Sunday, July 24, 2022

How to use Law of Attraction

 


এই মুহুর্তে আপনি যদি ভাবেন আপনার হাতে এক কোটি টাকা থাকত আর ধরুন সেই মুহুর্তেই আপনার হাতে এক কোটি টাকা এসে গেল! যদি ভাবেন আপনার একটি লাকজারি গাড়ি থাকত আর সঙ্গে সঙ্গে আপনার একটি লাকজারি গাড়ি এসে | গেল! যদি আপনি আশা করেন বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হওয়ার! আর যদি টপ টেনের মধ্যে আপনার নাম আসে বলুন তাে আপনার কেমন ফিলিং হবে? আর আমি জানি এই মুহুর্তে আপনার কাছে এই কথা গুলি সম্পূর্ন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে! ঠিকই তাে অবিশ্বাস্য হওয়ারই তাে কথা! তাই না?

কিন্তু বন্ধুগন আজ আপনাদের সামনে একদম প্রমান সহ দেখিয়ে দেব যেএটা ও বাস্তব হতে পারে! হয়ত আপনি প্রশ্ন করবেন তাহলে তাে প্রত্যেক ব্যক্তিই কোটিপতি হতে পারত! প্রত্যেকেই দামী দামী গাড়ি চালাত! আমি বলছি হ্যা অবশ্যই পারত!
যদি তারা সেই সিক্রেট গুলি জানত! আজ বিশ্বেও সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হলেন এলন মাস্ক! বা ভারতের ক্ষেত্রে আম্বানী বা আদানিই বলেন, প্রত্যেকেই সেই সিক্রেট টিপস গুলাে ব্যবহার করেছেন আর এখন ও করছেন! আজ এই প্রােগ্রামের মাধ্যমে আপনাদের সামনে এই সিক্রেট টিপস গুলাে নিয়ে এসেছি, যদি আপনার স্বপ্নকে সাকসেস করতে চান তাহলে এই ভিডিওটি মন দিয়ে দেখুন আর মনে রাখুন টিপস গুলি কি কি! আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক ইনস্পিরেশান যােগাবে এবং উপকৃত হবেন! অনুরােধ থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না! এই চ্যানেলে আপনারা যদি প্রথমবার হয়ে থাকেন তাহলে সাস্ক্রাইব বটনে হিট করবেন! তাহলে আমার নতুন যে কোন ভিডিও দ্রুত আপনার কাছে পৌছে যাবে! আমার ওয়েবসাইট লিঙ্ক ডেস্ক্রিপশান বক্সে দেওয়া থাকবে! দেখবেন অনুপ্রানিত হবেন!

টিপসের মধ্যে সব থেকে গুরুত্ব পূর্ন টিপসটি হল ‘ল অব অ্যাট্রাকশান’ শব্দটি শুনেই বুঝতে পারছেন অ্যাট্রাকশান মানে কোন কিছুকে | আকর্শন করা,আজ এই সিস্টেমটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলােচনা করব! কিভাবে কোন পদ্ধতিতে কোন পরিস্থিতিতে এই সিস্টেমটি ফলাে করা উচিত! আজ এই পদ্ধতি ফলাে করে যেমন মানুষ সফলতা পাচ্ছে ঠিক তেমনি সমাজ অধপতনেও যাচ্ছে!কারন এর ভাল দিক যেমন আছে তেমনি খারাপ দিক ও আছে! এখন আপনার স্বপ্নকে ভাল ভাবে বাস্তবে নিয়ে আসবেন না কি সমাজের চোখে খারাপ হবেন তা সম্পূর্ন আপনার উপর নির্ভর! দেখুন যারা বর্তমানে স্টুডেন্ট রয়েছেন তাদের এক ধরনের স্বপ্ন থাকবে এবং যারা পড়াশুনা শেষ করেছেন বর্তমানে হয়তাে সাধারন কোন কর্ম করে যাচ্ছেন তাদের স্বপ্ন একধরনের হবে এমনকি যারা কোন সরকারি সার্ভিস বা ব্যবসা করছেন প্রত্যেকের স্বপ্ন আলাদা হবে!তবে স্বপ্নকে বাস্তবে পরিনত করার পদ্ধতি কিন্তু একই ধরনের, বন্ধুগন আমাদেরকে ভগবান যখন এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তখন শারীরিক বা মানসিক ক্ষমতাকে ১০০% দিয়েই পাঠিয়েছেন! কিন্তু আমরা জন্মের পর ধীরে ধীরে আমাদের পরিবেশের সঙ্গে সম্বন্ধের সম্পর্কের সঙ্গে নিজেকে এমন ভাবে জড়িয়ে ফেলি! ফলে পরিবেশের মানে আশে পাশের ব্যক্তিবর্গের চিন্তা ভাবনা ধ্যান ধারনা ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে প্রবেশ করতে থাকে যার ফলে আমরা আমাদের ১০০% শক্তিকে ইউজ করার সিস্টেমকেই ভুলে। যাই!বন্ধুগন আমাদের চিন্তা শক্তির প্রধান কেন্দ্র হল আমাদের ব্রেইন! আরও স্পষ্ট করে বললে বলতে হয় আমাদের মন! আমরা যখনই কিছু ভাবি বা স্বপ্ন দেখি তখন লক্ষ্য পূরনের দৃশ্য পূর্বেই আমাদেও বুদ্ধির চোখে ভেসে উঠে এবং তা কিভাবে বাস্তবায়িত করা যাবে আমাদের মন ও বুদ্ধি তার প্রসেস শুরে করে দেয়!তবে ভগবান আমদের মনকে দুই ভাগে ভাগ করে। দিয়েছেন এক হল কনসিয়াস মাইন্ড সচেতন আরেকটা হল সাব কনসিয়াস মাইন্ড মানে অবচেতন মন!আপনি যা হতে চাইছেন, যেমন হতে চাইছেন প্রথমে তা কনসিয়াস মাইন্ডের দ্বারাই চিন্তা করেন,কিন্তু তা বাস্তবায়িত করা কনসিয়াস মাইন্ডের কাজ নয় তা বাস্তবায়িত করবে সাবকন্সিয়াস মাইন্ড। তাই আপনি সৰ্ব্বদাই পজেটিভ ভাবার চেষ্টা করুন!নেগেটিভ চিন্তা হলে সাবকন্সিয়াস মাইন্ড এটিকেই বাস্তবায়িত করে দেবে!যা বর্তমানে প্রাই ব্যক্তির সাথে হচ্ছে, যা খারাপ তাই ঘটচ্ছে আর যা ভাল তা ঘটচ্ছে ! বন্ধুগন এখন আসুন মেইন পয়েন্টে কিভাবে আপনার ইচ্ছা মানে আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবেন। আপনি যেই বিষয়ে টার্গেট সেট করবেন এমন টার্গেট যেন না হয় যে অন্য ব্যক্তির সাথে কম্পিটিশান করে বা রাগ করে আপনি টার্গেট সেট করলেন তাহলে তা অর্ধেক রাস্তাতেই ভেঙ্গে যাবে! কারন আপনার সেই রাগ বা প্রতিযােগিতা কিছু দিন পরে হয়ত আর থাকবে না,তখন আপনি সেই টার্গেটকেই ভুলে যাবেন! তাই এমন টার্গেট সেট করুন যা আপনার ভিতর থেকে আসে!টার্গেট সেট করার সঙ্গে সঙ্গে আপনি তা কোন একটি নােটপ্যাডে লিখে রাখুন! এমনকি যদি সম্ভব হয় তা ড্রয়িং করে বেড রুমে রাখতে পারেন, আপনার অফিসে রাখতে পারেন, এমনকি আপনি যে বাইক বা স্কুটি ব্যবহার করছেন তার মধ্যে ও রাখতে পারেন! এবং এক End of Point সেট করুন কত দিনের মধ্যে আপনার সেই গােল এচিভ হতে যাচ্ছে! তার পর তা ভিজুলাইজেশান অর্থাৎ চিত্রচিত্রন করা শুরু করুন! মানে কল্পনা করুন আপনি যে টার্গেট সেট করেছেন তা আপনার পুর্ন হয়েছে, আপনি তার আনন্দ উপভােগ করছেন! এর পর ধীরে ধীরে অ্যাট্রাকশান শুরু করা, মানে আকর্ষন করা! ধীরে ধীরে গােলকে এমন ভাবে আকর্ষন করতে হবে যেমন আপনার টার্গেট আপনার একদম কাছে এসে গেছে!কিন্তু অনেকে হয়ত বলবে টার্গেট তাে সেট করেছি এবং ভিজুলাইজেশান ও করেছি তার পরও আমাদের স্বপ্ন পূর্ন হয়নি বা হচ্ছে না! বন্ধুগন আপনার লক্ষ্য না পূর্ন হওয়ার পেছনে যে সমস্ত কারন গুলি আছে তার মধ্যে

প্রথমত:- আপনার ভিজুলাইজেশান সঠিক ভাবে সঠিক সময় করতে পারছেন না,আর ভিজুলাইজেশানের সময় আলাদা আলাদা চিন্তা আপনার মনে আসে যা আপনার টার্গেটের বিপরীত হয়ে যায়! যেমন আপনি যদি এক পরীক্ষার্থী হউন আপনার স্বপ্ন হচ্ছে পরিক্ষায় টপ টেনের মধ্যে আপনার নাম থাকবে!আর যখনই ভিজুলাইজেশনে বসলেন সঙ্গে সঙ্গে মনে আসচ্ছে আরে তুইকি । পারবি?তাের পক্ষে কি সম্ভব হবে? তুই পারবি না! আর আপনি ও উঠে গেলেন! এই ভাবে ভিজুলাইজেশান যদি হয় তার কোন রেজাল্ট আপনি পাবেন না!

দ্বিতীয়ত:- আপনার ভিজুলাইজেশানের সঠিক সময় নির্ধারন করতে পারেন নি,যেমন ধরুন আপনি রাত্রিতে খাওয়ার পর যখন বিছানায় যাবেন তখন থেকে আপনার ভিজুলাইজেশান শুরু হতে হবে চোখে যখন তন্দ্রা বা ঘুম আসবে আপনি ঘুমিয়ে পড়লেন! তার পরও সেই প্রসেস চলতে থাকবে! আবার সকালে যখন ঘুম থেকে উঠার সময় চোখ খােলার পূর্বেই আপনি যখন সজাগ হয়ে যাবেন তখন থেকেই আপনার ভিজুলাইজেশান শুরু হতে হবে! সারাদিন সময় সময় করবেন!

তৃতিয়ত:-আমরা সারা দিনে যা কিছু কাজ করি মানুষের সাথে যা কিছু ব্যবহার করি, কথা বার্তা বলি তার মধ্যে যে সব নেগেটিভ বিষয় যেমন ধরুন কেউ আপনাকে খারাপ বলেছে, কেউ আপনাকে ভুল বুঝেছে, কেউ আপনাকে আঘাত করেছে,এসব ভুলে যান! তা না হলে এই সব কিছুই রাত্রিতে যখন বিছানাতে শুতে যান তখন সব গুলি মনে আসবে! এমনকি ঘুম পর্যন্ত ঠিক ভাবে হয় না এই নেগেটিভ চিন্তার কারনে, এর ফলে আপনার মনের ক্ষমতা অনেক কমে যায়,আপনা টার্গেটকে অ্যাট্রাক্ট মানে আকর্ষন করার সেই শক্তি আপনি হারিয়ে ফেলেন!আপনার উচিত সারা দিনে যে সমস্ত পজেটিভ রেজাল্ট আপনি পেয়েছেন তা মনে করা, যাদের কাছ থেকে সম্মান পেয়েছেন,যে সমস্ত কাজ থেকে আপনি আনন্দ পেয়েছেন, সেই বিষয় গুলি মনে মনে চিন্তা করা এবং এর থেকে ইম্পর্টেন্ট ফেক্ট গুলােকে খােজে বের করা যাতে কিভাবে আগামী দিনেও আপনি খুশি থাকতে পারেন! তাতে আপনার মনের এনার্জি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে।

চতুর্থত:- মানুষের ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ না করার পেছনে আরেকটি কারন আছে আর তা হল যখন পরিস্থিতির কারনে। হঠাৎ করে নিজের টার্গেট সেট করে নিলেন তা কিছুদিন হয়তাে কন্টিনিউ করলেন! ভাবলেন কি কি স্টেপ নিতে হবে। কিন্তু কিছু দিন পরে তা হ্রাস পেতে থাকে! এমন এক সময় আসে যখন প্রতিদিন মনে আসার পরিবর্তে সাপ্তাহে একবার সেই লক্ষ্যের কথা মনে পরে! ধীরে ধীরে এমন হয় সেই লক্ষ্য বাদ দিয়ে আবার নতুন এক লক্ষ্য সেট করেন। আবার সেইম প্রসেস চলতে থাকে!

পঞ্চমত:-মানুষ স্বপ্নকে দেখার সাথে সাথে সেই স্বপ্নকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে থাকে, এর ফলে আপনার ল অব অ্যাট্রাকশানের শক্তির স্পিড ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

ষষ্ঠত:- ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ না করার পেছনে আরেকটি গুরুত্ব পূর্ন কারন হল শারীরিক ক্ষমতাকে এবয়েড করে টার্গেট সেট করে বসা! যেমন একদম সহজ উদাহরন! আপনি সব সময় এয়ার কন্ডিশন রুমে থাকা পছন্দ করেন, রৌদে যাওয়া পছন্দ করেন না, আর হঠাৎ আপনার দেশ প্রেম জেগে উঠল আর আপনি টার্গেট সেট করে নিলেন এক সৈনিকের, আপনার কি মনে হয় তা আপনার শরীর সুইট করবে? ধীরে ধীরে সেই টার্গেট ও ব্যর্থ হয়ে পরবে!

তবে হ্যা আপনি যদি একাগ্র চিত্তে সেই চিন্তা করতে থাকেন তাহলে আপনার শরীরকে সেই লক্ষ্য পূর্ন করার জন্য ধীরে ধীরে উপযুক্ত করে তুলবে, তবে একাগ্র চিত্তে করতে হবে!আর ল অব অ্যাট্রাকশানও সেই লক্ষ্যেই কাজ করে আপনাকে ডাইরেক্ট রেজাল্ট এনে দেবে না, কিন্তু সেই লক্ষ্য পূর্ন করার জন্য আপনার শরীরকে উপযুক্ত করে তুলে। আপনি সবসময় যখন একই বিষয়ে চিন্তা করতে থাকবেন তখন সেই মন সেই বিষয়ে কাজ করার জন্য তৈরী হয়ে যায়!তবে বন্ধুগন ল অব অ্যাট্রাকশান। ডাইরেক্ট রেজাল্ট তাে দিতে পারবে না ঠিক আছে কিন্তু আপনার স্বপ্নকে পূর্ন করার জন্য রাস্তা তৈরি করে দেবে।ল অব অ্যাট্রাকশান যদি সঠিক ভাবে ফলাে করতে পারেন আমি মনে করি ১০০% আপনার লক্ষ্য পূর্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বন্ধুগন আশা করি আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার মাধ্যম আপনাদেরকে দিতে পেরেছি! যদি এই ভিডিওটি আপনাদের উপকারে আসবে বলে মনে হয় তাহলে একটি লাইক ও শেয়ার করবেন তাতে আমরা অনুপ্রেরনা পাব!

Saturday, July 23, 2022

Easy Way to crack UPSC Exam:

 



এই বৎসর অর্থাৎ ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশের বিজনােরের ২৩ বৎসরের কন্যা শ্রুতি শৰ্মাজী U.P.S.C(union public commission) তে টপ 1 রেঙ্ক করে দেখিয়েছেন! উনারই এমাজিং সাকসেস স্টরির টিপস আপনাদের সাথে শেয়ার করছি! এই টিপস ফলাে করলে আপনি ও এই লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন।

ইউ.পি.এস সি পরিক্ষায় বসতে অনেকেরই ইচ্ছা হয়, কিন্তু সফলতার সঠীক উপায় অনেকে জানেন না। অনেকে ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় বসার জন্য ভাবেন মনে হয় হ্যা আপনি ও পারবেন পরিক্ষায় ক্রেক করতে! ভয়ের কোন কারন নেই। কিন্তু যখন পরিক্ষার ফর্ম ফিলাপের সময় আসে ফর্ম ফিলাপ ও করেন , কিন্তু প্রিপারেশান কি করবেন, কোথা থেকে স্টার্ট। করবেন কিছুই ভেবে উঠতে পারেন না!

এক সার্ভেতে দেখা গেছে ভারতবর্ষে ইউ.পি.এসসি পরিক্ষার ফর্ম যদি ১০০% ফিলাপ করে তার মধ্যে ৪০% কেন্ডিডেট প্রিলিমস(prelims) পরিক্ষাতে বসার জন্য তৈরী হয়! আর মেইন পরিক্ষা দেওয়ার জন্য মাত্র ১.৩% সিলেক্ট হয় আর ৩৮.৭% কেন্ডিডেট ব্যর্থ হয়ে যায়! আর মেইন পরিক্ষা ক্রস করে ইন্টারভিউর জন্য ০.০২৪% কেন্ডিডেট সিলেক্ট হয়, আর ফাইনাল সিলেক্ট হয় ০.০৯ % আপনি ভাবতে পারছেন? এই পার্থক্য কেন?  জীবনে যদি কিছু করে দেখাতে চান তাহলে সেই ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় টপ রেঙ্ক করে দেখান! যেখানে শুধু গভর্নমেন্ট চাকরি করে অর্থ উপর্জনই লক্ষ্য নয়। নিজেকে নিজের দেশে প্রতিষ্ঠিত করার এক মাধ্যম বলতে পারেন! হয়তাে অনেকেই ১০০% টার্গেট নিয়ে এর প্রিপারেশন শুরু করেন কিন্তু দেখা যায় মাঝ রাস্তাতেই ব্রেক ডাওন হয়ে যায়! তার একদম প্রকৃত উদাহরন
২০২২ সালের ইউ.পি.এস.সি লিষ্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন, দেখা গেছে ১০,৯৩,৯৮৪ পরিক্ষার্থী ফর্ম ফিলাপ করেছেন এর মধ্যে মাত্র ৫,০৮,৬১৯ জন পরিক্ষার্থী প্রিলিমস পরিক্ষার জন্য তৈরি হয়েছে। তার থেকে মাত্র ৫০% শেষ পর্যায়ে প্রিলিমসে বসেছে এর মধ্যে মাত্র ০.০১% ক্রেক করেছে। তাহলে বুঝতে পারছেন?

এই বৎসর অর্থাৎ ২০২২ এ টপ ওয়ান হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বিজনােরের ২৩ বৎসরের কন্যা শ্রুতি শৰ্মাজী সব থেকে মজাদার বিষয় হল সমাজে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা চিন্তা ধারা অর্থাৎ ট্রেডিশানের পরিবর্তন হতে চলেছে!পুরুষদের তুলনায় | মেয়েরা পিছিয়ে থাকবে কারন তারা দৈহিক বা মানসিক উভয় দিক দিয়ে দুর্বল, কিন্তু কয়েক বৎসরের ইউ.পি.এস.সি রেজাল্টে দেখা যায় পুরানাে ট্রেডিশান দিন দিন বদলে যাচ্ছে!

প্রশ্ন হল শ্রুতি শৰ্মাজীর মধ্যে এমন কি আলাদা কুয়ালিটি ছিল যে তিনি ১০ লাখ কেন্ডিডেটের মধ্যে টপ ওয়ান হয়েছেন। তিনি এমন কি স্ট্রেটেজী প্রয়ােগ করেছেন যা অন্যদের থেকে আলাদা! আলাদা এমন কি সিক্রেট আছে? 

শ্রুতি শৰ্মাজী টপ ওয়ান হওয়ার সাথে সাথে সমস্ত নিউজ মিডিয়া,প্রিন্ট মিডিয়া উনার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন!তারা উনার , লক্ষ্য পূরনের কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন! ইন্টারনেটে কিছু ডাটা দেওয়া হয়েছে! রেজাল্ট যা উঠে এসেছে তা হয়তাে জানতে পারলে আপনিও বলবেন যে ভগবান! এই টিপস গুলাে যদি আমি প্রথমে জানতাম তাহলে হয়তাে আমিও লাইফে সাকসেস হতাম! আমার স্বপ্নও পূর্ন হত!

আমি সেই সিক্রেট টিপস গুলােকে সর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বন্ধুগন যা হওয়ার হয়ে গেছে তার জন্য অনুসূচনা করে কোন লাভ নেই আগামী দিনের জন্য অ্যাকশান প্লেন করুন  বাউন্স বেক করুন

চলুন টিপস গুলাে আলােচনা করি:
1) Internal Target set:
2) Focus on Sources:
3) Time Management:
4) Focus on progress:
5) Flexible on the way:
এই পাঁচটি টিপসই আপনাকে আপনার স্বপ্নের দুনিয়াতে পৌছে দিতে পারবে
Internal Target set:- তার মানে ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষায় বসার ইচ্ছা আপনার অন্তর থেকে আসতে হবে। দেখা গেছে নিউজে কারুর উৎসাহ ও প্রসংসা দেখে হঠাৎ নিজের মনেও ইচ্ছা হয়েছে বা নিজের বন্ধুদের সাথে নিজেকে তাল । মিলিয়ে চলার জন্য ফর্ম ফিলাপ করে নিলেন, অথবা সমাজে দেখানাের জন্য হ্যাঁ আমি ও ইউ.পি.এস.সি পরিক্ষার ফর্ম ফিলাপ করেছি যাতে সমাজে আমার রেস্পেক্ট বাড়ে! আর যখন পরিক্ষার সময় আসে তখন মন ধিরে ধিরে দুর্বল হতে থাকে, ভয় এসে যায়, মনে নেগেটিভ চিন্তা আসতে থাকে শেষ পর্যায়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলেন যে আপনি পরিক্ষা দেবেন না! তাই আপনার টার্গেট মানুষকে দেখানাের জন্যই হলে হবে না আপনার নিজের জন্য হতে হবে আপনি যে টার্গেট বা গােল সেট করেছেন ইউ.পি.এস.সির জন্য তার পেছনে কি গােল আছে তার প্রতি লক্ষ্য দিতে হবে!ঠিক শুনেছেন গােলের পিছনে গােল! তা না থাকাতেই ১০০% কেন্ডিডেটের নাম নথিভুক্ত করলেও পরিক্ষা হলে এন্ট্রি হয় মাত্র ৪০ বা ৫০% কেন্ডিডেট।

Focus on Sources:- শ্ৰতি শর্মার সাক্ষাৎকারের তথ্যে দেখা যায় টার্গেট সেট করার পর সেই একজাম পয়েন্ট অব । ভিউতে কি কি সাবজেক্ট কি কি সিলেবাস তার জন্য কি কি ক্রাইটেরিয়া রয়েছে তার বিস্তারিত ডাটা কালেক্ট করা শুরু করতে হবে বর্তমানে ইন্টারনেট এক বিশাল গাইডার হিসাবে কাজ করে এবং নিজেকে নিজে ৪০% ডেভেলপ করার পরে ভারতবর্ষে প্রায় শহরে ইউ.পি.এস.সি কোচিং সেন্টার রয়েছে তাদের সাথে কনসাল্ট করা প্রয়ােজন। তবে নিজেকে ফুল কোর্সের প্রাথমিক নলেজ হওয়ার পরেই কোচিং এ জয়েন্ট করতে হবে! দেখা গেছে প্রথমেই যদি কোচিং এ জয়েন্ট করেন তাহলে কোচিং নির্ভর হয়ে যাবেন, এর ফলে নিজের ইন্টার্নাল পাওয়ারকে বের করতে পারবেন না। এর ফলে ইউ.পি.এস.সি কোর্স এক বিশাল বিষয় বলে মনে হবে।

এর পর ইম্পর্টেন্ট টিপস হচ্ছে
Time Management:- শুধু ইউ.পি.এস.সি নয় জীবনে প্রতি মুহুর্তে এই Time Management বিষয়টি এক বিশাল গুরুত্ব পূর্ন ভুমিকা পালন করে! বেশির ভাগ ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় স্টুডেন্টের মধ্যে এক বিশ্বাস তৈরি হয়ে যায় যে যত বেশি সময় পড়তে বসে সে তত বেশি নাম্বার পাবে! কিন্তু যারাই ইউ.পি.এস.সিতে সাকসেস হয়েছে তারা প্রত্যেকেই কমেন্ট করেছেন যে ১৫-১৬ ঘন্টা পড়তে হবে না ৮ থেকে ৯ ঘন্টা পতিদিন পড়লেই হবে! তবে তা ১০০% মনােযােগের সাথে পড়তে হবে। পড়ার পূর্বে একটু সময় মেডিটেশান করলে রেজাল্ট অনেক ভাল হবে! এমন যেন না। হয় যে ৮ ঘন্টা পড়তে হবে তাই কিছুক্ষন পর পর হিসাব করতে থাকলেন যে ৮ ঘন্টা হওয়ার আর কত বাকি? না বন্ধুগন তা প্রকৃত স্টুডেন্টের লক্ষন নয়! আপনার সাবজেক্টগুলােকে টাইমের সাথে মিলিয়ে এক রুটিন করে নিন, এতে কি হবে আপনাকে সেই রুটিনই এগিয়ে নিয়ে যাবে পারিক্ষার জন্য! আপনি স্টেপ বাই স্টেপ উপরে উঠতে থাকবেন যা আপনি ভাবতেই পারবেন না টাইম ম্যানেজমেন্টের আর ও ইম্পটেন্ট বিষয় হল ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৮৬,৪০০ সেকেন্ড! যা ভগবান প্রতিদিন সকালে আমাদেরএকাউন্টে ডিপােজিত করে দেন আর তাকে কোথায় কিভাবে ইউজ করবেন তা সম্পূর্ন আপনাকে ডিসাইড করতে হবে! কোন কাজকে কতটা গুরুত্ব দিতে হবে আর কতটা সময় দিতে হবে,

চতুর্থ পয়েন্ট Focus on progress :-
অর্থাৎ একজাম কেন্ডিডেটের কাছে এই বিষয়টি খুবই গুরুত্ব পূর্ন কারন টার্গেট সেট করে তা এচিব করার জন্য অ্যাকশান করতে থাকলেই চলবে না, ডে বাই ডে কি ডেভেলপ হচ্ছে তার ও পর্যবেক্ষন করতে হবে আর তা আপনার টার্গেট এচিভ করার ক্ষেত্রে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করবে! আপনি নােট পেডে প্রত্যেক দিনের কত % ডেভেলপট হয়েছে তা নােট করতে পারেন তার উপর নিজেকে নিজে মার্ক দিতে পারেন। এতে দুই দিকেই আপনার বেনিফিট হবে! এক আপনার কোন জায়গাতে দুর্বলতা রয়েছে তার সমাধান আপনি পেয়ে যাবেন! দুই আপনি যখন অনুভব করতে পারবেন যে আপনার ডেভেলপ হচ্ছে তাতে আপনার মধ্যে এক উৎসাহ তৈরি হবে যা আপনার ইন্টারনেল এনার্জিকে আরও ডেভেলপ করবে!

৫ম বা লাস্ট পয়েন্টটি হল Flexible on the way
তা কেন গুরুত্ব পূর্ন আশা করি আপনারা অবশ্যই বুঝতে পারছেন! কারন আপনি যদি একজাম কেন্ডিডেট হন তাহলে আপনি যে কোন একটি মাধ্যমকেই যদি আক্রিয়ে ধরে রাখেন তার যদি কোন বিচার বিশ্লেষন না করেন তাহলে দেখা যাবে যখন পরিক্ষার সময় আসবে তখন ১০০% অ্যাকোরেসিতে পৌছাতে পারবেন না! এমন ও দেখা যায় এক এক কোচিং বা এক এক টিচারের প্রভাব এমন ভাবে স্টুডেন্টের উপর পরে স্টুডেন্ট ভাবে উনিই আমাকে এই টার্গেটকে এচিভ করে দেবে! আমি বলছিনা যে সেই টিচার খারাপ বা উনার কোচিং আপনাকে সাকসেস দিতে পারবে না! প্রবলেম হল টিচার তাে লেকচার দেবে এক ভাবে কিন্তু সেই নলেজ প্রত্যেক স্টুডেন্ট নেবে আলাদা আলাদা ভাবে! যার জন্য আপনাকে ভ্যারাইটিজ টিচারের সাথে কনসাল্ট করতে হবে যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার মনের জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন বিষয়ক কৌতুহলের সমাধান না হচ্ছে!

শ্রতি শৰ্মাজীর ইউ.পি.এস.সি ২০২২ একজামের টপ ওয়ানে আসার ট্রিক্স এন্ড টিপস আশাকরি আপনাদের অনেক ইন্সপ্রেশান যুগিয়েছে! উপকৃত হলে ভিডিওকে লাইক করবেন আর দুর দুরান্তে শেয়ার করবেন! আজকে এপর্যন্তই আবার  দেখা হবে আগামী ভিডিওতে! ততদিন পর্যন্ত সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন!

ধন্যবাদ!

Monday, November 29, 2021

ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে?NEED OF GOD | Law Of Attraction| Rajyog Pathshala

 



ভগবান আছে কি নেই এই বিষয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে, এই ভিডিওটি দেখার পর আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

ভগবান আছে কি নেই এই প্রশ্নটি প্রত্যেকের মনেই আছে কিন্তু সঠীক উত্তর আজ অবদি কোথাও পাওয়া যায় নি!যদি কোন ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানে এর উত্তর খোঁজতে যান তাহলে উত্তর আসে হা ভগবান অবশ্যই আছে। আবার যদি কোন বাস্তববাদি বা। বিজ্ঞানে বিশ্বাসী ব্যক্তির কাছে খোজতে যান তাহলে তাদের থেকে উত্তর আসে, ভগবান বলতে কিছু নেই!এই দুই চিন্তা ভাবনা বিপরীত হওয়ার কারনে আমাদের মধ্যে সংশয় দানা বাঁধে আরে! ভগবান কি সত্যিই আছে? না নেই? আর এই মুহুর্তে ভিডিওর থাম্বনেলটি নিশ্চই আপনার মধ্যে এক নতুন কৌতুহল বা উৎসাহ তৈরি করেছে? আর আমি আপনাদের নিশ্চিত করছি এই ভিডিওটি সম্পূর্ন ভাবে দেখার পর আপনাদের প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন! অনুরােধ | থাকবে ভিডিও ছেড়ে কোথাও যাবেন না! শেষ পর্যন্ত দেখতে থাকুন!

এতদিন পর্যন্ত এক প্রশ্ন চলে এসেছে ভগবান কি এই সংসারে আছেন? এতদিন পর্যন্ত আমাদের কাছে এই প্রশ্ন এক বড় প্রশ্ন ছিল! কিন্তু আজকে আপনাদের এক নতুন প্রশ্ন করতে চাইছি, তা হলাে Do we need God?মানে আমাদের কি ভগবানের প্রয়ােজন আছে? তাহলে তার উত্তর হল হাঁ, আমাদের ভগবানের প্রয়ােজন আছে, অনেক দার্শনিক বা চিন্তাবিদের মতে ভগবানের অস্তিত্ব যদি থাকে তাহলে খুব ভাল, আর যদি না থাকে তাহলে আমাদের ভগবানের এক অস্তিত্ব বানাতে হবে! এই প্রসঙ্গে আমার ফরাসী গনিতবিদ ও পদার্থবিদ, - ব্লেইসে পাসকেলের কথা মনে পরছে ,“তিনি বলেছেন “ভগবান যদি না থাকে আর আমরা যদি তাকে বিশ্বাস করি,
তাতে কোন ক্ষতি নেই, কিন্তু যদি ভগবান থাকে আর আমরা তাকে না মানি তাহলে মারত্বক ক্ষতি হয়ে যাবে” কারন ভগবানের অস্তিত্ব আমাদের জীবনে এক মনােস্তাত্বিক চাহিদা ! দেখুন আমাদের জীবনে শুধু দু মুষ্টি খাবার খেলেই চলে না, আমাদের অনেক কিছুর প্রয়ােজন পড়ে, আমাদের ভালবাসার প্রয়ােজন, যত্নের প্রয়ােজন, সুরক্ষার প্রয়ােজন, আমাদের দু:খকে শুনার মতাে ব্যক্তির প্রয়ােজন, আমাদের এমন জায়গার দরকার যেখানে গিয়ে আমরা কাঁদতে পারি, দু:খকে শেয়ার করতে পারি! বিদেশে চেম্বার এই দেশে ভগবান বা মন্দির আমাদের জীবনে বিশেষ ভুমিকা পালন করে! মানে এক চিকিৎসালয় হিসাবে কাজ করে,
যদি কোন ব্যক্তির নিজের দু:খকে ভগবানের সাথে শেয়ার করে বা মন্দিরে কাঁদতে থাকে আর কেঁদে যদি শক্তিশালী হয়ে সেখান থেকে বের হয় তাহলে তার অনেক লাভ হয়! তবে তার আগে বলতে চাইছি কোন এক সময় কান্না খারাপ না, কিন্তু কাঁদতেই থাকা অনেক বেশি খারাপ, যদি আপনি মন্দিরে বা ভগবানের কাছে গিয়ে কাঁদেন তাহলে আপনি এক শান্তি বা শক্তির অনুভব করবেন, অনেকে হয়তাে বলবেন তা কিভাবে? মানুষ ভগবানের কাছে কাঁদলে বা ভগবানকে বিশ্বাস করলে কিভাবে পজেটিভ শক্তির অনুভব হয়?
সেই প্রসঙ্গে আমি তার প্রকৃত উদাহরণ দিয়ে বলছি যেমন দেখা যায় মানুষ অনেক সময় তাবিজ, কবচ, উঝ এবং মন্দিরে মানত করে, নিজের ইচ্ছাকে পূর্ন করার জন্য! আবার দেখাও যায় কিছু দিনের মধ্যে তাদের সেই আশা বা ইচ্ছা পূর্ন হওয়া শুরু করে। কিন্তু কিভাবে?
আপনার কি মনে হয় ঈশ্বরের কাছে মানত করা বা তাবিজ কবজ ব্যবহার করার ফলে তার অ্যাফেক্ট ব্যক্তির জীবনে প্রভাব পড়ে? আসলে সেখানে ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ করা শুরু করে, আমি তাবিজ কবচ বা মানত করা ইত্যাদির বির্তকে যাবনা, তবে আমি মনে করি তার পেছনে ল অব অ্যাট্রাকশান কাজ করে! কারন ল অব অ্যাট্রাকশান মানেই আপনি যা কল্পনা করবেন বা যা মনে মনে ভাববেন তা বাস্তবে আকার নেবে! উদাহরন, আপনি অসুস্থ হলেন আর উঝা আপনাকে এক তাবিজ দিয়ে বললেন কাল থেকে তুমি সুস্থ হয়ে যাবে, আর আপনার মনে তখন থেকেই এক

পজেটিভ চিন্তা তৈরি হওয়া শুরু করে! যে উঝা আমাকে তাবিজ দিয়েছে আমার আর কিছু হবে না আমি সুস্থ হয়ে যাব, আর সেই পজেটিভ চিন্তা , ভাবনার কারনেই আপনার ভিতরের এনার্জি দ্বিগুন হয়ে যায়, তাকেই বলে ল অব অ্যাট্রাকশান! আর একে আমরা আরেক ভাবেও বুঝতে পারি! যেমন ধরুন প্রচন্ড শীত চলছে আর আপনার অনেক বেশি ঠান্ডা লাগছে, তখন আপনি হয়তাে ঘরের এক কোনে আগুন জ্বালিয়ে শরীরকে গরম করেছেন!

আচ্ছা এতে আপনার শরীরতাে গরম হয়েছে কিন্তু প্রশ্ন হল বাইরের ঠান্ডা কি কমেছে? উত্তর আসবে না, আগুনের কারনে আপনার তাপ অনুভব হচ্ছে! আমি তাে এই বিষয়টিই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, যখন আপনাদের জীবনে অনেক দুঃখ,কষ্ট হয় যন্ত্রনা হয়,

আর যখন আপনি ঐ সময় ভগবানের কাছে গিয়ে বসেন তখন আপনার সুখ অনুভব হয়, শান্তির অনুভব হয়, কিন্তু বাইরের দুনিয়ার দু:খ কি কমেছে? কমে নি, কিন্তু ভগবানের সামনে আপনি সুখ ও শান্তির অনুভব করেন, এই দিক দিয়ে যদি বিচার করেন তাহলে বলা যায় ভগবানের প্রয়ােজন আছে! তাছাড়া বন্ধুগন যখন আপনি খুশিতে থাকবেন আপনি কার সাথে নিজের খুশিকে শেয়ার করবেন? বা আপনি যখন দু:খ যন্ত্রনা পাবেন তখন কার সাথে শেয়ার করবেন?

আপনি এমন কোন ব্যক্তি কি পাবেন যে আপনার সুখে সুখী হবে? আপনি এমন কি ব্যক্তি পাবেন যে আপনার দু:খে সত্যিই দু:খী হবে? হয়তাে না, কিন্তু এর বিপরীত মানুষ অবশ্য পাবেন! এক উদাহরন দিচ্ছি একবার এক ব্যক্তি ভাল একটি চাকরি পেয়ে, আনন্দে পাশের বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে গেল আর গিয়ে বলল কাকা বাবু আমি এক ভাল চাকরি পেয়েছি, তখন কাকা সেই ব্যক্তিকে বলে খুব ভাল খুব ভাল আনন্দ পেয়েছি তুমি চাকরি পেয়েছ জীবনে এগিয়ে যাও, কিছু সময় পর সে নিজের বাড়িতে চলে যায়, তখন সেই ব্যক্তি নিজের পত্নির সাথে বলেন আমাদের ভাগ্যই খারাপ বাড়িতে ৪ জন বেকার একজনও চাকরি পেল না, তার কি কপাল দেখ চাকরিটা পেয়ে গেল! একই ভাবে এক ব্যক্তি যার ব্যবসাতে অনেক ক্ষতি হয়েছে সে পাশের বাড়িতে গিয়ে দুঃখ করে বলে দাদা কি বলবাে আজকাল বাজার খুব মন্দা চলছে!

আমার ১০ লাখ লােকসান হয়ে গেছে! কি করবাে ভেবে পাচ্ছিনা? তখন আপনার সামনে সে অনেক দু:খ করে যখন আপনি চলে গেলেন তখন উনি স্ত্রীর সাথে বলেন ওর এটাই দরকার ছিল,খুব উড়ছিল!খুব ভাল হয়েছে! বন্ধুগন আপনার সত্যিকারের বন্ধু কে যে আপনার সুখে সুখী হয় বা আপনার দু:খে দু:খী হয়?

কে আছে যে আপনার কথা শুনতে চাইবে? উত্তর আসবে নেই! সেখানেই ভগবান আমাদের জন্য এক বন্ধুর মত কাজ করে! তিনি আমাদের কথাকে শুনেন, উনি আমাদের সুখে সুখী হন, আমাদের দু:খে দুখী হন, এর থেকেও বড় কথা যখন উনি আমাদের

দু:খ শুনেন সবচেয়ে উল্লেখ যােগ্য বিষয় হল তিনি অন্য কারুর সাথে তা শেয়ার করেন না! আপনি দেখবেন আপনি যখন কোন ব্যক্তির সাথে আপনার দু:খকে।শেয়ার করেন দেখবেন তিনি কিভাবে তা ভাইরাল করে দেয়? প্রয়ােজনে তা ফেইসবুকের স্টেটাস করে দিয়ে খুশী অনুভব করবেন , কিন্তু ভগবান আপনার দু:খকে নিয়ে অন্য ব্যক্তিদের সাথে শেয়ার করবে না বা রসিকতা করবে না? এমন কি পরবর্তী সময়ে কোন উপদেশ ও দেবে না ! অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যখন কেউ কোন সমস্যা কারুর সাথে শেয়ার করে ।

আসলে সে কোন সলিউশান চায় না!কোন উপদেশ চায় না! শুধু এই টুকুই চায় যাতে সামনের ব্যক্তি তার কথা গুলাে মন দিয়ে শুনে, আর

বুঝার চেষ্টা করে! কিন্তু সে না শুনে উল্টো উপদেশ দিতে থাকে উল্টো বুঝাতে থাকে কোনটি সঠিক কোনটি ভুল!

কিন্তু ভগবান আপনার সব কথা মনযােগ দিয়ে শুনেন কিন্তু কথার মাঝে বাধা দেন না,এমন কি আপনাকে উপদেশ ও দেবেন না, কোনটি ভুল হয়েছে কোনটি অন্যায় হয়েছে তার বিষয়ে ও আপনাকে কিছু বলবে না, চুপ চাপ সব শুনতে থাকে আপনারা নিশ্চই বুঝতে পারছেন ভগবান আমাদের জীবনে কতটা সাইকোলজিকেলী প্রয়ােজন? তাছাড়া ভগবান আছে তা যদি মানুষ মেনে নেয় তাহলে তাদের জীবন এক সুন্দর শান্তপ্রিয় ও সংস্কার সম্পন্ন হয় তার এক উদাহরণ দিচ্ছি যেমন এক ব্যক্তি তার অভ্যাস অনুসারে সিগারেট পান।

আর হাটতে হাটতে মন্দিরের দিকে যাচ্ছে মন্দিরের কাছে যখন পৌছায় তখন সে সিগারেট টি ফেলে দিয়ে নিভিয়ে দেয়! তারপর সে মন্দিরের ভিতরে গিয়ে যা কিছু তার রিতি নীতি নিয়ম তা করে আবার বাইরে বেড়িয়ে পরে! বাইরে এসেই অভ্যাসের কারনে আবার সিগারেট ধরিয়ে টানতে থাকে আমার এক সাধারন প্রশ্ন আপনাদের কাছে যে , সে মন্দিরের ভিতর সিগারেট পান করে নি কেন? কারন সে জানে মন্দিরে ভগবান আছে, ভগবান এই সব পছন্দ করেন না! আর যারা ভগবানকে নিরাকার মনে করেন আবার অনেকে উনার সঠীক পরিচয়ও জানেন না!

তাদের ক্ষেত্রেতাে আরও মুশকিল, কারন তারা বলেন ভগবানের কোন আকার | নেই! উনি নিরাকার সব জায়গাতে আছেন। অর্থাৎ সৰ্ব্বব্যাপী! উনি আপনার সব কিছু দেখছেন তাই সাবধানে চলতে হবে!

আপনাকে আদর্শ ও সংস্কারী হয়ে চলতে হবে, তা না হলে ভগবান তার বিচার করবেন!অনেক ভয় দেখানাে হয়! ভয় দেখানাের কারন হলাে আমরা যাতে সঠীক ভাবে কর্ম করি! আসলে ভগবান সর্বক্ষেত্রেই আপনার এক গাইডার হিসাবে কাজ করেন! তাই ভগবান আছে কি নেই তা ইম্পর্টেন্ট নয়, ইম্পর্টেন্ট হল আমাদের কি ভগবানের প্রয়ােজন আছে? যদি ভগবান থাকে তাহলে ভাল, যদি না থাকে তাহলে আমাদের ভগবানকে তৈরি করতে হবে! ভিডিও দেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ! আশাকরি এই ভিডিওটি আপনাদের ভাল লেগেছে!ভাল লাগলে লাইক করবেন আর কমেন্ট করে জানাবেন! বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করবেন!আজকে এপর্যন্তই আবার দেখা হবে নতুন ভিডিওর সাথে!ততদিন পর্যন্ত সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন!

ধন্যবাদ!





rajyogpathshala

 www.rajyogpathshala.com