেন সেই হাত দিয়ে আর আগের মতাে কাজ করতে পারছে না!

কিছুদিন কাজ করতে করতে হয়তাে ফিজিওথেরাপিষ্টের পরামর্শে তাকে আবার পূর্বের জায়গাতে নিতে পারবেন! ঠিক তেননি যদি রােজ এক্সারসাইজ করেন তাহলে অব্যবহার্য্য হাত পা মাসলসকে পুনরায় অ্যাক্টিভ করতে পারবেন!

আপনি হয়তাে এক্সারসাইজ করার জন্য কোন প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না! কোন অসুবিধা নেই ফিজিকেল এক্টিভিটির জন্য! বাড়িতেই করুন! এক্সারসাইজ অনেক ধরনের হয়! নর্মাল ও হতে পারে! হাঁটাই হউক,জগিংই হউক,সাইক্লিং হউক আর দৌড়ানােই হউক যে কোন ভাবে হলেই চলবে!ঘাম ঝড়াতেই হবে! যখন হাঁটা শুরু করবেন তখন লক্ষ্য রাখবেন হাঁটার পরিমান দিন প্রতি দিন ১০০ মিটার বা ২০০ মিটার করে বাড়াতে হবে!

তাছাড়া যদি পারেন যােগ বা মেডিটেশন ও করতে পারেন, আসন করতে পারেন, বা জিমে ও যেতে পারেন ডান্স করতে পারেন! এরােবিক এক্সারসাইজ(গানের তালে তালে) ও করতে পারেন!অথাৎ আপনার দেহকে এমন ভাবে তৈরী রাখুন যাতে জীবনের সব পরিস্থিতিতে সৰ্ব্ব ক্ষেত্রে আপনি আপনার দেহকে যাতে সুস্থ সবল রাখতে পারেন!নিউট্রিসিয়ান ফুড,এবং এক্সার সাইজের পর তৃতীয় হল

Enough Rest.আমাদের শরীরকেও আরাম দেওয়ার প্রয়ােজন!

রেস্ট করার অনেক প্রয়ােজন কারন খুব বেশী কাজ করলেন আর শরীরকে রেস্ট দিলেন না তাহলে আপনার শরীরের কর্ম করার শক্তিও হারিয়ে ফেলবেন! বন্ধুগন যখন আপনার শরীর আপনার সঙ্গে ১০০ % সহায়তা করবে তখন দেখবেন আপনার জীবনে কাজ করার মজাই আলাদা!

আপনার ঘর ই হউক বা অফিস ই হউক সর্ব ক্ষেত্রেই আপনি অনুভব করতে পারবেন!আর যখন আপনার দেহ হেলদি ও সুন্দর হয়ে যাবে তখন দেখবেন আপনার মধ্যে এক কনফিডেন্স আসবে! আশা করি হেলথ মেনেজম্যান্ট করার এই ভিডিও আপনাদের অনেক কাজে আসবে! অনুগ্রহ করে ভিডিওটিকে লাইক, শেয়ার,কমেন্ট করবেন! | শীঘ্রই নতুন ভিডিও নিয়ে আসবাে, ভাল থাকবেন ,

ধন্যবাদ!


Sunday, July 24, 2022

Stress Relief By Rajyog Meditation , ইচ্ছা শক্তির চমৎকার , Effective Communication


একটি মজাদার গল্প মনে পরেছে, একবার শেখর ভাই রাত্রিতে শুতে গেলেন কিন্তু সেই দিন তার চোখে ঘুম আসচ্ছে না, সে বিছানায় নড়াচড়া করছে, উনার পত্রির ঘুম চোখে আসচ্ছেনা কারন উনার স্বামি এদিক ওদিক নড়াচড়া করছে ডিস্টার্ব হচ্ছে, রত্রি তখন প্রায় ১ টা বাজে। লাইট অন করে পত্রি। জিজ্ঞাসা করলেন তােমার কি হয়েছে ঘুমাচ্ছ না কেন? এদিক ওদিক নড়া চড়া করছ কেন? আপনার কি কোন চিন্তা হচ্ছে? কোন সমস্যা আছে, আমাকে বল কি সমস্যা। তখন শেখর ভাই বলেন তুমি আমাদের সামনের বাংলাে দেখতে পারছ ইহা অশােক ভাইয়ের ঘর উনাকে আমি বচন দিয়েছি উনার কাছ থেকে ২ বৎসর আগে ১ লাখ টাকা ধার নিয়ে ছিলাম তা আগামী কাল সকালে দিয়ে দিব।

কিন্তু সমস্যা হল পয়সার কোন ব্যবস্থাই হয় নি, আমি এখন কি করব বুঝতে পারছি না, সকালে কি হবে সেই চিন্তায় আমার ঘুম আসচ্ছে না। তখন তার স্ত্রী বলেন তাতে এমন কি হয়েছে! তিনি সঙ্গে সঙ্গে ফোন উঠালেন অশােকের ফোন নাম্বার ডায়েল করলেন রাত্রি ২ টা বাজে অশােক ভাই ঘুম থেকে। উঠলেন আর তখন হালকা হালকা শব্দে বলেন আমি শেখর ভাইয়ের স্ত্রী বলছি আপনার সামনের বাংলােতে থাকি,‘হা বলুন’ আসলে আমার পতি ২. বৎসর আগে ১ লাখ টাকা নিয়েছিল আর আপনাকে বচন দিয়েছে আগামী কাল দিয়ে দিবে কিন্তু সমস্যা হল টাকার কোন ব্যবস্থাই হয়নি, সরি এন্ড গুড নাইট। ফোন কেটে দিলেন। তখন হয়েছে এমন শেখর ভাই তাে শান্তিতে শুয়ে পরেছেন কিন্তু অশােক ভাইয়ের লাইট পুরা রাত্রিই অন ছিল। বন্ধুগন ইহাকে কি বলে? ইহা আর কিছুই না ইহা এক স্ট্রেস। জীবনে স্ট্রেস সব জায়গায় হতে পারে, যদি আমরা কোথাও যাওয়ার জন্য রৌনা দিলাম আর রাস্তার মাঝে ট্রাফিক ঝাম লেগে গেছে তার পরেও স্ট্রেস। মানে চিন্তা আসতে থাকে আমি টাইমে পৌছাতে পারব না। আবার আমি যদি টিকেট না নেই তাহলে চিন্তা হয় আরে বসার জায়গা যদি না পাই। এমন ছােট ছােট স্ট্রেস জীবনে আলেদা আলেদা জায়গা থেকে আমরা পেয়ে থাকি।

আর যদি স্ট্রেস আপনার জীবনে অবার লােড হয়ে যায়, তখন ডিস্ট্রেস হয়ে যায়, আর সেই ডিস্ট্রেসকে কিভাবে মেনেইজ করা যায়, ইহাকে জানা। অনেক প্রয়ােজন। বন্ধুগন এমন বলা হয় চিতা তাে আমাদের একবারই জালায় কিন্তু চিন্তা আমাদের প্রত্যেক দিন জালায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমন হয় যখন আমরা কোন ব্যবসা শুরু করি তখন প্রথম অবস্থায় আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন স্ট্রেস আসতে থাকে, তখন সেই পরিস্থিতিতে যদি স্ট্রেসকে ম্যানেজ করতে না পারি, ম্যানেজ করতে না শিখি, এতে আমাদের টার্গেট অনেকটা ধবংশ হয়ে যাবে।

বন্ধুগন আপনারা সবাই বিহিকেল মানে বাইক বা কার চালিয়ে থাকেন। সাধারন ভাবে আমরা যখন বিহিকেল চালানাে শুরু করি তখন ফাস্ট গিয়ার থেকে শুরু করি তার পর ধীরে ধীরে যখন তার স্পিড় বারতে থাকে Second,Third,Fourth মনে করেন যদি সেই বিহিকেলকে শুধু প্রথম গিয়ারেই চালাতে থাকেন, তাহলে কি হবে? গরম হয়ে যাবে এভারেজ দিবে না, কিছু দূর যাওয়ার পরে ব্রাস্ট হয়ে যাবে।

যেই বাইক বা যেই গাড়িকে কোম্পানী তৈরি করেছেন হাজার হাজার কিলােমিটার চালানাের জন্য সেই বিহিকেলকে যখন একই গিয়ারে চালাতে থাকি | তখন কি হয় কিছু দিন চালানাে পর তা ফেইল হয়ে যায়।

আমাদের শরীরও এক গাড়ি, যেই গাড়িকে ভগবান 4th গিয়ারে চালানাের জন্য তৈরি করেছেন। কিন্তু আমরা কি করি জীবনকে এতটা স্ট্রেস ফুল তৈরি করে দিয়েছি, যার উদাহরন, অনেকে সকালে ঘুম থেকে উঠে চা টিফিন করার আগে বিভিন্ন আইটেমের টেবলেট নিতে হয়, যখন জিজ্ঞাসা করা হয় আপনি ইহা কেন নিচ্ছেন তখন বলে ইহা ডায়াবেটিস, এটি ব্লাড প্রেসার, আর এটি কনস্টিফেসন, আর এই টেবলেটটি আমার কিছু হার্টের সমস্যা চলছে, এই জন্য আমার নিতে হচ্ছে। যেই শরীরকে ভগবান তৈরি করেছেন যাতে ৮০ বা ১০০ বৎসর সুস্থ্য থেকে কাম কাজ করতে থাকে, সেই শরীরকেই আমরা ৪০ বৎসর ৫০ বৎসর বয়সেই শেষ করে দিয়ে থাকি।

আমরা এই ভাবেই জীবনকে এক স্ট্রেসফুল করে থাকি, যখন অফিসে যাই আমাদের পার্সনাল কাজে যাই তখনতাে স্ট্রেসে থাকি কিন্তু যখন ঘরে যাই তখনও স্ট্রেস, নিজের পরিবারের প্রত্যেক ব্যক্তির সাথে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারি না, এমন ও দেখা যায় যখন নিজের ছেলে পড়া শুনা না করে টিবি দেখতে বসে তখন তার সাথে কি ভাবে ব্যবহার করি চিৎকার করে বলি রাজু টিবি বন্ধ কর ,পড়তে বস। আর যখন পাশের বাড়ির শুনিল আশে তখন কি ভাবে বলে কেমন আছ শুনিল বাবা, হােম ওয়ার্ক শেষ করেছ আজকে? সুনিলের সাথে ভাল ভাবে কথা বলেছে, নিজের বাচ্চার উপর নিজের অধিকার তার জন্য চিৎকার করে বলতে হয়, নিজের স্ত্রির সাথে চিৎকার করে কথা বলে। আর পাশের বাড়ির মহিলা যখন। আসে তখন কিভাবে রেসপনস করে কেমন আছেন বৌদীমনি সব কিছু ঠিক আছে তাে? এই যে ইমবেলেন্স তা এইটিই আমাদের বেশির ভাগ স্ট্রেস দিয়ে থাকে।

দিনের বেলা যদি অফিসে থাকে তখন অফিসের স্ট্রেস, বিকালে যখন বাড়িতে থাকে তখন পরিবারের প্রতি যে রেসপন্সিবিলিটি হওয়া উচিত তার স্ট্রেস। ব্যক্তি তখনই সাকসেস হতে পারে যেখানে ব্যক্তি এই গুলিকে সঠিক ভাবে বেলেন্স করতে পারে। সুতরাং এই বিষয়টি সব থেকে গুরুত্ব পুর্ন জীবনে প্রত্যেক পরিস্থিতিতে বেলেন্স থাকার চেষ্টা করুন। তাহলেই খুব ভাল রেজাল্ট পাওয়া সম্ভব।

তাছাড়া বন্ধুগন প্রায় ১৯৪০ বা ১৯৪৫ সালের ঘটনা, আমেরিকাতে একবার এক সার্বে হয়েছিল, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিল মানুষের কি কি ইচ্ছা, | স্বপ্ন, রয়েছে যা তারা পেতে চাইছে, আর সেই সার্বেতে মেইন ফোকাস ছিল ৮ থেকে ১০টি বিষয়ের উপর, যেমন গাড়ি, বাংলাে, অর্থ ঐরকম, বিভিন্ন পার্পাস, এর মধ্যে একটি পার্পাস ছিল এফেক্টিভ কমিউনিকেশান, আপনারা বিশ্বাস করবেন না ৭০ % লােক টিক মার্ক করেছেন এফেক্টিভ কমিউনিকেশানের উপর।

আপনি ভাবতে পারছেন! আমেরিকার লােকেরা তৎকালিন সময়েই বুঝতে পেরেছেন যে মানুষের জীবনে সব থেকে ইম্পর্টেন্ট বিষয় হল কমিউনিকেশান করা,অথাৎ যদি কমিউনিকেশানের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে অর্থ, ধন, সম্পদ অটেমেটিকেলী চলে আসবে। দেখুন বন্ধুগন যদি আপনি নিজেকে মিলিনিয়রের বিলিনিয়রের লিষ্টে এড করতে চান, তাহলে আপনাকে বিজনেস কুয়ালিটিকে ডেভেলফট করতে হবে, হয়তাে তার জন্য বিজনেস ম্যনেজম্যান্ট করে আসবেন, BBM,MBMকোর্স করে আসবেন, কিন্তু আপনার যদি এফেক্টিভ কমিউনিকেশন স্কিল না থাকে তাহলে BBM,MBM এর কোন দাম থাকবে না, কাষ্টমারের পাশা পাশি নিজের মালিকের সাথে কো-অপারেশন অনেক প্রােয়ােজন।

এফেক্টিভ কমিউনিকেশান কাকে বলে? অনেকে হয়তাে বলবে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান মানে আমার সামনের ব্যক্তিকে যদি কনভিন্স করতে পারি তাহলেই হবে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান। সাধারন ভাবে এই মনে করেন প্রত্যেকে,আচ্ছা! মনে করেন আপনি সামনের ব্যক্তিকে বুঝাতে পারলেন, মানে কনভিন্স করতে পারলেন, কিন্তু বুঝার পরও আপনি যা চাইছেন সামনের ব্যক্তি করতে চাইছে না, তাহলে এই কনভিন্স এর মানে কি?

আপনি যখনই বললেন আমি যা বলেছি তা যদি বুঝতে পারেন তাহলে তাহলে আমাদের সাথে ব্যবসা শুরু করেন! সাইন করুন, তখনই সে বলল না আজ না আরেকদিন, তাহলে এর কোন মানে হয় না। আমার মতে এফেক্টিভ কমিউনিকেশান তাকেই বলে যদি আপনার বুঝানাের পর সে বুঝক আর না বুঝক কথা শেষ হওয়ার পরে আপনি যা চাইবেন তাই সে করবে। | কিন্তু ইহার জন্য এক ইম্পটেন্ট বিষয় যা আপনাদের জন্য বিশেষ ভাবে বলছি, বন্ধুগন আমরা এই মুহূর্তে কি আছি তা ভুলে যান, ভবিষ্যতে কি হতে চান তা ভাবুন, মিলিনিয়র, বিলিনিয়র, এক সফলতা ক্রস করতে চাইছেন, তাহলে আজকের থেকেই আপনার জীবনে তা নিয়ে আসার জন্য শুরু করেদিন।

মাল্টিমিলিনার্সকে দেখেছেন কিভাবে কথা বলে, কি মিষ্টি শুরে কথা বলে তারা, অনেক সম্মান থাকে তাদের শব্দের মধ্যে, আর ইহাই আমাদের জীবনে | ধারন করা প্রয়ােজন, ইহা আমাদের মনে রাখা প্রয়ােজন। সুতরাং এফেক্টিভ কমিউনিকেশান অনেক প্রয়ােজন।

আজকাল প্রায়ই দেখা যায় মােটিভেশানের বিডিওর অভাব নেই, ইউটিউবে যদি সার্চ করেন তাহলে দেখা যাবে মিলিনিয়র ভিওয়ার কিন্তু বন্ধুগন যদি | এত এত মােটিভেশান ভিডিওতাে দেখছেন সবাই কিন্তু সবাইকি মােটিভেট হয়ে জীবনে সাকসেস হতে পারছে? না। এর কারনকি? কোন সময় হয়তাে

ভেবেই দেখেন নি। আজকাল বেশির ভাগ মােটিভেশান ভিডিওতে দেখা যায় স্পিকার স্টেইজে আসে এমন সমব কিছু লেকচার দেয় যেমন মনে হয় মানুষ আজ থেকেই টার্গেটের পেছনে দৌড়াতে শুরু করবে। কিন্তু না বন্ধুগন,বাজারে মেলায় আমরা একধরনের গ্যাসের বেলুন দেখতে পায়,এই বেলুন গুলি উপরে যেতে চায়, আপনি এই বেলুনটি যখন ঘরে আনবেন, দুই তিনদিন পরে দেখতে পাবেন বেলুন ঘরের এক কুনাতে পরে আছে।ঠিক একই প্রকার মানুষ মােটিভেট হওয়ার দুই তিন দিন পরে ঠিক চুপসে যাওয়া বেলুনের মতাে হয়ে যায়।মােটিভেশানের সেই জ্যোস আর থাকে না।এই জন্যই তাে বলছি শুধু জ্যোসেই কাজ চলবে না,সঠিক পদ্ধতি বুঝার চেষ্টা করুন।

 সঠিক গাইডেন্স নেন, সঠিখ স্টেপ ফলাে করুন, ইহা প্রেক্টিকেল লাইফে অনেক প্রয়ােজন। ইহা আপনাকে সাকসেস পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমিও ইচ্ছা করলে ঐ মােটিভেশান বক্তৃতার মাধ্যমে আপনাদের মধ্যে জ্যোস দিতে পারতাম, কিন্তু দুইদিন পরে যেমন ছিল তেমনই থাকবে, ইহার কোন মানেই হয় না,


Unemployment Crisis in India


বেকারত্বের সমস্যা শুধু ভারতবর্ষেই নয় সারা বিশ্বে এক অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। এই সমস্যার কারনেই আজ অনেক বেকার ভাই অন্যায় পথে পা বাড়াচ্ছে! তারা তাদের জীবনে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না!বেকার ব্যক্তির মনে হয় জীবনে সে এক হতভাগা! আর প্রতি নিয়তই মনে আসে আরে বয়স বেড়ে যাচ্ছে আমার হাতের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে! এখন যদি কিছু করতে না পারি তাহলে এই জীবনে থাকা আর না থাকা সমান! আজকে এই বেকারত্বের সমস্যাকে

কাটিয়ে সাঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করব! এই টিপস গুলি হল :

১) পিতামাতার উপর নির্ভর থেকেই ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা!

২)পরিক্ষামুলক ভাবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগান ও পর্যবেক্ষন করুন!

৩) কৰ্ম্ম বাছাইয়ে নমনীয় হউন!

৪) সঠিক সিদ্ধান্তের উপর স্ট্যাম্প লাগান।

এখন আসুন প্রথম পয়েন্টটি নিয়ে আলােচনা করি

) পিতামাতার উপর নির্ভর থেকেই সকল অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করুন!

এর মানে পিতা মাতার অধীনে থেকেই অর্থাৎ স্টুডেন্ট লাইফেই বিভিন্ন ভাবে আপনার প্রফেশনাল এক্সপিরিয়েন্স তৈরি করা। এবং জীবনের লক্ষ্য সেট করা! এমন ও দেখা গেছে প্রায় ব্যক্তি পড়াশুনার লাইফে পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন এম্বিশান তাদের থাকেইনা! পড়াশুনা,খেলাধুলা,বাবার হােটেল! এর ফলে পড়াশুনা কমপ্লিট করার পর তারা ডিপ্রেশানে চলে যায়! কি করবে, কি টার্গেট সেট করবে? সময় চলে গেছে। প্রতিযােগীতা বেড়ে গেছে। প্রতি মুহুর্তে মনে হয় এখন কি টার্গেট সেট করার সময় আছে? কখন টার্গেট সেট করব? আর কখনই বা তা এচিভ হবে? সেই অভার থিংকিং এর কারনে কি করবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না!

তাই আমি বলব আপনার পড়াশুনার সময়েই আলাদা ভাবে প্রফেশান লেভেলের ট্রেইনিং নেওয়া প্রয়ােজন! তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্টুডেন্টরা বর্তমানে এই বিষয়ে সচেতন হচ্ছে। আজকাল দেখা যায় পড়াশুনার পাশা পাশি কম্পিউটারের প্রশিক্ষন নিচ্ছে, যার ফলে ভবিষ্যতে পড়াশুনা শেষ করার পরে তারা এর মাধ্যমে এক ইনকাম সোস পেয়ে যাবে!

তবে আমি বলব শুধু কম্পিউটারই না এর পাশা পাশি আপনার অন্য প্রফেশানের বিষয়েও এক্সপিরিয়েন্স নেওয়া প্রয়ােজন! যদি বিজনেস এক্সপিরিয়েন্স করতে চান তাহলে কিছু কিছু বিজনেস স্টাডি ও করতে পারেন! এতে দুই দিকেই লাভ এক আপনার পড়াশুনা শেষ করার পর যদি কোন বিজনেস শুরু করতে চান তখন আপনার মানুষের সাথে বিজনেসের স্টাইলের ব্যবহার আদব কাইদা এই গুলি আপনি পেয়ে যাবেন যার ফলে নিজেকে ঘাব্রাতে হবে না আর দুই আপনি একদিনের জন্যও বেকার থাকবেন না। শুতরাং পড়াশুনার লাইফেই আপনি বিশেষ কিছু করার ট্রেইনিং নিয়ে নিন! পড়াশুনার সময়েই প্রফেশান লেভেলের এক্সিপিরিয়েন্স নিতে হবে!

ভগবান এই বিশ্বে কোন কিছুরই অভাব রাখেন নি শুধু তাকে খােজে বের করতে হবে, তবে আমি একবারও বলছি না যে আপনি পড়াশুনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু প্রফেশনাল বিষয়ে গুরুত্ব দিন! যে সময় ফেইসবুক বা অন্যান্য সােসাল মিডিয়া, গেইমে এমনকি গল্পে সময় দেন এই সবের মাত্র ২০% সময়কে ইউজ করুন তাহলেই চলবে! অনেকেই হয়ত বলবে আরে এক্সপিরিয়েন্স তাে নিতে চাই কিন্তু কিসের এক্সপিরিয়েন্স নিব? কি আছে? তাদের উদ্দেশ্যে একটিই কথা বলব একজন ব্যক্তির কেরিয়ার তৈরি করার যে সব মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে হয়ত কয়েকটি প্রফেশানের নাম আপনার জানা আছে? ২ মিনিট সময় নিয়ে একটু কষ্ট করে গুগােল ওয়েবসাইটে গিয়ে টাইপ করুন How Many Type of Profession. তখন দেখতে পাবেন ২০০ বেশি প্রফেশান রয়েছে যা আমি বলে শেষ করতে পারব না, কিন্তু আপনি হয়তাে ১০ বা ১৫টি প্রফেশানের নাম জানেন আর ভাবেন এই গুলি দিয়ে আমি কিভাবে কেরিয়ার তৈরি করব। আমার বিশ্বাস এই গুলির থেকে আপনার পছন্দ স্বরুপ প্রফেশান আপনি পেয়ে যাবেন। এর পর আসচ্ছে

২) পরিক্ষামুলক ভাবে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানাে ও পর্যবেক্ষন করা!

মানে আপনি পড়াশুনার লাইফে যে সব অভিজ্ঞতা নিজের মধ্যে তৈরি করেছেন তা স্টেপ বাই স্টেপ ইউজ করা শুরু করুন! আপনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করা শুরু করে দিন!

এক সার্ভেতে দেখা গেছে ৭৫% ব্যক্তির মধ্যে ইগােনেসের প্রভাব কাজ করে। তাদের কাছে যে কাজই আসে প্রথমে তারা | ভাবে এই কাজটি কি আমার যােগ্য? এই ভাবেই তাদের সময় নষ্ট হয়! আবার যদি কোন উল্লেখ যােগ্য কোন কাজ আসে।

সমাজে যার অনেক সম্মান আছে সেই কাজ করার আগে ভাবে আমি কি এত পরিশ্রমের কাজ করতে পারব? না আমার পক্ষ্যে | তা সম্ভব হবে না! আর এই করতে করতে তাদের লাইফ চলতে থাকে বেকারত্বের মধ্য দিয়ে!

এখন আসি তৃতিয় পয়েন্ট যা খুবই গুরুত্ব পূর্ন

৩) কৰ্ম্ম বাছাইয়ে নমনীয়তা! যাকে ইংরেজীতে বলি Flexible on Source

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে বংশ পরম্পরাতে নিজের বাপদাদারা যে সব ভাবে ইনকাম করতেন তাই তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ফলাে করতে নির্দেশ দেন! বাস্তবে প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গী আলাদা আলাদা!যার ফলে তারা তাদের ইনার পাওয়ারকে কাজে লাগেতে পারে না, আর এ জন্যই প্রয়ােজন স্কুল লাইফে এক্সট্রা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা! যার দ্বারা পরবর্তীকালে ট্রাই এরােরের মাধ্যমে প্রেক্টিস করতে পারেন!

এই বিষয়টি অনেক গুরুত্ব পূর্ন, কারন ইনকামের জন্য ট্রেডিশানের বাইরে গিয়েও এক এক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে থাকুন আর যেখানে সেট না হয় সেখান থেকে সরে আসুন! আমি নিশ্চিত একটিতে না একটিতে আপনি অবশ্যই সেট হয়ে যাবেন! আজ নয়তাে কাল! কারন পৃথিবীতে এমন কোন জীব নেই যাকে ভগবান জন্ম দিয়েছেন কিন্তু তাকে কর্মের ও রুটি রােজগারের উপায় দেননি। তাই নিজের ভিতরে খােজার চেষ্টা করুন নিজের কুয়ালীটিকে বেড় করুন! লাষ্ট পয়েন্ট

৪) সঠিক সিদ্ধান্তের উপর স্ট্যাম্প লাগান।

যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার মনের সাথে আপনার কাজ মিলে গেছে তখন তন মন সর্বস্ব দিয়ে সেই কাজে লেগে | যান! পেছনে ভাবার কোন প্রয়ােজন নেই! কে কি বলবে তার দিকে ফোকাস করার কোন প্রয়ােজন নেই। অনেক সময় দেখা

যায় আপনি যে কাজটিকে চয়েজ করবেন তা হয়তাে অন্যদের কাছে ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু যদি আপনার মন সেট হয়ে | যায় তাহলে অন্যের কথার উপর কোন গুরুত্ব দেওয়ার কোন প্রয়ােজন নেই! আমার বিশ্বাস যদি এই চারটি টিপসকে ঠিক ঠিক ভাবে ফলাে করতে পারেন তাহলে আনএমপ্লই যে সমস্যা আজ ওয়ালর্ডে দেখা যাচ্ছে তার হ্রাস করা সম্ভব!


3 Tips To Success In Life , Success Planning , Practice Is The Key To Success


পৃথিবীতে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই প্রতিভা লুকিয়ে আছে! প্রয়ােজন হলাে উদ্যম উৎসাহ ও অভ্যাসের দ্বারা তাকে বের করে আনা! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!

Impossible বলতে কিছুই নেই! তার অর্থ তার মধ্যে লুকিয়ে আছে! এক বিখ্যাত ব্যক্তি তীরন্দাজ খেলা প্রদর্শনে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন! যখন তিনি কলা প্রদর্শন শুরু করতেন তখন তাকে দেখার জন্য অনেক লােকের ভিড় হয়ে যেত! যেমন ক্রিকেটের জগতে সচিনের নাম বিখ্যাত তেমনি তীরন্দাজের খেলাতে উনার নাম ও অনেক বিখ্যাত! একদিন এক গ্রামে তিনি কলা প্রদর্শন করছেন!মুহুর্তে উনার নাম শুনে লােকের ভীড় হয়ে যায়!খেলা শুরু হলাে যখন তিনি প্রথম তীর মারেন তা একদম সঠিক জায়গাতে গিয়ে বিদ্ধ হয়!জড়াে হওয়া লেকেদের মধ্যে সবাই খুশী! সকলে মুগ্ধ হয়ে যাচ্ছিল!যারা যারা সেখানে দাড়িয়ে ছিল তারা সবাই দেখেছিল আর হাত তালি দিয়ে তীরন্দাজকে সম্বর্ধনা দিচ্ছিল। হাততালি উনার কাছে খুব ভাল তাে লেগেছিল কিন্তু সেই ভিড়ের মধ্য থেকে পেছনের এক ব্যক্তি বলে উঠলেন “ Oh It is Just a Mater of practice” তীরন্দাজ তা শুনেছেন কিন্তু তেমন ধ্যান দেয় নি!তিনি কোন প্রতিক্রিয়া করেনি!

দ্বিতীয় তীর নিলেন, ছুড়লেন তা ও তা ও একদম পার্ফেক্ট লেগেছে! আবার উপস্থিত সবাই উনার প্রশংসা করে যাচ্ছে! সবাই হাত তালি দিচ্ছে আর বলছে সেরা! সেরা! বাঃ বাঃবাঃ, দুরে দাড়িয়ে থাকা সেই ব্যক্তি আবার ও বলে উঠলেন “it is Just a Mater of practice” এই উক্তি শুনে তীরন্দাজের ভাল লাগে নি, মনে মনে ভাবছে আরে? সে কেন আমার প্রশংসা করছে না?

তৃতীয়বার ও বাণ চালালেন রেজাল্ট ও পার্ফেক্ট! মানুষ তীরন্দাজকে প্রশংসা তাে করছে হাত তালীও দিচ্ছে কিন্তু দুর থেকে ঐ ব্যক্তি আবারও বলে উঠলাে , “ it is Just a Mater of practice” যখন একই কথা পর পর তিন বার বলেছে তখন আর তীরন্দাজের সহ্য হয় নি! তীরন্দাজ সেই ব্যক্তির কাছে গেল বলল সবাই আমার যখন প্রশংসা করছে, আমাকে উৎসাহ দিচ্ছে আর তুমি কিনা বলছ যে “ it is Just a Mater of practice এমন কেন করছ?

তুমার কি মনে হয় এই গুলি কি শুধু প্রেক্টিসেই হয়ে যায়! তাতে কত টেলেন্ট কত স্কিল প্রয়ােজন পরে তা তুমি জান?তখন সেই ব্যক্তি বলে উঠল স্যার আমার এতটুকু জানা নেই কত টেলেন্ট দরকার কত স্কিল দরকার? কিন্তু আমার মনে হয় তা কেবল প্রেক্টিসের দ্বারাই সম্ভব!

বললেন ঠিক আছে তাহলে তা করে দেখাও? সে বলল না না আমি তা করতে পারব না! তাহলে তুমি কেন বলছ it is Just a Mater of practice” it is Just a Mater of practice” তখন সে বলল ঠিক আছে এক কাজ করুন! সে এক সরু মুখ ওয়ালা খালি বােতল নিয়ে আসল, আর দ্বিতীয় আরেক বড় মুখ ওয়ালা ভর্তি জলের বােতল নিয়ে আসল আর তীরন্দাজকে বলল আপনি এক কাজ করুন এই খালি বােতলের মধ্যে ভর্তি করা জলের বােতল থেকে উপর থেকে জল ঢালুন এমন ভাবে ঢালতে হবে যাতে এক ফোটাও বাইরে না পরে। এই কাজটা করে দেখান!

তীরন্দাজের দেখছেন আর বলছেন না না তা সম্ভবই হবে না! এভাবে করলে জল বাইরে তাে পড়বেই পড়বে! ব্যক্তি বলেন আরে চেষ্টা তাে করুন! তীরন্দাজ বলেন তা সম্ভবই না। ঐ ব্যক্তি বলল ঠিক আছে দেখুন আমি করে দেখাচ্ছি! সে বােতল হাতে নেয় জল ঢালতে থাকে একটি ফোটাও বাইরে পড়ছে না, একদম পাফেক্টলী বােতলের মধ্যে যাচ্ছে! তীরন্দাজ দেখতে লাগলেন উনার কাছে স্বপ্ন মনে হল! তীরন্দাজ বলল তুমি কিভাবে করলে ? সে বলে দেখুন স্যার আমি দীর্ঘ ১৫ বৎসর এক জায়গাতে চাকরী করেছি, সেখানে আমার কাজই ছিল যে বড় বড় ডিবি বা পাত্র থেকে ছােট ছােট বােতলে তৈল ঢালা! এই ভাবে আমার একটি বােতল থেকে অন্য বােতলে তৈল দিতে হত, তখন তীরন্দাজ বলছে হ্যা “ it is Just a Matter of practice” বন্ধুগন এখন বুঝতে পারছেন তাে কোন ব্যক্তি এক দিনেই এক্সিলেন্ট হয় না। পয়েন্ট হলাে স্কিল বা টেলেন্ট কারুর মধ্যে নিজে নিজেই চলে আসে যখন সে কোন বিষয়ে প্রেক্টিস করে এক সময় সে এক্সপার্ট হয়ে যায়!

কোন ব্যক্তি একজন ভাল ড্রাইভার জন্ম থেকেই হয় না! একজন ট্রেইনার বা স্পিকার জন্ম থেকেই কেউ হয় না! যদি কেউ বার বার প্রেক্টিস করে তাহলে অবশ্যই সে একদিন এক্সপার্ট হয়ে যায়! একজন ফুটবলার বা ক্রিকেটার বিখ্যাত তখনই হয় যখন সে ছােট বেলা থেকে লাগাতর প্রেক্টিস করে!

আপনার কি মনে হয় যারা আজ সাকসেস হয়েছে তাদের কি ভাগ্য ভাল ছিল যে তাই তারা লক্ষ্যে পৌছাতে পেরেছেন! না বন্ধুগন আপনি যা ভাবচ্ছেন সম্পূর্ন ভুল, ভাগ্যের উপর দোষ দিয়ে আপনার লক্ষ্যকে অপূর্ন রাখবেন না, কোন ব্যক্তিই একদিনে এক্সিলেন্ট হয় না, আর তা আমার কথা নয়! আমাদের ভারতবর্ষের মিসাইলম্যান, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে আব্দুল কালামের কথা, তা হলে ভয় পাচ্ছেন কেন? আবার অ্যাকশান শুরু করুন!সাকসেস আসবেই! আজ এপর্যন্তই আবার দেখা হবে!

ধন্যবাদ!


Only 3 Tips Of Success


জীবনে সফলতা কে না চায় বলুনতাে? সবাই কি উত্তর দিবেন? উত্তর হলাে আমরা সকলেই চাই! সকলেই চাই! তাইনা? বিশেষজ্ঞের মতে সফলতা পেতে হলে বিশেষ দুটি জিনিস বিশেষ প্রযােজন তা হলাে জোস আর হুশ- তাহলেই সফলতা পাওয়া যাবে তা একেবারে ১০০% গ্যারান্টি! আজকের প্রােগ্রামে এই বিষয় নিয়েই আপনাদের শাথে শেয়ার করব!

আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি এত দিন পর্যন্ত আপনারা যে প্রােগ্রাম দেখে আসছেন তার থেকে এই প্রােগ্রামটি সম্পূর্ন আলাদা,এই প্রােগ্রাম থেকে আপনারা সফলতার ৩টি নতুন সিক্রেট বিষয় জানতে পারবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না! শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন!

বন্ধুগন জীবনে আপনারা সবাই পরিশ্রমতাে করেন কিন্তু আমি জানতে চাইছি আপনারা পরিশ্রম কেন করেন? বলুন তাে তার সহজ উত্তর? আমি যখনই মানুষকে জিজ্ঞাসা করি তখন কেউ বলে পয়সা কামানাের জন্য! কেউ বলে জীবনে আরও উপরে উঠার জন্য! সকলের উত্তর গড় করে দেখা গেছে যে তিনটি বিষয় সকলেরই কমন তা হলাে

১)আমরা সফল হওয়ার জন্য পরিশ্রম করি

২) সুখী হওয়ার জন্য পরিশ্রম করি

৩) আর মনের শান্তির জন্য পরিশ্রম করি! আপনারা ও তাে তাই চাইছেন? তাইনা?

যদি আমরা এই তিনটি জিনিস পেয়ে যাই তাহলে আমার মনে হয় চার নাম্বার এমন কোন বিষয় নেই যার জন্য আমাদের পরিশ্রম করতে হবে!কিন্তু প্রশ্ন আসে জীবনে শুধু পরিশ্রম করেই কি এই গুলি এচিভ করা যায়? এই দুনিয়াতে ৭.৫ কোটির উপরে লােক আছে যারা ৩টি বিসয় এচিভ করার জন্য পরিশ্রম তাে করে কিন্তু এচিভ করতে পারে না! কিন্তু কেন?কারন এগুলাে পাওয়ার জন্য আমরা সবাই হার্ড ওয়ার্ক করছি কিন্তু হার্ড ওয়ার্কের সাথে সাথে আমাদের স্মার্ট ওয়ার্ক করা ও প্রয়ােজন!

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগবে স্মার্ট ওয়ার্কের মানে কি? যারা স্মার্ট ভাবে কাজ করেন তাকেই কি স্মার্ট ওয়ার্ক বলে? না! স্মার্টওয়ার্কের সাধারন মানে হলে সঠিক মেথড়ে কাজ করা, সঠিক সিস্টেমে কাজ করা!সঠীক লক্ষ্যে কাজ করা!বন্ধুগন আমি আগেই বলেছি যে জ্যোস আর হােস দুটিকে ব্যালেন্সে রেখেই এগিয়ে যেতে হবে! তাই আজকের প্রােগ্রামটি খুব গুরুত্ব পূর্ন! তাছাড়া প্রায় সময় দেখা যায় মানুষ মােটিভেশনাল প্রােগ্রাম তাে দেখে মােটিভেট ও হয়, জ্যোস ও তৈরি করে কিন্তু দেখা যায় ২ ঘন্টা পরেই তা চুপসে যাওয়া বেলুনের হাওয়া বেড়িয়ে যাওয়ার মতাে হয়ে যায়! তা কেন হয়? তাই আজকের প্রােগ্রামে মাটিভেশানের সাথে সাথে সাকসেসের কিছু সিস্টেম বা টেকনিকের বিষয়ে ও আলােচনা করতে চাই! আজ এমন কিছু নলেজ ও সিক্রেট বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবাে যা আপনাদেরকে আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করবে! ৩টি সিক্রেট বিষয় হলাে

১) লম্বা চিন্তা করা

২) সফলতার জন্য স্বপ্ন দেখা!

৩) সময়ের মূল্য দেওয়া!

লম্বা চিন্তা করার অর্থ হলাে:- এই দুনিয়ার যত লােক আছে তাদের জীবন প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু আলােচনা করলেই আজকের বিষয় বস্তু স্পষ্ট হয়ে যাবে! তাদেরকে সাধারনত ৫ ভাগে ভাগ করা যায়!

১)অনেক গরীব

২)গরীব

৩)মিডেল ক্লাস

৪) ধনী

৫) অনেক ধনী যাকে আমরা মিলিনিয়ার বা বিলিনিয়ার বলে জানি!

যে অনেক গরীব তার জীবন কেমন হতে পারে? যেমন রাস্তার ভিখারি! সে সকালে ঘুম থেকে উঠে সে কতটা লম্বা চিন্তা করতে পারে? হয়তাে আজ বিকাল পর্যন্ত। তাইনা? আজ সারা দিনে যদি ১০ টাকা বা ২০ টাকা পেয়ে যাই তাহলে আমার খাবারের সমস্যা হবে না! আমি খুশি বা সুখী!

গরীবের ক্যাটাগরীতে কারা আসে? শ্রমিক! তারা কতটা চিন্তা করতে পারে? এক দিন, দুই দিন বা এক সাপ্তাহ! সাধারন ভাবে যদি শ্রমীকদের দেখি তাহলে দেখা যায় তাদেরকে একদিন বা দুই দিন বা এক সাপ্তাহের হিসাবে বেতন দেওয়া হয়!

আর যারা মিডেল ক্লাস তারা কতটা সময়ের প্রেনিং করতে পারে? বড় জোড় এক মাস! তারা একমাসের প্লেনিং নিয়ে চলে, তাদের ইচ্ছা, চাহিদা এবং কিছু করে দেখানাে তা কেবল একমাসের মধ্যেই সিমাবদ্ধ ! আর দেখা গেছে তাদের মধ্যে বেশির ভাগ ব্যক্তি সেলারী এমপ্লই! এক মাস কাজ করবে আর মাসের শেষে মাইনে পাবে, যা দিয়ে নেক্সট মাসের ইচ্ছা পূর্ন করবে!

কিন্তু যারা ধনী ব্যক্তি তারা কতটা সময়ের প্লেনিং করে বলতে পারে? আপনার কি মনে হয় ১ মাসের জন্যই প্লেন করবে? কোটিপতি বিজনেসম্যানকে যদি দেখেন তারা সাধারনত এক বৎসর বা ২ বৎসর প্লেনিং করে চলে। আর তাদের কাজ কেমন হয় জানেন? তারা অন্য কোন বিজনেস ম্যান ব্যক্তির সঙ্গে যে কোন প্লেন ১ বা. ২বৎসরের জন্য করে, টার্গেট থাকে ২ বৎসরের মধ্যে এই প্লেনকে শেষ করবেই!

আর যারা মিলিনিয়ার বা বিলিনিয়ার তাদের চিন্তা ভাবনাতাে ৫ বা ১০ বৎসরের প্লেনের কম হবেই না! তারা হলেন আম্বানী, টাটা, বিড়লা মিত্তাল ইত্যাদি! তাদের যে কোন প্রজেক্ট ৫ বৎসরের নিচে কোন সময় দেখেছেন? কখনােই না! আর যখন এই সব লােক প্রজেক্ট শুরু করেন তখন আমাদের মনে হয় আরে এই প্রজেক্ট কখন শেষ করবে? আমরা অবাক হয়ে যাই! সঠীক সময়ে তারা প্রজেক্ট শেষ ও করে ফেলে! বন্ধুগন শুধু এতটুকুই পার্থক্য অর্থাৎ তারা অনেক বেশী লম্বা চিন্তা করতে পারে। যা অন্যরা পারেনা! এই জন্যই তারা বেশি কামাই করতে পারে! সাকসেস হতে পারে!

আমরা যদি এতটা লম্বা চিন্তা করতে পারি তাহলে আমরা ও এতটা কামাই করতে পারব!

কিন্তু সমস্যা কোথায় জানেন? গােল সেট করে নিলাম, কাজ শুরু করলাম! আর এক সপ্তাহের মধ্যেই রেজাল্ট না পেলে, সবকিছুতে ব্রেকাপ হয়ে যায়! বন্ধুগন আপনাদের লং টাইম চিন্তা করতে হবে। আপনি ১মাস ৬মাস ১ বৎসরের জন্য গােল সেট করেছেন তার কোন মানে নেই! আপনি এখন থেকেই ১০ বৎসরের গােল সেট করুন! সুতরাং প্রমানে দেখা গেল যে যত লম্বা চিন্তা করতে পারে লম্বা প্লেনিং করতে পারে সে তত বেশি কামাই করতে পারে, বন্ধুগন এটাই হল প্রথম সিক্রেট !

এখন দ্বিতীয় সিক্রেটটি কি জানেন? স্বপ্ন দেখলেই স্বপ্ন পূরন হয়:- চলুন তা শুরু করি !

যিনি প্রথমবার এরােপ্লেন তৈরি করেছেন তিনি কোন না কোন সময় মনে চিন্তাতাে করেছেন যে আমি এমন জিনিস তৈরি করব যা পাখির মতাে আকাশে উড়বে! পরবর্তি সময় তারা এরােপ্লেন তৈরি করেছেন, যদি অন্তর জগতে ঐসব জিনিষ চিন্তা না করতে পারতাে তাহলে বাইরের দুনিয়াতে তা সম্ভব হত? যা আপনি মনে চিন্তা করতে পারবেন তা বাইরের দুনিয়াতে ও তৈরী করা সম্ভব!

এই বিষয়ে ভারতের ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের কথা আমার মনে পরছে! মিডিয়ার লােকেরা অনেকবার জিজ্ঞাসা করেছেন, আপনি যখন খেলতে যান তখন দেখা যায় যেকোন বলেই আপনি রান করতে পারেন যা অন্য প্লেয়ারের পক্ষে সম্ভব হয় না, তা কিভাবে সম্ভব? তখন উনি জবাব দিয়েছেন, আমি প্রত্যেকবার ম্যাচের আগের দিন চোখ বন্ধ করে বসি, আর মনে কল্পনা করতে থাকি! ক্রিকেট ম্যাচ খেলছি, আর আমি সেঞ্চুরী করছি, আমি ভিজুলাইজ করতে থাকি, ইমাজিন করি আর পরে যখন

আমি খেলতে যাই, ঠিক সেই ভাবেই খেলি যা আমি কল্পনা করেছিলাম! এমনকি ধীরুভাই আম্বানীও বলেছেন স্বপ্ন দেখুন তাহলেই আপনি স্বপ্ন পুরন করতে পারবেন! তাছাড়া এমন এক ব্যক্তির উদাহরন দিচ্ছি যাকে ছােট সময়ে স্কুল থেকে বেড় করে দিয়েছিল। তিনি নিউজ পেপার বিক্রি করে জীবন চালাতেন, মাসের শেষে মাত্র ৩০ ডলার কামাই করতে পারতেন!

কিন্তু সে কামাই করতেন মাসে ৩০ ডলার আর তিনি স্বপ্ন দেখতেন হলিউডের সুপার স্টারের হওয়ার! সেই ব্যক্তির কার্টুন বানাের খুব সখ ছিল! সে কার্টুন নিয়ে যখন প্রথম হলিউড পৌছায় রাতারাতি সেই কার্টুনিষ্ট সবাইর পরিচিতি পায়। তার কাটুন হল মিকি মাউস আর ডুনালড়ক! সেই সুপার স্টার হলেন ওয়ালট ডেজনি, আজকে উনার কাছে ৩০ ডলার না তিনি ৩০বিলিয়ন ডলারের মালিক অর্থাৎ ৩০০০ কোটির মালিক! তাই বন্ধুগন নিজে যা হতে চান তার স্বপ্ন দেখতে শুরু করুন!

এখন আসুন তৃতীয় পয়েন্টে:-সময়ের মূল্য- ৮৬,৪০০ সংখ্যাটি আমাদের জীবনে কতটা ইম্পর্টেন্ট জানেন? আপনারা আন্দাজ করতে পারছেন? বিষয়টা কি? অর্থাৎ এতটা সেকেন্ড প্রত্যেকদিন সকালে ঘুম থেকে উঠতেই ভগবান আমাদের একাউন্টে তা ডিপােজিত করে দেন! সত্যিই তাই! প্রশ্ন হলাে তাকে কিভাবে খরচ করতে হবে? তা কি আমরা জানি? তা সম্পূর্ন আমাদের উপর নির্ভর করে! ২৪ ঘন্টা মানে ৮৬,৪০০ সেকেন্ড সব মনুষকে দেওয়া হয়, কিন্তু তা ব্যবহার করে কোন ব্যক্তি একেবারে ধনী হয়ে যায়! আর কেউ হয়তাে গরীবই থেকে যায়। এমন কেন হয়?

কারন তার রেজাল্ট ৮৬,৪০০ সেকেন্ডেকে কে কি ভাবে ব্যবহার করছেন তার উপর নির্ভর! প্রাইমিনিস্টারই হউক বা বড় কোন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টই হউক, আমি, আপনি বা রাস্তাতে চলতে থাকা ভিখারীই হউক! প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৮৬,৪০০ সেকেন্ড দেওয়া হয়েছে! আসলে তার ব্যবহার প্রত্যেকে আলাদা আলাদা ভাবে করে থাকে! এখানেই প্রবলেম!

আসুন প্রথমে তাকে বুঝার চেষ্টা করি, কল্পনা করুন আপনার হাতে কিছু টাকা আছে এর মধ্যে বেশির ভাগ নােট ১০ ও ২০ টাকার, এর মধ্যে কয়েকটি ৫০০ টাকার। মনে করুন হঠাৎ বাতাস আসলাে আর তখন আপনার হাত থেকে সব নােট উড়ে গেছে, তখন আপনি কোন নােটটি গুলােকে প্রথমে ধরতে যাবেন? নিশ্চয়ই প্রথমে ৫০০ টাকার নােট ধরতে যাবেন, কারন ১০টাকার নােট আর ৫০০টাকার নােট উঠানাের সময় এবং পরিশ্রমতাে একই হবে, কিন্তু তার পরও আমরা খােজতে থাকি সেই ১০/২০ টাকার নােটকে! দৌড়াতে থাকি সেই ১০/২০ টাকার নােটের পেছনে!

আচ্ছা আপনি কি করবেন? আমাদের হাতে ও ৮৬,৪০০ সেকেন্ড আছে! তবে যে কাজ বেশি আউটপুট দেবে যে কাজ বেশি রেজাল্ট দেবে সেই কাজের পেছনে কি আপনি দৌড়াচ্ছেন?

আপনি যদি ব্যবসায়ী হউন তহলে আপনার প্রথমে ধ্যান দিতে হবে সেই প্রােডক্টের উপর যা আপনার ব্যবসাকে কম্পিডিশানে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সর্বদা সেই বিষয়েই লক্ষ্য রাখতে হবে যে আমাদের হাতে থাকা ৮৬,৪০০ সেকেন্ড যে এক এক করে শেষ হয়ে যাচ্ছে তা যেন আমাদেরকে ভাল আউটপুট দিতে পারে।


Health Management system


 সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন! বর্তমান সময়ে আমরা সবাই স্বাস্থ্য সম্পর্কে যেমন উদাসিন তেমনি স্বাস্থ্য নিয়ে অতি দুঃখের মধ্যে আমরা জীবন কাটাচ্ছি! সকলের কথা চিন্তা করে আধ্যাত্নিক ভাবে স্বাস্থ্য সমাধানের এক ভিডিও নিয়ে এসেছি আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!

আমরা সবাই জীবনে ঈশ্বরের কাছে কিছু দাবী করি আর না করি কিন্তু একটি বিষয় অবশ্যই দাবী করি, আর তা হল সুস্বাস্থ্য! স্বাস্থ্যবান থাকতে কে না চায়? বলুনতাে? জীবনে সবাই চায়!জীবনে অতি আবশ্যক ও ভ্যালুয়েবল বিষয়ের মধ্যে যদি আমরা বিচার করি তাহলে দেখা যায় আমরা ৩টি বিষয়কেই প্রাধান্য দেই।

এ গুলাে হল ১)স্বাস্থ্য ২) সম্পত্তি ৩) খুশি! কোন ব্যক্তি যদি স্বাস্থ্যবান হয়, তাহলে জীবনে সম্পদ বা খুশির অভাব হতে পারে না। আর যদি স্বাস্থ্যবান না হয় তাহলে ধন সম্পদ বা শান্তি কোন কিছুই সম্ভব হবে না!আজকের প্রােগ্রামের মূখ্য বিষয় হল আমরা কিভাবে স্বাস্থ্যকে ভাল ও সুন্দর রাখতে পারি। আমাদের স্বাস্থ্যকে ভাল রাখা আমাদের জন্মগত অধিকার যা স্বয়ং ভগবান থেকে আমরা পেয়েছি, কিন্তু আধুনিকতার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে আমরা স্বাস্থ্যকে একেবারে গুরুত্বহীন করে ফেলেছি!

বর্তমানে মানুষের মনে এক এক বিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে যে এই কম্পিটিশানের যুগে যে যত বেশি আরামে থাকবে,যে এসি রুমে থাকবে এমন কি যে যত বেশি ফেট চর্বি খাবার খেতে পারবে সেই সকলের কাছে দামী পার্সন হবে!কিন্তু পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভােগতে হয়! বন্ধুগন যদি স্বাস্থ্যকে সর্বদা কন্ট্রোল করে চলতে পারি তাহলে ভগবানের দেওয়া ১০০ বৎসরের আয়ুকে সম্পূর্ন ভাবে উপভােগ করতে পারি! তবে তা সম্ভব হবে কেবল মাত্র স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলের মাধ্যমে! এটাই একমাত্র সহজ মাধ্যম কারন জীবন শৈলী আজ একদম বিনষ্ট হয়ে গেছে! আমাদের খাওয়া দাওয়ার সিস্টেম একদম বিনষ্ট হয়ে গেছে, যার কারনে আমরা এই বিভিন্ন রােগের স্বিকার হচ্ছি। আজকাল তাে টিবি দেখতে দেখতে খাবার খাওয়া এক ফ্যাশানে পরিনত হয়ে গেছে!টিবি দেখতে দেখতে কতটা খেয়ে ফেলেছেন তার কোন হিসাবই থাকে না! শুধু তাই না শুয়ে থেকে ও খাবার খাবেন, এই কারনে মানুষ মােটাপার স্বিকার হচ্ছে! আর ও বিভিন্ন রােগের স্বিকার হচ্ছেন।বন্ধুগন স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল বা আধ্যাত্মিক জীবন শৈলি এক মাত্র উপায় যা আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্ত করতে পারে! তাই আমরা স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল প্রােগ্রামটি নিয়ে এসেছি, তাহলে চলুন শুরু করি!আমাদের মধ্যে অনেক প্রকারের গুন রয়েছে! তবে শক্তি ও অভিজ্ঞতা থাকলেও আমরা কিন্তু স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলের কলা।

সম্পর্কে আমাদের কোন অভিজ্ঞতা নেই! আপনার সব ধরনের গুন থাকা সত্বেও আপনার যদি স্পিরিচুয়াল গুন না থাকে তাহলে জীবন নিরস মনে হবে!কিন্তু প্রশ্ন হল স্পিরিচুয়াল বা আধ্যাত্মিক জীবন শৈলী বলতে কি বুঝায়, আসলে স্পিরিচুয়ালিটিকে প্রাধান্য দিয়ে চাল চলন, আচার ব্যবহার, খাবার দাবার, ইত্যাদি যাবতীয় কাজ কর্ম প্রতিদিন নিয়মিত করাকেই স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল বলা হয়!তবে স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইলকে ফলাে করে যদি নিজেকে সুস্থ রাখতে চান তাহলে-

প্রথম যে বিষয়টি ফলাে করতে হবে আর তা হল শিঘ্রই বিছানাতে যাওয়া আর শিঘ্রই বিছানা থেকে উঠা! কথায় আছে আরলি গাে টু বেড এন্ড আরলি রাইজ ফ্রম বেড! কিন্তু আজ কাল তারা তারি বিছানাতে যাওয়া বা তারা তারি বিছানা থেকে উঠা এগুলাে আমাদের জীবন থেকে চলে গেছে কিন্তু আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতিতে এমন ছিল না! আজকে যাদের বয়স ৪০ বা ৫০ এর উর্ধে যারা আজ এই প্রােগ্রামটি দেখছেন আপনারা নিজেরাই সাক্ষি আছেন আপনারা যখন যুবক ছিলেন তখন সূর্যদয়ের পরে কোন ব্যক্তি ঘুমাতেই পারতেন না! কিন্তু আজকাল সবাই খায় দেরিতে এমন কি ঘুমায় ও দেরিতে আবার উঠেও দেরিতে! তাহলে কিভাবে জীবনে সুস্থ্য থাকবেন? ডায়াবেটিস বা অন্যান্য রােগের স্বিকার তাে আপনাকে হতেই হবে!

বৈজ্ঞানিক ভাবেও প্রমান হয়ে গেছে বেশি ঘুমানাে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি কারক, আবার দেরিতে যদি খাওয়া হয় আর দেরিতে যদি ঘুমানাে হয় তাহলে আপনার খাবার হজম ঠিক ভাবে হবে না এতে শরীর ও এনার্জি পাবে না!আর যদি দেরিতে। উঠেন তা হলে হার্ট অ্যাটাক্ট ও ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিজ ইত্যাদির সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমনকি ভগবদগীতাতেও ভগবান বলেছেন হে অর্জুন অতি নিদ্রা, অনিদ্রা যােগীর লক্ষন নয়! বেশী ঘুমিয়ে বা একদম কম ঘুমিয়ে বা বেশি খেয়ে বা উপাস থেকে ব্যক্তি কখনােই সুস্থ থাকতে পারেনা!

এছাড়া পজেটিভ চিন্তা বা মেডিটেশানের মাধ্যমেও আপনি নিজেকে সুস্থ্য রাখতে পারেন! অর্থাৎ আপনি যাই কিছু চিন্তা করবেন সব কিছুই পজেটিভলি করতে হবে, অথাৎ ভগবান যাই কিছু করছেন আমার ভালর জন্যই করছেন! ভগবান আমাদের শাস্তি দেননা আমাদের ভালবেসে শিক্ষা দেন যাতে আমরা বড় ধরনের কোন ভুল না করি! এই পজেটিভ চিন্তা তখনই সম্ভব হবে যখন আপনি মেডিটেশানের মাধ্যমে ঈশ্বরের সাথে যুক্ত হতে পারবেন, হয়তাে মেডিটেশানের নাম শুনলেই অনেকে হয়তাে ঘাবরে যাবেন! ঘাবরাতে হবে না, মেডিটেশান অনেক ধরনের হতে পারে! এর মধ্যে রাজযােগ মেডিটেশানই হল একদম সহজ মেডিটেশান, যার জন্য বিশেষ কোন নিয়ম প্রয়ােজন হয় না। যেখানে কম্ফোর্ট ফিল করবেন সেখানেই বসে ঈশ্বরের সাথে আপনি কানেক্ট হতে পারেন আর সেই কানেক্টিং প্রসেসকেই বলা হয় মেডিটেশান!যা আপনার ভিতরে অনুভুতিকে জাগ্রত করবে এবং স্ব-অনুভুতিকে উজ্জিবিত করবে, যার ফলে আপনি রিয়েলাইজ করতে পারবেন বাস্তবে আপনি কে? অনেকের হয়তাে বিষয়টিকে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে, আসলে আমরা নিজেকে যা দেখছি বা যা ভাবচ্ছি তা আমরা নই,তা ছাড়া ও আমাদের অন্য একটি রুপ আছে পরিচয় আছে যাকে আমরা দেখতে। পাইনা! হয়তাে এই সংসারের মায়া জালে আমরা নিজেকেই ভুলে গেছি, আমি আর আমার এই ধাধার উত্তর আমাদের কাউরই জানা নেই! একটা সময়ের জন্য এসেছি সময় শেষ হলেই আবার চলে যাব, কিন্তু আজ যেই দেহটিকে আপনি আইনাতে দেখছেন আর এই আজকের দিনে যে জলন্ত সমস্যা গুলির সাথে আমাদের যুদ্ধ করতে হচ্ছে তার মধ্যে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ যা আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন রােগের স্বিকার করে তুলছে!মানসিক চাপ is the no 1 proxy killer today এই কথাটি বাস্তব সত্য!

আজকে দুনিয়াতে যত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে,মেক্সিমাম মানুষের মৃত্যু হার্ট অ্যাটাক্ট এর কারনে হচ্ছে, কিন্তু হার্ট অ্যাটাক্ট কেন হচ্ছে? যদি আপনি তার গভীরে যান আপনি বুঝতে পারবেন টেনশানই তার জন্য একমাত্র দায়ী!টেনশান পর্দার পেছনে থেকেই কাজ করে, কিন্তু মানুষ বুঝতে পারেনা, এই জন্য বলা টেনশানকে এক প্রক্সিকিলার বলা হয়! স্ট্রেস এক ড্রেইন হিসাবে কাজ করে আমাদের মানসিক এনার্জিকে লস করে দেয়! বাস্তবে যদি আমরা সবাই আনন্দে থাকি খুশিতে থাকি, শরীর অটোমেটিকেলী সুস্থ হয়ে যাবে। এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে মেডিটেশানই একমাত্র উপায়, মেডিটেশানের দ্বারাই আপনি মানসিক টেনশান বা | স্ট্রেসকে দুর করতে পারবেন।

তাছাড়া আরও একটি গুরুত্ব পূর্ন বিষয় হল ‘অন্ন’ যা আমাদের মানসিক অবস্থাকে কন্ট্রোল করে। মানব শরীর এক গাড়ির মতাে! যেমন গাড়ির মধ্যে তৈল ঢুকানাে হয়, পেট্রোল গাড়ির মধ্যে পেট্রোল ঢালা হয়, ডিজেল গাড়ির মধ্যে। ডিজেল ঢালা হয়, ঠিক একইভাবে গাড়ি রুপী আমাদের শরীরকে চালানাের জন্য আমরা খাবার খেয়ে থাকি,তবে পেট্রোলের গাড়িতে

যদি কেরসিন ঢালি তাহলে গাড়ি যেমন ববাদ হয়ে যাবে!ঠিক তেমনি আমাদের দেহে ও আজ সাত্নিক ভােজনের পরিবর্তে আজ ফাস্ট ফুড, কোলড্রিংস,পান মশলা, সিগারেট, অ্যালকোহল ইত্যাদি খেয়ে আজ কাল দুনিয়াতে কেন্সার হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাক্ট হচ্ছে।

তাছাড়া এই প্রকার ডায়েট গুলি ফুল অব হাই কেলরীজ, যদি কোন ব্যক্তি মােটা হয়ে যাচ্ছেন তাহলে ক্যালরী কম করার প্রয়ােজন! পুড়ি পেড়া পােকড়া পিজা পােকোয়ান পরােটা, এই সব খাবারে অনেক কেলরী থাকে, এই গুলিকে এবয়ে করা উচিত ,

সুতরাং জীবনকে সুন্দর আনন্দময় ও সুস্থ রাখার জন্য সাত্যিক ভােজনের উপর গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক বন্ধুগন এই প্রােগ্রামটি যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই লাইক করবেন আর কমেন্টে জানাবেন, আর স্পিরিচুয়াল লাইফ স্টাইল প্রােগ্রামকে ১০০% বুঝতে হলে এই চেনেলের সাথে যুক্ত থাকুন

ধন্যবাদ।

How to Increase Memory Power

 



সবাইকে অনেক ধন্যবাদ! বন্ধুগন যে কোন বয়সে মেমরী পাওয়ার বৃদ্ধি করা যায় এবং তা প্রয়ােজন!হয়তাে অনেকেই বার বার ভুলে যাওয়ার অনেক হয়রানীতে আছেন! এই বিষয়ে আমি খুব। সুন্দর ভিডিও নিয়ে এসেছি। আশাকরি সকলে উপকৃত হবেন! অনুরােধ রাখছি ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না!শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন!

বন্ধুগন ভগবান যখন আমাদেরকে শক্তি দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তখন শক্তির এক ফর্মুলা দিয়েছেন! সেই ফর্মূলা হলাে ইউজ ইট অর লুজ ইট।তার মানে যদি তাকে ব্যবহার কর তাহলে তা বৃদ্ধি পাবে, নয়তাে শক্তি হারিয়ে ফেলবে!

উদাহরন:-যেমন আমার ডান হাতকে যদি এই ভাবে (ঝুলন্ত অবস্থায়/প্লাস্টার অবস্থায়) যদি এক মাস রেখে দেওয়া হয় এবং এই হাতটিকে যদি এক মাস পরে খুলা | হয় তাহলে আপনার কি মনে হয়? এই হাতটিকে দিয়ে কি আগের মতাে কাজ করতে পারব? উত্তর আমি তার ব্যবহার আগের মত করতে পারব না, কারন যদি আমার হাতকে এক মাস পর্যন্ত একই পজিশানে রাখা হয়তাহলে তার মধ্যেএক রিজিডিটি এসে পড়বে অর্থাৎ অকর্মন্যের কারনে তা আগের মতাে আর কাজ করতে পারবে না, তার ব্যবহারের আগে আমাকে কোন এক ফিজিউ থ্যারাপীষ্টের কাছে যেতে। হবে! যিনি আমার এই হাতকে ধীরে ধীরে মােভমেন্ট করাবেন।আর তখনই আমি তার ব্যবহার করতে পারব,সুতরাং এই বিষয়টিই আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের যে শক্তি গুলি আছেসেই গুলিকে যদি এই ভাবে না ব্যবহার করি তাহলে সেই শক্তিকে ইউজলেস হয়ে যাবে। এমনকি মানুষ বলে থাকে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেমরির পাওয়ারও কমতে থাকে, বার বার ভুলে যাই!কিন্তু আমি মনে করি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মেমরী পাওয়ার কমে না,আমরা ইচ্ছা করে সেই মেমরী কে ইউজ করি না,হতে পারে প্রয়ােজন পরে না! তাই পাওয়ার কমে যায়!কারন স্কুল বা কলেজ জীবনে এমন অনেকবার মেমরি পাওয়ার ব্যবহার করে থাকি,কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে যাই,তখন আমরা তার ব্যবহার তেমন করি না, আর যখন ৪০ বা ৫০ বৎসর হয়ে যায় তখন তাে আর তার ব্যবহারের প্রশ্নই উঠে না!সঙ্গে সঙ্গে এই বিষয়টি ও জানা প্রয়ােজন যে সমস্ত মডান টেকনােলজি যেমন মােবাইল,কম্পিউটার বা লেপটপের যুগে বেশির ভাগ বিষয়ই(মেমােরী) আমরা মােবাইল বা লেপটপের মধ্যেই সেইভ করি!আর এর ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মেমরীর ক্ষমতাও কমতে থাকে, সেই জন্যই আমাদের তা জানা প্রয়ােজন যে যখন আমরা মেমরি ব্যবহার না করি তখন সেই মেমরির পাওয়ার দিন দিন শেষ হয়ে যায়! ঠিক সেই ভাবেই ঈশ্বর আমাদের যত মাইন্ড পাওয়ার দিয়েছেন বিশেষ করে ৯০% মাইন্ড পাওয়ার মানে সাব কনসিয়াস মাইন্ডের যে শক্তি তার ব্যবহার ও আমরা সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারছি না! এর ফলে সেই শক্তিকে আমরা সম্পূর্ন ভাবে ব্যবহার করতে পারছি না ,কিন্তু সেই শক্তিকে ও আবার ফিরিয়ে আনতে পারবেন,মাইন্ড পাওয়ারকে ডেভেলপ করা যেতে পারে। শরীরের শক্তিকে ডেভেলপ করার জন্য দুইটি বিষয় এক হল ভাল নিউট্রিশিয়ান ফুড,আর দ্বিতীয়টি হল এক্সারসাইজ প্রয়ােজন ,ঠিক একই ভাবে যদি আমাদের মাইন্ডের শক্তিকেও ডেভেলপ করার প্রয়ােজন তাহলে তার জন্য ভাল নিউট্রিশিয়ান, ভাল এক্সারসাইজ দুইয়ের এতটাই প্রয়ােজন, তবে শরীরের জন্য তাে নিউট্রিশিয়ান ফুড বা এক্সার সাইজ আমরা জানি, কিন্তু প্রশ্ন এখানে মাইন্ডের জন্য নিউট্রিশিয়ান বা ভাল এক্সার সাইজ কি হবে?

আসুন সেই বিষয়ে আমরা আলােচনা করছি।নিউট্রিশিয়ান ও আমাদের মনের জন্য প্রয়ােজন আর তা হল পজেটিভ থিংকিং, পজেটিভ স্পিকিং এবং পজেটিভ রিডিং মানে ভাল চিন্তা করা,ভাল পড়া,ভাল বলা,আমাদের তা জানা প্রয়ােজন!আমরা যতই পজেটিভ চিন্তা করতে পারব ততই আমাদের মনের দরজা খােলা থাকবে,সাথে সাথে আমরা যতই পজেটিভ বলতে পারব ততই আমাদের মাইন্ড পজেটিভ কাজ করতে পারবে, আর সবচেয়ে বড় কথা পজেটিভ রিডিং যার মাধ্যমে আমাদের যে বন্ধ দরজা তা খুলা শুরু করবে। যে কোন মােটিভেশনাল বই বা ইন্সপায়ারিং বই পড়ার সাথে সাথে আমি বলব এক্সার সাইজ করা,যখন এক্সার সাইজের বিষয় আসে তখন যেই ভাবে আমরা। জিমে গিয়ে আমাদের শরীরকে সুস্থ্য রাখার জন্য এক্সারসাইজ করি ঠিক সেই ভাবে মাইন্ডেরও জিমের মানে এক্সারসাইজ করানাে প্রয়ােজন!তা বলার কারন মাইন্ডেরও এক জিমের ব্যবস্থা আছে যাকে আপনি বলতে পারেন ,রিলেকজেশান, মেডিটেশান এবং ভিজুলাইজেশান আর তাই হল নিউট্রিশিয়ান অফ দ্যা মাইন্ড এন্ড এক্সারসাইজ অফ দ্যা মাইন্ড।বন্ধুগন এখন এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় আমাদের মেমরীর শক্তি ১০০% সেভ আছে কিন্তু তাকে যদি ইউজ না করি তাহলে তাে তা ইউজ লেস হবেই, আর যদি তাকে পূনরাই ইউজ করতে শুরু করেন তাহলে তার লাভ নিতে পারবেন,তাহলে দেখুন কি করবেন? মেমরীকে ডাস্টবীনে ফেলে দেবেন না কি তাকে ইউজ করবেন? বয়স ফেক্টার না ফেক্টার ব্যবহারের উপর! বন্ধুগন মেমরীর পাওয়ারকে কি ভাবে আরও সতেজ ও শক্তিশালী করা যায় তার টিপস পাওয়ার জন্য এই চেনেলের সাথে যুক্ত থাকুন,

ধন্যবাদ!



rajyogpathshala

 www.rajyogpathshala.com